পঞ্চায়েত বোর্ড গোঠন নিয়ে সন্ত্রাস পূর্ব মেদিনীপুরে

পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের আগে পূর্ব মেদিনীপুরের বেশকিছু জায়গায় সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠল শাসকদলের বিরুদ্ধে। ময়নার গোকুলনগর গ্রামপঞ্চায়েতে বামফ্রন্টের বিজয়ী প্রার্থীদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এলাকায় বোমাবাজিরও অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বোমার আঘাতে জখম হয়েছেন ছয় জন সিপিআইএম সমর্থক। পাশকুড়ার দুই নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতেও সিপিআইএম প্রার্থীদের ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভগবানপুর থানার গুরগ্রাম, তমলুক থানার ধনহারা গ্রামপঞ্চায়েতেও বাম কর্মী সমর্থকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। এদিকে পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে পুলিসি নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকলেও। পুলিসের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা।

আজ ভোট দেবে বর্ধমান আর সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম

রাজ্য সরকার, নির্বাচন কমিশনের দাবি নির্বিঘ্নেই মিটেছে প্রথম দফার পঞ্চায়েত ভোট। কাল দ্বিতীয় দফা। ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর ও হুগলির মানুষ। ইতিমধ্যেই পৌঁছতে শুরু করেছে ভোট গ্রহণকারী আধিকারিকরা। তিন জেলা থেকেই দিনভর এসেছে উত্তেজনার খবর। মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রশাসনের বিশেষ নজরে রয়েছে বর্ধমান জেলা। ওদিকে বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছেন, দ্বিতীয় দফাতেও কান্দ্রীয় বাহিনীকে কার্যত ঠুঁটো জগন্নাথ করে রাখা হয়েছে। রাজনৈতিক হিংসা সত্ত্বও নির্বিকার রয়েছে প্রশাসন। যে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামকে কেন্দ্র করে রাজ্যে পরিবর্ত হয়েছে। আজ ভোট সেখানে। আদালতের আঙিনায় টানাপোড়েনে এখনও নির্ধারিত হয়নি সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক কৃষকদের ভাগ্য। নন্দীগ্রাম হারিয়েছে শিল্প স্বপ্ন। রাজ্যে পরিবর্তনের পর কাল প্রথম জনতার রায় দেওয়ার পালা সেখানে।