দিল্লি এনকাউন্টার, ফিল্মি কায়দায় 'ডন'কে মারল পুলিস

দিল্লি এনকাউন্টার, ফিল্মি কায়দায় 'ডন'কে মারল পুলিস

এবার এনকাউন্টার রাজধানীতেও। রেস্তোরাঁয় ঢুকে এক দুষ্কৃতীকে মাথায় গুলি করে মারল পুলিস। তবে মৃতের স্ত্রীর অভিযোগ, ভুয়ো এনকাউন্টারে রেস্তোরাঁভর্তি লোকের সামনে তাঁর স্বামীকে খুন করা হয়েছে। এক রেস্তোরাঁয় সাগরেদদের সঙ্গে বৈঠক করতে আসে মনোজ বশিষ্ঠ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে টিম পাঠায় দিল্লি পুলিস।সেই দলে ছিলেন এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট। পুলিস তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। সেইসময় পকেট থেকে পিস্তল বের করে মনোজ গুলি চালায় বলে দাবি পুলিসের। পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। গুলি-পাল্টা গুলি। মাথায় গুলি লাগে মনোজের। স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্সকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে ভুয়ো এনকাউন্টারে মনোজকে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী।

আপে ভাঙন, বহিষ্কৃত হলেন যোগেন্দ্র যাদব, প্রশান্ত ভূষণ সহ আরও দুই আপে ভাঙন, বহিষ্কৃত হলেন যোগেন্দ্র যাদব, প্রশান্ত ভূষণ সহ আরও দুই

আপের জাতীয় কর্মসমিতি থেকে শেষপর্যন্ত বহিষ্কারই করা হল যোগেন্দ্র যাদব, প্রশান্ত ভূষণকে। তুমুল চেঁচামেচি, হই-হট্টোগোলের মধ্যে আজ দুই নেতার বিরুদ্ধে শাস্তির প্রস্তাব পেশ হয় জাতীয় পরিষদের বৈঠকে। ৩০০  জন ন্যাশনাল কাউন্সিল সদস্যের মধ্যে ২৩০  জনের সম্মতিতে পাস হয়ে যায় প্রস্তাব।   একইসঙ্গে বহিষ্কৃত হয়েছেন যোগেন্দ্র যাদব গোষ্ঠীর আরও দুই নেতা আনন্দ কুমার ও অজিত ঝা। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ভাষণ দিয়ে এদিন শুরু হয় বৈঠক। এরপরই অবশ্য বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান কেজরিওয়াল। তাঁর অনুপস্থিতিতে শাস্তি-প্রস্তাব পেশ করেন মণীশ সিসোদিয়া। ভিতরের ক্ষোভের আঁচ ছিল বৈঠকস্থলের বাইরেও। সমানতালে চলেছে ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ-স্লোগান।