NASA-র ক্যামেরায় 'লাইভ' ধরা পড়ল পৃথিবীর আকাশে UFO! (ভিডিও)

NASA-র ক্যামেরায় 'লাইভ' ধরা পড়ল পৃথিবীর আকাশে UFO! (ভিডিও)

ধীরে ধীরে পৃথিবীর আকাশে ঢুকছে সে। একেবারে 'লাইভ' ভিডিও!

মহাশূণ্যের ইতিহাস সৃষ্টিকারী ছবি এবার বিজ্ঞানীদের হাতের মুঠোয়! মহাশূণ্যের ইতিহাস সৃষ্টিকারী ছবি এবার বিজ্ঞানীদের হাতের মুঠোয়!

অজানাকে জানার ইচ্ছে মানুষের সবসময়ের। যা কিছু রহস্যময়, তার প্রতি অমোঘ আকর্ষণ এড়াতে পারে না কেউ। মহাকাশ এমনই এক ঠিকানা, যার প্রতি পরতে লুকিয়ে রহস্য। যদি বলি, তারার মৃত্যু দেখেছেন কখনও? দেখেছেন তার কেন্দ্র? কী হয় আগে-পরে! যুগান্তকারী সেই ছবিই এবার বিজ্ঞানীদের হাতের মুঠোয়।   

বৃহস্পতির বাঁধনে ধরা দিল নাসার মহাকাশযান জুনো বৃহস্পতির বাঁধনে ধরা দিল নাসার মহাকাশযান জুনো

পাঁচ বছরের যাত্রা শেষ। বৃহস্পতির বাঁধনে ধরা দিল নাসার মহাকাশযান জুনো। ইতিমধ্যেই দৈত্যগ্রহকে ঘিরে পাক খেতে শুরু করেছে সে। জুনোর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য পৃথিবীতে প্রাণের রহস্য সন্ধানে কাজে আসবে বলে আশা করছে নাসা।   

বিশ্বের সেরা ৩ খবর একনজরে বিশ্বের সেরা ৩ খবর একনজরে

একদা অনেক অভিযানের অঙ্গ ছিল। এবার বিশ্রামের পালা। তাই নাসা ফুয়েল ট্যাঙ্ককে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আমেরিকার লস এঞ্জলেসর সাইন্স সেন্টারে। রাখা থাকবে মহাকাশযান এন্ডেভারের পাশে। ১৫৪ ফিট লম্বা, কমলা রঙের এই জ্বালানী ট্যাঙ্কের যাত্রাকে নাম দেওয়া হয়েছে ET কামস হোম।

আমেরিকার রাতের আকাশের অদ্ভূত ওই আলোটা কিসের! (ভিডিও) আমেরিকার রাতের আকাশের অদ্ভূত ওই আলোটা কিসের! (ভিডিও)

প্রকৃতি মাঝেমাঝেই তার নানা রূপ দেখাচ্ছে। মনে আছে, কিছুদিন আগেই দেশের আকাশে দুটো সূর্য দেখা গিয়েছিল? এবার সেরকমই অদ্ভূত আলো দেখা গেল আমেরিকার আকাশে!

বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে আছে আরও ৯টা 'পৃথিবী'! বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে আছে আরও ৯টা 'পৃথিবী'!

গোটা সৌরজগতে এমন একটি গ্রহের কথাই আমরা জানি যেখানে প্রাণ রয়েছে। পৃথিবী। বাকি ৯টা গ্রহে প্রাণ আছে কি নেই, সেখানে বাস করা সম্ভব কিনা এসব এখনও প্রমাণ সাপেক্ষ। মহাকাশচারীরা তা নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষণা। কিন্তু সৌরজগতের বাইরে কি এমন কোনও গ্রহ আছে যেখানে বাস করা সম্ভব? নাসা বলছে আছে। একটা নয়, ৯টা। গোটা বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে আছে আরও ৯টা 'পৃথিবী'।

জানুন, মঙ্গলগ্রহে চিঠি পাঠানোর জন্য কত টাকা নেবে নাসা? জানুন, মঙ্গলগ্রহে চিঠি পাঠানোর জন্য কত টাকা নেবে নাসা?

বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি যে হারে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, তাতে একদিন হতেই পারে মঙ্গলেও মানুষ বসবাস করবে। হয়তো পরিবারের কেউ থাকবেন মঙ্গল গ্রহে। আর তাঁর খবরাখবর নিতে, তাঁর পরিবারের লোকজন চিঠি লিখবেন, কেমন আছে জানতে!

পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান কি তবে চাঁদে তৈরি? পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান কি তবে চাঁদে তৈরি?

  দ্যা ডার্ক সাইড অব দ্যা মুন। ১৯৭৩তে রিলিজ হয়েছিল পিঙ্ক ফ্লয়েডের এই অ্যালবাম। লন্ডনে বসে গান বানালেও পিঙ্ক ফ্লয়েডের এই অ্যালবামের অনুপ্রেরণা কি কোনওভাবে চাঁদ? সত্যিই কি এই অ্যালবাম বানানোর আগে নিক ম্যাসন, রজার ওয়াটারসরা চাঁদের অন্ধকার থেকে শুনতে পেয়েছিলেন কোনও 'টিউন'? না, 'দ্যা ডার্ক সাইড অব দ্যা মুন' এর-সঙ্গে বাস্তবে চাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু একথা সত্যি যে চাঁদের অন্ধকার থেকে শোনা গিয়েছিল সঙ্গীতের মধুর ধবনি।

 ধোঁয়া উঠল মুম্বইতে, দেখা গেল মহাকাশ থেকে! ধোঁয়া উঠল মুম্বইতে, দেখা গেল মহাকাশ থেকে!

ধোঁয়া উঠল মুম্বইতে। দেখা গেল আকাশ থেকে! হ্যাঁ, চমকে ওঠার মতোই ব্যাপার। মুম্বইয়ের বস্তিতে অবশ্য যে সে বস্তি তো নয়, দেশের প্রাচীনতম এবং সবথেকে বড় বস্তি বলে কথা। সেখানকার আবর্জনার স্তুপে আগুন জ্বালানো হয়েছিল। সেই আগুনের ধোঁয়া। আর তা এতটাই উপরে উঠল যে, মহাকাশ থেকে দেখতে পেল নাসাও!

 ধোঁয়া উঠল মুম্বইতে, দেখা গেল মহাকাশ থেকে! ধোঁয়া উঠল মুম্বইতে, দেখা গেল মহাকাশ থেকে!

ধোঁয়া উঠল মুম্বইতে। দেখা গেল আকাশ থেকে! হ্যাঁ, চমকে ওঠার মতোই ব্যাপার। মুম্বইয়ের বস্তিতে অবশ্য যে সে বস্তি তো নয়, দেশের প্রাচীনতম এবং সবথেকে বড় বস্তি বলে কথা। সেখানকার আবর্জনার স্তুপে আগুন জ্বালানো হয়েছিল। সেই আগুনের ধোঁয়া। আর তা এতটাই উপরে উঠল যে, মহাকাশ থেকে দেখতে পেল নাসাও!

  এবার মহাকাশে জিনিয়া ফুল ফোটালেন মার্কিন নভশ্চর স্কট কেলি! এবার মহাকাশে জিনিয়া ফুল ফোটালেন মার্কিন নভশ্চর স্কট কেলি!

এবার মহাকাশে জিনিয়া ফুল ফোটালেন মার্কিন নভশ্চর স্কট কেলি! আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র (ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন, সংক্ষেপে আইএসএস)-এ উদ্ভিদের প্রাণের স্পন্দন অবশ্য নতুন নয়। মানুষের বাসযোগ্য কৃত্রিম উপগ্রহটির ভেজ-ল্যাবে আগেও লেটুস জাতীয় সব্জি ফলানো হয়েছে। কিন্তু এই প্রথম ফুল ফুটল মহাকাশের ঘরে! স্বাভাবিকভাবেই গবেষণাগারে নতুন সদস্য আসার খবরে উচ্ছ্বসিত নাসা। ম্যানেজার ট্রেন্ট স্মিথের কথায়, 'লেটুসের সঙ্গে জিনিয়ার কোনও তুলনাই হয় না।' কেন? জিনিয়ার মতো সেটাও রীতিমতো কসরত করে ফলাতে হয়েছে আইএসএস-এর কৃত্রিম আবহাওয়ায়। তাঁর মতে, 'পরিবেশ বা সূর্যালোক, জিনিয়ার জন্য দু’টোই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর দু’টোর কোনওটাই আইএসএস-এ নেই। তা ছাড়া জিনিয়ার জন্ম, বড় হওয়াতে সময় লাগে ৬০ থেকে ৮০ দিন। লেটুসের থেকে বেশি। ফলে লড়াইটাও দীর্ঘ।' এই কঠিন কাজটা করতে গিয়ে বেশ চাপের মুখেই পড়তে হয়েছিল গবেষকদের।

চেন্নাইয়ের বৃষ্টি দেখে নাসাও অবাক, রেকর্ড ভাঙল তাদেরও! চেন্নাইয়ের বৃষ্টি দেখে নাসাও অবাক, রেকর্ড ভাঙল তাদেরও!

ডিসেম্বরের প্রথম দিন সকাল সাড়ে সাতটা থেকে পরের ২৪ ঘণ্টায় তামিলনাড়ুতে বৃষ্টি হয়েছিল ৩৩০ মিলিমিটার। নাসার তথ্য অনুযায়ী এটাই তামিলনাড়ুতে গত ১০০ বছরে সবথেকে বেশি বৃষ্টি বলা হয়েছে। এই বিষয়ে নাসা তাদের ব্লগে একটি লেখাও পোস্ট করে। উপগ্রহ থেকে তথ্যের ভিত্তিতে ভারতের উপর একটি চলন্ত ম্যাপও প্রকাশ করেছে নাসা।

প্লুটোর আকাশ নীল, বলছে নিউ হরাইজনস প্লুটোর আকাশ নীল, বলছে নিউ হরাইজনস

প্লুটোর আকাশের রং নীল। নাসার মহাকাশযান নিউ হরাইজনসের পাঠানো ছবিতে উঠে এসেছে তার প্রমাণ।  নাসা সূত্রের খবর, প্লুটোর অ্যাটমসফিয়ারের বাইরের স্তরের রং সম্ভবত ছাই বা লাল। কিন্তু বিচ্ছুরণের ফলে তা আকাশি দেখায়। এছাড়াও প্লুটোর মাটিতে কিছু এলাকায় জমা বরফেরও সন্ধান পেয়েছে নিউ হরাইজনস।

থ্রি-ডি প্রিন্টেড মঙ্গলের 'আইস হাউজ' জিতে নিল নাসার প্রথম পুরস্কার থ্রি-ডি প্রিন্টেড মঙ্গলের 'আইস হাউজ' জিতে নিল নাসার প্রথম পুরস্কার

মঙ্গলের জন্য ডিজাইন করা থ্রি-ডি প্রিন্টেড আইস শেল্টার প্রথম পুরস্কার জিতে নিল নাসার মার্স অরবিট হ্যাবিটাট ডিজাইন প্রতিযোগিতায়। প্রথম পুরস্কার ২৫,০০০ মার্কিন ডলারের পাশাপাশি থ্রি-ডি প্রিন্টেড হ্যাবিটাট চ্যালেঞ্জ ডিজাইন প্রতিযোগিতার জন্য ৪০,০০০ মার্কিন ডলার পুরস্কারেও ভূষিত কয়েছে নাসা।

প্লুটোর মাটি যেন শিল্পীর আঁকা, নিউ হরাইজনের নতুন ছবিতে ধাঁধিয়ে গেল চোখ  প্লুটোর মাটি যেন শিল্পীর আঁকা, নিউ হরাইজনের নতুন ছবিতে ধাঁধিয়ে গেল চোখ

প্লুটোর নতুন চোখধাঁধানো ছবি পাঠালো নাসার মহাকাশযান নিউ হরাইজন। নাসার পক্ষ থেকে ডাকা সাংবাদিক সম্মেলনে নিউ হরাইজনের প্রধান অ্যালান স্টার্ন বলেন, প্লুটোর পৃষ্ঠের অসাধারণ ছবি থেকে মাটির গঠনের জটিল কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। ফ্লাইবাইয়ের আগে যদি কোনও শিল্পী প্লুটোর বুকে ছবি এঁকে থাকতেন তবে আমি বলতাম অপূর্ব।

মঙ্গলে ভাসছে চামচ? মঙ্গলে ভাসছে চামচ?

মঙ্গলে এবার ভাসমান চামচের খোঁজ পেল নাসা। ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী নাসার মহাকাশযান কিউরিওসিটি রোভারের পাঠানো ছবিতে দেখা যাচ্ছে মঙ্গলের বুকে ভাসছে চামচ। যার ছায়া পড়েছে মঙ্গলের মাটিতে।