বন্ধুর গায়ে পেনের কালি ছিটিয়ে শিক্ষকের কাছে বেধড়ক মার খেয়ে হাসপাতালে ছাত্র বন্ধুর গায়ে পেনের কালি ছিটিয়ে শিক্ষকের কাছে বেধড়ক মার খেয়ে হাসপাতালে ছাত্র

ক্লাসে সহপাঠীর গায়ে পেনের কালি ছিটিয়ে দেওয়ার শাস্তি, নবম শ্রেণির ছাত্রকে বেধড়ক মারধর করলেন শিক্ষক। গুরুতর আহত ওই ছাত্র ভর্তি হাসপাতালে। বর্ধমানের ঘটনা। ক্লাসে সহপাঠীর গায়ে পেনের কালি ছিটিয়েছিল বর্ধমান চাগ্রাম হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র তমালকৃষ্ণ ব্যানার্জি। দেখে ফেলেন শিক্ষক জহরলাল কোঙার। অভিযোগ এরপরই ওই ছাত্রকে মারধর শুরু করেন। মারধরের পর অভিযুক্ত শিক্ষক জহরলাল কোঙার ওই ছাত্রকে ভ্যানে করে বাড়ি পাঠিয়ে দেন বলে অভিযোগ। এরপর বাড়ির লোকই তমালকৃষ্ণকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করেন। ছাত্রের শারীরিক অবস্থা এখন স্বাভাবিক। 

বর্ধমান কাণ্ড: বাংলাদেশের জঙ্গিগোষ্ঠী না সিমি? কেন্দ্রীয় গোয়ান্দা সংস্থা-রাজ্যের রিপোর্টের ফারাকে বাড়ছে রহস্য  বর্ধমান কাণ্ড: বাংলাদেশের জঙ্গিগোষ্ঠী না সিমি? কেন্দ্রীয় গোয়ান্দা সংস্থা-রাজ্যের রিপোর্টের ফারাকে বাড়ছে রহস্য

বর্ধমান বিস্ফোরণের পিছনে কারা? এ নিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও রাজ্যের রিপোর্টে বিস্তর ফারাক। বিস্ফোরণের জন্য বাংলাদেশের জঙ্গিগোষ্ঠীকেই দায়ী করেছেন রাজ্য সরকার। বাংলাদেশের যোগের উল্লেখ NIA -রিপোর্টেও রয়েছে। কিন্তু, তাঁরা আরও বেশি জোর দিয়েছে সিমির ওপর। সিমি প্রশ্নে আবার রাজ্যের রিপোর্ট নীরব। বর্ধমান বিস্ফোরণ নিয়ে রাজ্যের রিপোর্টে বাংলাদেশের জঙ্গিগোষ্ঠীর দিকেই আঙুল তোলা হয়েছে। বলা হয়েছে অভিযুক্তেরা সকলেই বাংলাদেশের জামাত-উল-মুজাহিদিন সংক্ষেপে JMB-র সদস্য। এবং সেই যোগসূত্রের মূলে রয়েছেন নিহত শাকিল গাজি। রিপোর্টে উল্লেখ,