দক্ষিণ দিনাজপুরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে বাড়িতে আটকে রেখে গণধর্ষণ

দক্ষিণ দিনাজপুরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে বাড়িতে আটকে রেখে গণধর্ষণ

দক্ষিণ দিনাজপুরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে বাড়িতে আটকে রেখে গণধর্ষণ। চক্রান্তের অভিযোগ নির্যাতিতার বান্ধবীর মায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, সাতশ টাকা বিনিময়ে মদ্যপ চার যুবকের হাতে নির্যাতিতাকে তুলে দেয় বান্ধবীর মা। গ্রেফতার করা হয়েছে  ওই মহিলা ও চার যুবককে। মেয়ের বান্ধবী। খুবই পরিচিত। অভিযোগ, মাত্র সাতশ টাকার জন্য তাকেই চার মদ্যপ যুবকের ফুর্তির জন্য তুলে দেয় বান্ধবীর মা। বালুরঘাট থানায় এমনই অভিযোগ জানিয়েছে নির্যাতিতার পরিবার।  অভিযুক্ত  চার যুবক ও নির্যাতিতার বন্ধবীর মাকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। ঘটনা সাতই জানুযারির। বাড়িতে মেয়ে ফিরছে না। পাড়ায় খোঁজাখুঁজিতে না মেলায় থানায় খবর দেয় নির্যাতিতার পরিবার। আটই জানুয়ারি সকালে বালুরঘাটের শান্তিময় ঘোষ কলোনি থেকে বেহুঁশ অবস্থায় নবম শ্রেণির কিশোরীকে  উদ্ধার করে  পুলিস।

কলম্বসের শিশু আবিস্কার

জলে ভেসে আসা হাঁড়ি থেকে উদ্ধার হল এক সদ্যোজাত। খাঁড়িতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন দুই মত্স্যজীবী। হাঁড়িটি দেখে সন্দেহ হয় তাঁদের. ঢাকনা সরাতেই সন্দেহ বদলে যায় বিস্ময়ে। মাছের পরিবর্তে ফুটফুটে এক শিশুকে নিয়ে গ্রামে ফেরেন তাঁরা। জন্মের পর পরিত্যক্ত সেই শিশুকে মানুষ করার জন্য অনেকেই উত্সুক। তা নিয়েই তৈরি হয়েছে জটিলতা। দক্ষিণ দিনাজপুরের কোয়ারন গ্রাম। গ্রামের অদূরেই রয়েছে কাশিয়া খাঁড়ি। বুধবার সকালে সেখানেই মাছ ধরতে গিয়েছিলেন কলম্বাস ডাঙোয়ার। সঙ্গে ছিলেন আরেক মত্স্যজীবী গণেশ মহন্ত। জাল ফেলার আগে হঠাত্ই খাঁড়ির স্রোতে একটি হাঁড়ি ভেসে আসতে দেখেন তাঁরা।