সন্তানের সামনেই ধর্ষণ মাকে সন্তানের সামনেই ধর্ষণ মাকে

ফের পৈশাচিক ধর্ষণের ঘটনার সাক্ষী  নদিয়া। এবার সন্তানের সামনেই মাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল কৃষ্ণগঞ্জের  মুন্ডারী পাড়ায়।   নির্যাতিতা মহিলার অভিযোগ, দিনের পর দিন তাকে টাকার লোভ দেখানোর পাশাপাশি উত্যক্ত করত স্থানীয় যুবক তাপস সর্দার।  গত শুক্রবার মধ্যরাতে বেড়া ভেঙে বাড়িতে ঢোকে তাপস সর্দার। গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে মহিলার ওপর চলে অকথ্য অত্যাচার।  ঘটনার পরে পালানোর সময়ে মহিলার চিত্কারে তাকে ধরে ফেলে গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁরাই পুলিসের হাতে তুলে দেয় তাপসকে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযুক্ত  যুবককে গ্রেফতারও করে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিস।

কনভেন্টের আবাসিকদের কাছে অচেনা রানাঘাটকাণ্ডে ধৃত সালিম শেখ  কনভেন্টের আবাসিকদের কাছে অচেনা রানাঘাটকাণ্ডে ধৃত সালিম শেখ

রানাঘাটকাণ্ডে ধৃত সালিম শেখকে গভীর রাতে নিয়ে যাওয়া হয় কনভেন্টে। আবাসিকদের সামনে নিয়ে যাওয়া হয় ধৃতকে। যদিও সালিমকে চিনতে  পারেননি কনভেন্টের আবাসিকরা। আজও গোপাল সরকার এবং সালিম শেখকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করেছে সিআইডি। সকাল থেকেই ভবানী ভবনে চলে জেরা। সব দুষ্কৃতী বাংলাদেশে গা ঢাকা দেয়নি। কয়েকজন রয়ে গেছে এদেশে। দুষ্কৃতী দলটি ভিনরাজ্যেও অপারেশন চালায় বলে জেরায় জানিয়েছে সেলিম। এদিকে, খড়গপুরে গ্রেফতার হয়েছে শেখ সালিমের এক আত্মীয়। একটি ডাকাতির ঘটনায় জালালউদ্দিন নামে ওই ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে। রানাঘাটকাণ্ডের সঙ্গে জালাউদ্দিনের কোনও যোগ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।

সোনারপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ, বেধড়ক গণপিটুনির পর পুলিসের কাছে অভিযুক্ত     সোনারপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ, বেধড়ক গণপিটুনির পর পুলিসের কাছে অভিযুক্ত

ধর্ষককে হাতেনাতে ধরে ফেলল গ্রামবাসী। বেধড়ক মারধর করে তুলে দেওয়া হল পুলিসের হাতে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সোনারপুরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের বিদ্যাধরপুরে ভাড়া থাকে বিবাহিত সমীর প্রধান। পেশায় রাজমিস্ত্রী সমীর গোসাবার বাসিন্দা। সমীরের পাশের দুটি বাড়িতে ভাড়া থাকে আরও দুটি পরিবার। মঙ্গলবার বিকেলে বাড়িতে কেউ ছিলেন না। এই সুযোগে ওই বাড়ির নাবালিকাকে নিজের ঘরে ডেকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পাশের বাড়ির অন্য এক নাবালিকাকেও সেই সময় ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। মেয়েটির মা খুঁজতে খুঁজতে হাতেনাতে ধরে ফেলেন সমীরকে। পালাতে যায় সমীর। ধরে ফেলেন গ্রামবাসীরা। মারধর করে তাকে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দুই নিগৃহীতাকে সুভাষগ্রাম ব্লক হাসপাতালে মেডিক্যাল পরীক্ষা করায় পুলিস। আজ অভিযুক্তকে আলিপুর সেকেন্ড এডিজে আদালতে তোলা হবে।