বিমান দূর্ঘটনার পর তাইপেইয়ের হাসপাতালে মৃত্যু হয় নেতাজির, দাবি নেতাজির দোভাষীর

বিমান দূর্ঘটনার পর তাইপেইয়ের হাসপাতালে মৃত্যু হয় নেতাজির, দাবি নেতাজির দোভাষীর

রহস্য। রহস্য। কেবলই রহস্য। এমন এক রাষ্ট্রনায়ক যার মৃত্যু নিয়ে রহস্যের কোনও শেষ নেই। প্রতি পরতে পরতে যেন নয়া মোড় আর নতুন নতুন তথ্য। নেতাজি জীবিত না মৃত? মৃত হলে, কীভাবে হল তাঁর মৃত্যু? কেনই বা লুকিয়ে রাখা হল নেতাজির মৃত্যুর রহস্য! নেতাজির ১১৯ বছরের জন্মজয়ন্তীতে নেতাজি নিয়ে ১৬,৬০০ পাতার একটি নথি প্রকাশ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সেখানে নেতাজি সম্পর্কে ১০০টি গোপন তথ্য জনসমক্ষে আনা হয় এবং দাবি করা হয়, ১৯৪৫ সালে তাইপেইয়ের বিমান দূর্ঘটনাতেই মৃত্যু হয় নেতাজির। এবার সেই দাবিকে আরও জোড়ালো করল তাইপেইতে নেতাজির দোভাষী, ৯৮ বছরের কাজুনরি কুনিজুকা। ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫, নেতাজির দোভাষী হিসেবে সবসময় নেতাজির সঙ্গে থাকতেন কুনিজুকা। ব্রিটেনের একটি সংবাদপত্রে কুনিজুকার সাক্ষাৎকারে দাবি করা হয়, ১৮ অগাস্ট ১৯৪৫ সালে তাইপেইয়ের বিমান দূর্ঘটনার পর সেখানেরই একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় নেতাজির।   

নেতাজি ফাইল প্রকাশের পর নেহরুর চিঠি নিয়েই উত্তাল জাতীয় রাজনীতি নেতাজি ফাইল প্রকাশের পর নেহরুর চিঠি নিয়েই উত্তাল জাতীয় রাজনীতি

নেতাজি যুদ্ধপরাধী! ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এটলিকে লেখা চিঠিতে এমনটাই নাকি লিখেছিলেন জওহরলাল নেহরু! আর এই নথি সামনে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কংগ্রেসের দাবি  চিঠিটি জাল! চিঠিতে নেই নেহরুর কোনও সইও। তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনাতেই কী নেতাজির মৃত্যু হয়েছিল? পঁয়তাল্লিশের আঠারোই অগাস্টের পরও কী জীবিত ছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু? বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষচন্দ্রের মৃত্যু হয়েছে এমনটা সম্ভবত বিশ্বাস করতে পারেননি নেহরু। আর তাই চিঠি লিখে বসেছিলেন তত্কালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্লেমেন্স এটলিকে। নেতাজি ফাইল প্রকাশ্যে আসায় সামনে এসছে এমনই একটি চিঠি। আর সেই চিঠি ঘিরেই উত্তাল জাতীয় রাজনীতি। পয়তাল্লিশেরই ডিসেম্বরে এটলিকে  নেহরু লিখছেন , বিশ্বস্ত সূত্রে তিনি জানতে পেরেছেন, এটলির চোখে যুদ্ধপরাধী  সুভাষ চন্দ্র বসু কে রাশিয়ায় ঢোকার অনুমতি দিয়েছেন স্টালিন।আর এ চিঠি সামনে আসতেই উঠছে একের পর এক প্রশ্ন?

 পুরসভার বাইরে উপস্থিত অমিতাভ বচ্চন! পুরসভার বাইরে উপস্থিত অমিতাভ বচ্চন!

সরগরম কলকাতা পুরসভা। পুরসভার বাইরে উপচে পড়ছে ভিড়। কর্মীরা তো আছেনই। যারা কোনও প্রয়োজনে পুরসভায় এসেছেন, তারাও যেন কাজ ভুলেছেন। কারণ একটাই। পুরসভার বাইরে উপস্থিত অমিতাভ বচ্চন। ঋভু দাশগুপ্তর তিন ছবির শুটিংয়ের জন্য বেশ কিছু দিন ধরে শহরে বিগ বি। কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। আজ কলকাতা পুরসভার সামনে শুটিং ছিল। সকাল থেকেই এলাকায় উত্‍সুক অনুরাগীদের ভিড়। যদি একবার দেখা যায়। বচ্চন অনুরাগীদের তালিকায় ছিলেন খোদ মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ও। বিগ বি-র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন তিনি। উপহার হিসেবে অমিতাভের হাতে তুলে দেন রবীন্দ্রনাথ এবং নেতাজি সংক্রান্ত পুরসভার বিশেষ সংকলন।