পৌষ পার্বণ স্পেশাল: ভেটকি মাছের পাটিসাপটা

পৌষ পার্বণ স্পেশাল: ভেটকি মাছের পাটিসাপটা

পৌষ পার্বণে পিঠের রাজা পাটিসাপটা। নারকেল, গুড়, ক্ষীরের পুরে পাটিসাপটা অনেক খেয়েছেন। এবারে চেখে দেখুন ভেটকি মাছের পাটিসাপটা।

ছানার পাটিসাপটা

পাটিসাপটা জিনিসটা বড় অদ্ভুত। দেখতে যেমন তেমনই হোক, আকার নিয়ে যতই হাসিঠাট্টা হোক, আসলে পাটিসাপটা হল খিদের রাজ্যে মহারাজা। সেই মহারাজার সঙ্গে ছানার পরিচয় ঘটালে কেমন হয়? পরিচয় পর্বটা আমরা শেখাচ্ছি, দেখে নিন তো কেমন হল...।

ধুপি পিঠে

ধুপি পিঠে মূলত বাঙাল দেশের পদ। পৌষ মাসের হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় গুড়, নারকেল, সন্দেশের আদরে ভাপানো গরম গরম ধুপি পিঠে সারা জগতের বিস্ময়। কামড় দিলেই মিলবে নারকেল, গুড়ের মোহময়ী প্রেমের আভাস। তবে যদি পিঠে অল্প ভেঙে নিয়ে গুড় ঢেলে খান তাহলে ভাপা গুড় আর টাটকা গুড়ের মিলমিশে ধুপি পিঠে জিতে নেবেই পিঠে পার্বণের সেরার শিরোপা।

রসবড়া

রসবড়া আবার ঠিক সরাসরি পিঠে পরিবারের সদস্য নয়। তবে এমন এক প্রতিবেশী যে বহুদিন পাশাপাশি থাকতে থাকতে একে অপরের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হয়ে উঠেছে। পৌষের শীত মেখে বাকি পিঠেদের সঙ্গে সেও হাজির বাঙালির পাতে। কিন্তু চালের গুঁড়োর সঙ্গে বিউলির ডালের একটা ফিউসন নিয়ে সে কিন্তু সযত্নে নিজের স্বাতন্ত্র বজায় রেখেছে।

সরু চাকলি

সরু চাকলিকে বলা হয় বাঙালিদের ধোসা। চাল আর ডাল বাটার মিশ্রণে উপাদেও সরু চাকলি পিঠের মর্যাদা পেলেও বানানোর ঝক্কি প্রায় নেই বললেই চলে। সঙ্গে একবাটি মিষ্টি ঝোলা গুড় সরু চাকলির মহিমা বাড়িয়ে দেয় কয়েক গুণ।

পাটিসাপটা

পৌষ সংক্রান্তি এসে গেল। এই সময়টা এলেই মনটা কেমন পিঠে পিঠে করে ওঠে। নলেন গুড়ের পিঠে না খেলে আর বাঙালির শীতকাল কি! আর পিঠের রাজা পাটিসাপটা। চালের গুঁড়োর মোড়কে পিঠের কামড়ে কামড়ে পাওয়া যায় গুড়, নারকেলের পুর। ক্ষীরের পাটিসাপটাও সমান লোভনীয়। দু`রকম রেসিপিই তুলে দিলাম আপনাদের জন্য।