রাজীব গান্ধীর হত্যাকারীদের ফাঁসি খারিজের দাবি ডিএমকের

রাজীব গান্ধীর হত্যাকারী তিন অভিযুক্তের ফাঁসির আদেশ খারিজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন জানাল ডি এম কে সাংসদেরা। মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে দেখা করে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন জানাতে অনুরোধ করেছেন ডিএমকে প্রতিনিধি দল।

বীরাপ্পনের চার সহচরের প্রাণভিক্ষাও খারিজ করলেন রাষ্ট্রপতি

ছাব্বিশ এগারোয় আজমল কাসাভ; সংসদ হানায় আফজল গুরু। দু`জনের ফাঁসির আদেশ বহাল করার পর ফের আরেক বার কড়া সিদ্ধান্ত নিলেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। কুখ্যাত চন্দন দস্যু বীরাপ্পনের চার সহযোগীর প্রাণ ভিক্ষার আবেদন বুধবার খারিজ করেন রাষ্ট্রপতি।

নীরবতায় প্রতিবাদ

প্রতিবাদের এক অন্য ভাষা দেখাল বাংলাদেশ। নীরবতার মাধ্যমে যুদ্ধঅপরাধীদের ফাঁসি ও জামায়েত শিবিরকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানালেন অগণিত মানুষ। মঙ্গলবার বিকেল চারটে থেকে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তিন মিনিট নিরবতা পালন করেন বহু মানুষ। তবে শান্তিকামী এই আন্দোলনে পাশাপাশি হিংসারও সক্ষী থাকল মঙ্গলবারের ঢাকা। জামায়েতে ইসলামির পাল্টা মিছিলে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা।

চিঠি পেল অফজলের পরিবার

অবশেষে সোপর গ্রামে চিঠি পৌঁছল। কিন্তু যতক্ষণে পৌঁছল ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। আফজল গুরুর ফাঁসির ঠিক দু`দিনের মাথায় তাঁর পরিবার সরকারি চিঠি পেল। এর আগেই ২০০১ সংসদ হামলার অন্যতম অভিযুক্ত আফজলকে তিহারের জেলে ফাঁসি কাঠে ঝোলানো হয়ে গিয়েছে। ফলে শেষ বারের মতো দেখার সুযোগটাও পেল না তাঁর পরিবার।

আফজলকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করানো উচিৎ ছিল, মত ওমর আবদুল্লার

আফজল গুরুর ফাঁসি ইস্যুতে এবার কংগ্রেসের সঙ্গে ন্যাশনাল কনফারেন্সের চাপানউতোর প্রকাশ্যে চলে এল। শনিবারই তিহার জেলে ফাঁসি দেওয়া হয় সংসদ হামলার সাজাপ্রাপ্ত আফজল গুরুকে। মৃত্যুর পর তিহার জেলেই কবর দেওয়া হয় আফজলকে।

শেষ দেখা হল না আফজলের পরিবারের, কারফিউতে স্তব্ধ কাশ্মীর

তিহারের বন্ধ দরজার আড়ালে গতকাল আফজল গুরুর ফাঁসির পর এখন সরকার ও তাঁর পরিবারের মধ্যে শুধুই তোপ দাগার পালা। একদিকে কেন্দ্রীয় সরকার বলছে আফজলের ফাঁসির কথা আগেই জানানো হয়েছিল তাঁর পরিবারকে। অন্যদিকে সরকারের এই দাবি মানতে নারাজ গুরুর পরিবার।