এসআই অমিত চক্রবর্তী হত্যা মামলায় এক অভিযুক্তকে ছিনতাই দুষ্কৃতীদের

এসআই অমিত চক্রবর্তী হত্যা মামলায় এক অভিযুক্তকে ছিনতাই দুষ্কৃতীদের

দুবরাজপুর থানার এসআই অমিত চক্রবর্তী হত্যা মামলায় এক অভিযুক্তকে ছিনতাই করে পালাল দুষ্কৃতীরা। এসআই হত্যা মামলায় এক অভিযুক্তকে ধরতে আজ ভোর রাতে খোজ মহম্মদপুর গ্রামে অভিযান চালায় পুলিস। অভিযুক্ত ধরা পড়ে যাওয়ার পরই পুলিসের সামনে পড়তে থাকে একের পর এক বোমা। তখনই অভিযুক্তদের নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।

 দুবরাজপুরের SI অমিত চক্রবর্তী হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার হল আরও এক দুবরাজপুরের SI অমিত চক্রবর্তী হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার হল আরও এক

দুবরাজপুরের SI অমিত চক্রবর্তী হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার হল আরও এক জন। ধৃত শেখ দুলাল এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। গতরাতে দুবরাজপুরের মামুদপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এনিয়ে এই ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল সতের। দুর্গাপুর, আসানসোল শিল্পাঞ্চলে একাধিক চুরি-ছিনতাইয়ের মামলায় অভিযুক্ত শেখ দুলাল। SI হত্যাকাণ্ডে পুলিসের চার্জশিটে তিন নম্বরেই নাম রয়েছে শেখ দুলালের। দুহাজার চোদ্দর পাঁচই জুলাই দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমায় খুন হন SI অমিত চক্রবর্তী। সিউড়ি আদালতে মামলা রুজু করে নিহতের পরিবার। অভিযুক্তের তালিকায় নাম ওঠে পঞ্চাশ জনের। তাদের বেশিরভাগই শাসকদলের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত। এই মামলায় ধৃতদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে খুন সহ একাধিক ধারায় চার্জ গঠন হয়েছে। ধৃতের তিন দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কালাম খুনে গ্রেফতার তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কালাম খুনে গ্রেফতার তৃণমূল ও বিজেপি কর্মী

বীরভূমের দুবরাজপুরে তৃণমূল নেতা মহম্মদ আবদুল কালাম খুনের ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করল পুলিস। রবিবার সকালে দুবরাজপুরের সাহাপুরের তৃণমূল কর্মীরা বাবলু নামে এক বিজেপি কর্মীকে খুনের অভিযোগে আটক করে মারধর করে, পরে পুলিস বাবলুকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার করা হয়েছে শেখ গিয়াস নামে এক তৃণমূল কর্মীকেও।

বীরভূমে পুলিসকর্মীর মৃত্যুতে কাঠগড়ায় তৃণমূল বীরভূমে পুলিসকর্মীর মৃত্যুতে কাঠগড়ায় তৃণমূল

দুবরাজপুর: বীরভূমে পুলিসকর্মীর মৃত্যুতে কাঠগড়ায় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।

লোবায় দোষীদের শাস্তির আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

দুবরাজপুরের লোবায় গিয়ে পুলিসের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার লোবায় এক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, জমি নিয়ে লোবায় যে অশান্তি হয়েছে, সেই ঘটনার খবর সরকারের কাছে ছিল না। কিন্তু গুলি চালনার ঘটনা অন্যায় হয়েছে বলে স্বীকার করে নেন তিনি।

জোর করে জমি অধিগ্রহণে সায় নেই মুখ্যমন্ত্রীর

দুবরাজপুর কাণ্ডের জেরে শিল্পের জন্য জমির প্রশ্নে যে সরকার বেশ অস্বস্তিতে তা ফের স্পষ্ট হল শিল্পপতিদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায়। গতকাল রাতে শিল্পপতিদের নিয়ে আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনীতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিল্পের জন্য কখনই জোর করে জমি নেওয়া চলবে না। দালাল চক্রের থেকে দুরে থাকার পরামর্শও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আশ্বাস, রাজ্য সরকারের ল্যান্ড ব্যাঙ্ক আরও বাড়ানো হবে। তার থেকেই জমি নিতে পারবেন শিল্পপতিরা।

দুবরাজপুরে পুলিসি অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন তৃণমূল জেলা সভাপতি

দুবরাজপুরের লোবা গ্রামে পুলিসি অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনুব্রত মণ্ডলই পুলিসকে প্ররোচিত করেছিলেন গুলি চালানো জন্য। দুবরাজপুরে পুলিস-জনতা সংঘর্ষে গ্রামবাসীদের কোনও দোষ দেখতে পাননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর চোখে পুলিসও ছিল নিরপরাধ। ঘটনার পিছনে মুখ্যমন্ত্রী দেখেছিলেন ষড়যন্ত্র। আর তাঁর শিল্পমন্ত্রীর অভিযোগ ছিল, পুলিসের ওপর হামলা চালিয়েছে সিপিআইএম ও কংগ্রেস। পরে অবশ্য বয়ান বদল করে উগ্র বামপন্থীদের দোষারোপ করেন তিনি। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে শিল্পমন্ত্রীর বয়ান মিলছে না।

শিল্পমন্ত্রীর নির্দেশেই অভিযান দুবরাজপুরে

শিল্পমন্ত্রীর নির্দেশেই পুলিসি অভিযান চলেছিল দুবরাজপুরে। গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এল এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। বেঙ্গল এমটার মাটি কাটার মেশিনটি উদ্ধার করার জন্য শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ই পুলিসকে চাপ দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে পুলিসের ওপর স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের চাপ ছিল বলেও জানা গেছে। দুবরাজপুরে গ্রামবাসীদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনার পরই বীরভূমের পুলিস সুপার হৃষিকেশ মিনাকে ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিস সুপার বলেন, তাঁর ওপর চাপ ছিল।

বহিরাগত নয়, লড়েছিল গ্রামবাসীরাই: দাবি কৃষিজমি রক্ষা কমিটির

দুবরাজপুরকাণ্ডে শিল্পমন্ত্রীর দাবিকে ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দিলেন কৃষিজমি রক্ষা কমিটির সভাপতি ফেলারাম মণ্ডল। গতকাল সিউড়িতে প্রশাসনিক বৈঠকের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, গ্রামবাসীরা নন, বরং বহিরাগতদের নিয়ে পুলিসের ওপর হামলা চালিয়েছে কংগ্রেস এবং সিপিআইএম।

গুলি চালানোর সমালোচনায় মুখর বিরোধীরা

জমি আন্দোলনে পুলিসের গুলি চালানোর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য। পুলিস কেন গুলি চালাল, প্রশাসন কেন আন্দোলন দমন করতে চাইছে তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন তিনি। গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্তেরও দাবি করেছেন প্রদেশ সভাপতি।