ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হালিশহর

ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হালিশহর

ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হালিশহর। রাতে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দত্তপাড়ায় ২ তৃণমূলকর্মীর ওপর হামলা। দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন মাঠে বসে গল্প করার সময়েই আক্রান্ত হন পাপন সাহা ও সঞ্জয় দে নামে ২ যুবক। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হঠাত্‍ই একটি টোটোতে করে এলাকায় হানা দেয় ৫ দুষ্কৃতী।  নাম করে খোঁজ শুরু হয় পাপনের। বিপদের আঁচ পেয়ে  উর্ধবশ্বাসে দৌড়তে শুরু করেন পাপন। এরপরেই তাকে লক্ষ্য করে ৫ রাউন্ড গুলি চালায়  দুষ্কৃতীরা। পিঠে গুলি লাগায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন পাপন। এরপরেই পাপনের সঙ্গে থাকা সঞ্জয়ের মাথায় রিভলবারের বাঁট দিয়ে আঘাত করে দুষ্কৃতীরা। গুরুতর জখম হন তিনিও।

দিওয়ায়লিতে এসএমএসে 'দিল্লির লাড্ডু' পাঠালেন সোনিয়া, মমতার পাল্টা 'সমীকরণ' শুভেচ্ছা  দিওয়ায়লিতে এসএমএসে 'দিল্লির লাড্ডু' পাঠালেন সোনিয়া, মমতার পাল্টা 'সমীকরণ' শুভেচ্ছা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যকে মেসেজ করে দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানালেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। কংগ্রেস সভানেত্রীর ব্যক্তিগত নম্বর থেকে সেই বার্তা পেয়ে তত্‍ক্ষনাত্‍ প্রতি-শুভেচ্ছা জানান মমতাও। আর এই সৌজন্যের বার্তার মধ্যে অন্য রাজনৈতিক সমীকরণের অঙ্ক কষছেন অনেকে। এটিকে নিছকই সৌজন্যমূলক শুভেচ্ছার সরলরেখায় দেখছে না রাজনৈতিক শিবির। বিহার ভোটে মোদী-অমিত জুটি পর্যদুস্ত হওয়ার পর সনিয়ার এই সৌজন্য বিশেষ অর্থবহ বলে মনে করছেন তাঁরা। জাতীয় স্তরে বোঝাপড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না তৃণমূলও।

ত্রিনেত্র চিটফান্ডের টাকাতেই কি ফুলে ফেপে উঠেছে তৃণমূলের নির্বাচনী তহবিল?  ত্রিনেত্র চিটফান্ডের টাকাতেই কি ফুলে ফেপে উঠেছে তৃণমূলের নির্বাচনী তহবিল?

চিটফান্ডের টাকাতেই কি ফুলেফেঁপে উঠেছিল তৃণমূলের নির্বাচনী তহবিল? ত্রিনেত্র কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই জোরালো হচ্ছে ED-র তদন্তকারীদের সন্দেহ। শুক্রবার CGO কমপ্লেক্সে এক বেসরকারি ব্যাঙ্কের দুই কর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। ওই ব্যাঙ্কের ডালহৌসি শাখায় ত্রিনেত্র-র পাঁচটি অ্যাকাউন্ট ছিল। সেখান থেকে এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ভবানীপুর শাখায়, তৃণমূলের নির্বাচনী অ্যাকাউন্টে ২০১৪ মার্চ-এপ্রিলে পাঁচ কোটি টাকা ট্রান্সফার হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে  মাইক্রোসেক নামে একটি সংস্থার নামও। যেটি আসলে একটি চিটফান্ড সংস্থা। সারদার বাড়বাড়ন্তের সময়েই ফুলেফেঁপে উঠেছিল ওই সংস্থাও। ওই কোম্পানির টাকাই ঘুরপথে ত্রিনেত্রর অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল বলে প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। শুক্রবার দুই ব্যাঙ্ককর্তাকে জেরাতেও ধরা পড়েছে বেশ কিছু অসঙ্গতি। তাঁকে সোমবার যাবতীয় নথিপ্রমাণ সহ দেখা করতে বলা হয়েছে।