তোপসে ফ্রাই

পয়লা বৈশাখের খাওয়া দাওয়া কিঞ্চিৎ রাজকীয় হওয়াই বাঞ্ছনীয়। তাই খানা শুরুর প্রাথমিক পর্যায়ে ভাজাভুজিটাও নিরামিষকে পাস কাটিয়ে আমিষমুখী। আর বাঙালির পাতে চিরন্তন তোপসে ফ্রাই দিয়ে পথ চলা শুরু করলে বাকিটাও

ছানার ডালনা

পয়লা বৈশাখে নিরামিষ পদ থাকাটা মাস্ট। তবে বছরের প্রথম দিনে তো নিরিমিষের রোজনামচা মেনে নেওয়া যায় না। তাই স্পেশাল দিনে ইস্পেশাল নিরামিষ কিন্তু জিভের আন্তরিক বন্ধু ছানার ডালনার রেসিপি রইল পাঠকদের জন্য।

শেফ অফ দ্য উইক: রূপম বণিক

ছোটবেলা থেকেই খাবার নামক বস্তুটির ব্যাপৃতি আকৃষ্ট করত তাঁকে। খাঁটি বাঙালি শেফ রূপম বণিকের পছন্দের হেঁসেলটিও বাঙালি খানার হেঁসেল। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দেশে বিদেশে খাদ্য রসিকদের রসনাতৃপ্তির কারিগর নিজের

বরিশালি ইলিশ

আমার দিদিমা। লীলাবতী দত্ত রায়। বরিশালের মহিলা। শিলনোড়া ধোয়া তাঁর হলুদ হাতের জলে রান্না এক অপূর্ব রসনা পেত।

ধোকা দিল চিংড়ি

ধোকা সাধারণত নিরামিষ খাবার হিসেবে আমাদের কাছে সুপরিচিত। কিন্তু আমার এক বন্ধু চিংড়ি মাছ সহযোগে এর অসাধারণ এক আমিষ পদ খাইয়েছিল একবার। তার সঙ্গে টেলিফোন ছাড়া যোগাযোগ নেই তাও প্রায় বছর পাঁচেক। সেই প্রিয়

কচুপাতার খামে চিংড়ি

কচুপাতায় মুড়ে চিংড়ি ভাপে শহুরে বাঙালি হেঁসেলের লুপ্তপ্রায় রেসিপিগুলির একটি। চিংড়ি ভাপে খাওয়ার সাধ হলেও সময়ের অভাবে মাইক্রোওভেনের ওপরই ভরসা রাখেন এযুগের গিন্নিরা। তবে গ্রামের দিকে এখনও কচুপাতায়

কাঁটা চচ্চড়ি

বাঙালির রসনায় মাছের স্থান নিয়ে আলোচনা বাতুলতা প্রায়। ইলিশ থেকে শুঁটকি পর্যন্ত যে বাঙালির ব্যপ্তি, সেই বাঙালি যে মাছের কাঁটাকেও তার হেঁসেলে উচ্চাসনে বসাবে সেটা তো বলাই বাহুল্য। বাড়িতে যে কোনও বড় মাছের