রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে, নাকতলা জমিকাণ্ডে মন্তব্য কলকাতা হাইকোর্টের রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে, নাকতলা জমিকাণ্ডে মন্তব্য কলকাতা হাইকোর্টের

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। নাকতলা জমিউদ্ধার কাণ্ডে মন্তব্য কলকাতা হাইকোর্টের। হাইকোর্টের নির্দেশের পরও নাকতলায় জমি উদ্ধারে ব্যর্থ হয় পুলিস। আজ সেই মামলায়  রাজ্যকে কড়া ভর্তসনা করে আদালত। ৪২ কাঠা এই জমি উদ্ধার করতে গিয়ে শুক্রবার  নাকাল হয় পুলিস। নগরপালকে দাঁড় করিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দেন তৃণমূল কাউন্সিলের স্বামী ভাস্কর দাম। খালি হাতে ফেরে পুলিশ। জ্যোর্তিময় ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলা উঠতেই রাজ্যের ভূমিকায় তীব্র অসন্তোষ উগরে দেন বিচারপতি। নগরপালের উপস্থিতিতেও আদালতের নির্দেশ মানা হয়নি। রাজ্যের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। নগরপালের সামনে আত্মহত্যার হুমকি দিচ্ছেন একজন। নগরপাল তা মূক ও বধিরের মতো দেখছেন! তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীকে গ্রেফতার করা উচিত, রাজ্য সরকার ও কলকাতা পুরসভার কাজকর্ম নিয়েও অসন্তোষ চেপে রাখেননি বিচারপতি।

জমিকাণ্ড নাকতলায়, প্রায় বিয়াল্লিশ কাঠার একটি জমি নিয়ে বিবাদ জমিকাণ্ড নাকতলায়, প্রায় বিয়াল্লিশ কাঠার একটি জমি নিয়ে বিবাদ

জমিকাণ্ড নাকতলায়। প্রায় বিয়াল্লিশ কাঠার একটি জমি নিয়ে বিবাদ। জল গড়াল হাইকোর্টে। উনিশশো বাহাত্তরে লীনা দত্ত নামে এক মহিলার এই জমিটি উন্নয়নের কাজে অধিগ্রহণ করে সরকার। কিন্তু সেখানে একটি পাম্পিং স্টেশন ছাড়া আর কিছুই এতদিনে করে উঠতে পারেনি সরকার। ফলে জমি ফেরতের দাবিতে হাইকোর্টে মামলা করেন লীনা দত্ত। গত পাঁচই অক্টোবর হাইকোর্ট রায় দেয়, জমির মালিককে জমি ফিরিয়ে দিতে হবে। একজন স্পেশাল অফিসার নিয়োগ করে হাইকোর্ট। কলকাতা পুলিস কমিশনার, ল্যান্ড অ্যাকুইজিশন কালেক্টর এবং কলকাতা মিউনিসিপ্যাল ওয়াটার অ্যান্ড ফুয়ারেজ অফিসারের উপস্থিতিতে জমি ফিরিয়ে দিতে বলে হাইকোর্ট। সেইমতো আজ তাঁরা প্রক্রিয়া শুরু করতে গেলে বাধা দেয় স্থানীয় ক্লাব। সবুজ বাঁচানোর দাবি তুলে তারা হাইকোর্টে আবেদন জানায়। কলকাতা পুরসভার কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় জমি ফেরানো যায়নি। আজ মামলাও ওঠেনি হাইকোর্টে।

শর্ট স্ট্রিটে জমিযুদ্ধ, গুরুত্বপূর্ণ নথি ২৪ ঘণ্টার হাতে, ২০১০ থেকে জমি নিয়ে তদন্ত শুরু করে কলকাতা পুলিস

৯ এ শর্ট স্ট্রিট। যত দিন যাচ্ছে, ততই সামনে আসছে জমি দখলকে কেন্দ্র করে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। ওই জমির যে দলিল বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিস, তা এসেছে ২৪ ঘণ্টার হাতে। ওই দলিলের ভিত্তিতেই পুলিস পরাগ মজমুদার এবং রাজেশ দামানিকে গ্রেফতার করেছে। সঞ্জয় সুরেখাকে জমি বিক্রি করেছিল এরাই। দলিল থেকে জানা যাচ্ছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এই দলিলকে হাতিয়ার করেই তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিস। কীভাবে জমির হাতবদল হয়, তাতেও মিলছে নিত্যনতুন অনেক তথ্য। মুম্বইয়ের হার্টলাইন সংস্থার আদতে কোনও অস্তিত্ব নেই। এই সব কটি সংস্থাই পরাগ মজমুদার বেনামে চালাতেন বলে খবর।