পাঠানকোটে জঙ্গি হামলার পর প্রধানমন্ত্রীর লাহোর সফর নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা পাঠানকোটে জঙ্গি হামলার পর প্রধানমন্ত্রীর লাহোর সফর নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা

পাঠানকোটে জঙ্গি হামলার পর প্রশ্নের মুখে মোদী সরকারের পাকিস্তান নীতি। নিজের দেশকে অন্ধকারে রেখে, প্রধানমন্ত্রীর লাহোর সফরের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। দিল্লি-ইসলামাবাদ যখনই আলোচনার টেবিলে বসেছে, তখনই পাক জঙ্গিদের বড়সড় সন্ত্রাসের নিশানায় এসেছে ভারত। বিরানব্বইয়ে দিল্লি-লাহোর বাস পরিষেবা শুরু করেছিলেন তত্‍কালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী। কিন্তু বাসের চাকা গড়াতেই শুরু হয়েছিল কার্গিল যুদ্ধ। মোদী জমানাতেও ফিরে এল সেই স্মৃতি। গত ডিসেম্বরে আফগানিস্তান থেকে ফেরার পথে আচমকা লাহোরে নওয়াজ শরিফের মেয়ের বিয়েতে যান মোদী। তার কিছুদিনের মধ্যেই পাঠানকোটে জঙ্গি হানা। মোদীর বক্তব্য, পাকসেনা, মোল্লাতন্ত্রের চাপ এড়িয়ে শরিফ যদি দুদেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে চান, তাহলে আলোচনায় আপত্তি কীসের? উল্টোদিকে বিরোধীদের প্রশ্ন, পাক প্রধানমন্ত্রীর টিকি যদি সেনা আর মোল্লাতন্ত্রের হাতেই বাঁধা থাকে, তাহলে শুধু শুধু নওয়াজের সঙ্গে হৃদ্যতা বাড়ানোর যুক্তি কী? পাঠানকোট হামলার পর আরও জোরাল এই বিতর্ক।