সিঙ্গুরের জমি ফেরত এক অলীক স্বপ্ন

সরকারে এলেই অনিচ্ছুক চাষী ফেরত পাবে সিঙ্গুরের ৪০০ একর। এমনই প্রতিশ্রুতি ছিল। সরকারে আসার পর অতিক্রান্ত দু`বছর। জমি ফেরত পাওয়া যায়নি। সিঙ্গুর এখন অথৈ জলে। কারোর জমি ফেরত না পেয়ে স্বপ্নভঙ্গ। কারোর আবার শিল্প না হওয়ার যন্ত্রণা। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের তরুপের তাস কী ছিল? রাজনীতি নিয়ে যাঁর বিন্দুমাত্র মাথাব্যাথা নেই তিনিও সম্ভবত উত্তরে বলবেন সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম।আর তাই, ২ বছর আগে ক্ষমতায় এসে  ক্যাবিনেটের প্রথম সিদ্ধান্তই ছিল সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এখন জমি ফেরানো বিশ বাঁও জলে। হাইকোর্টে সিঙ্গুর বিল নিয়ে নাস্তানাবুদ হয়েছে সরকার। এখন মামলা সুপ্রিম কোর্টে। শিল্প হবে না কী জমি ফেরত.... সিঙ্গুরের সব আশাই মুখ থুবড়ে পড়েছে।  

রাজ্যে সারদার ১২টি জেলায় সাড়ে ১৭ হাজার জমির হদিশ

চিটফান্ড প্রতারণার তদন্তে সারদা গোষ্ঠীর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ পেল বিধাননগর পুলিস। বিধাননগর পুলিস সূত্রে খবর, রাজ্যের ১২টি জেলায় ২৫৬টি প্লটে প্রায় ১৭ হাজার ৫০০ ডেসিমেল জমি রয়েছে সারদা গোষ্ঠীর। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গের বাইরেও একাধিক রাজ্যে জমি রয়েছে সারদা গোষ্ঠীর। সারদা গোষ্ঠীর স্থাবর সম্পত্তির বিস্তারিত তথ্য চব্বিশ ঘণ্টার হাতে।  

মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের ল্যান্ড ব্যাঙ্ক এখনও বিশ বাঁও জলে

বুধবার শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠকে ল্যান্ড ব্যাঙ্ক থেকে জমি পছন্দ করতে বলে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বাস্তবে অবশ্য, ল্যান্ড ব্যাঙ্ক তৈরি তো দূরের কথা, জমি চিহ্নিতই হয়নি বেশির ভাগ জেলায়। ল্যান্ড ম্যাপ তৈরির কাজ হয়েছে মাত্র ছটি জেলায়। আগামিকাল তা প্রকাশ করবে অর্থ দফতর।

বৈঠকের পরেও কাটল না জমিজট

রাজ্যের প্রথম সারির শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠকের পরও বড় শিল্পের ক্ষেত্রে জমিজট কাটল না। বুধবার রাজ্যের প্রথম সারির শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, একলপ্তে এক বা দেড় হাজার একর জমি দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে বড় বিনিয়োগের সম্ভবনা নিয়ে শিল্পমহলের হতাশা কাটল না। তবে একশ কিংবা দেড়শ একর জমি পেতে সমস্যা হবে না বলে বৈঠকে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন সরকারের আর্থিক অবস্থা ভাল না থাকায় শিল্পপতিদের বাড়তি ইনসেনটিভ দেওয়াও সম্ভব হবে না। রাজ্যের শিল্পসংক্রান্ত কোর কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।

জমি অধিগ্রহণে সম্মতি নেই মুখ্যমন্ত্রীর

গুলি চালিয়ে জমি অধিগ্রহণ করা হবে না। জমি নেওয়ার প্রয়োজন হলে জমির মালিকের সম্মতি নিয়েই নেওয়া হবে। জনবসতিপূর্ণ এলাকা বাদ দিয়ে জমি নিতে হবে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ নিয়ে বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রের প্রশ্নের জবাবে বিধানসভায় একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

`মমতা বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন`

ফের প্রতিশ্রুতিভঙ্গের অভিযোগ। ঘোষিত জমিনীতি থেকে ১৮০ ডিগ্রি সরে এসে চাষের জমি অধিগ্রহনের নোটিস পাঠাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আবাসন প্রকল্পের জন্য সম্প্রতি রাজারহাটের ছ`টি মৌজার বাসিন্দাদের কাছে জমি অধিগ্রহণের নোটিস পাঠিয়েছে হিডকো কর্তৃপক্ষ। গোটা ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের সাফ কথা প্রাণ থাকতে জমি দেবেন না তাঁরা।

তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে উঠল জোর করে জমি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ

নেত্রী বরাবরই জোর করে জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে। এমনকী প্রমোটাররাজ, সিন্ডিকেটরাজকে প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য বারবারই দলের নেতা-কর্মীদের বার্তা দিয়েছেন তিনি। অথচ তাঁর দলের বিধায়ক এবং জেলা সভাপতির বিরুদ্ধেই জোর করে জমি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, গোটা একটা আদিবাসী গ্রামকেই উত্‍খাত করে দিতে চাইছেন মধ্যমগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক রথীন ঘোষ এবং উত্তর চব্বিশ পরগনার তৃণমূল জেলা সভাপতি নির্মল ঘোষ।

নন্দীগ্রামে অধিগ্রহণের নোটিস পাঠাল সরকার

নন্দীগ্রামে এবার জমি অধিগ্রহণের নোটিস পাঠাল তৃণমূল সরকার। অভিযোগ উঠেছে, জমি দিতে অনিচ্ছুকদের হুমকি দিচ্ছে স্থানীয় তৃণমূল সাংসদ শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম বাজারে যানজট এড়াতে বাইপাস রাস্তা তৈরি হবে। সেই জন্য প্রায় তিন একর জমি অধিগ্রণ করা হচ্ছে। কিন্তু কৃষকদের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই জমি অধিগ্রহণের নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

জমি না পেয়ে রাজ্য ছাড়ল বিএসএফের ফ্রন্টিয়ার

জমি না পেয়ে রাজ্য ছাড়ল বিএসএফের ফ্রন্টিয়ার। মালদায় ফ্রন্টিয়ারের নতুন সেক্টর গড়ার কথা ছিল। এর ফলে একদিকে যেমন সুরক্ষা ব্যবস্থায় ঘাটতি তৈরি হল, অন্যদিকে তেমনি পরিকাঠামোর দিক থেকেও পিছিয়ে পড়ল সীমান্তরক্ষী বাহিনী।