বিন্দিয়া চমকেগি...

পুজো আর মাত্র কয়েক দিন দূরে। জামা জুতোর পাট মিটিয়ে বঙ্গ ললনারা খুশিয়াল মেজাজে এখন ভীষণ ব্যস্ত সাজুগুজুর সামগ্রী সংগ্রহে। বছরের বাকি দিন গুলোতে পশ্চিমি পোশাকের রমরমা থাকলেও পুজোর সাজের মেনুতে ভারতীয় সালোয়ার কামিজ, চুড়িদার এবং চিরন্তনী শাড়ি না থাকলে ওয়ার্ডরোব এক্কেবারে পানসে। আর ভারতীয় পোষাকের সঙ্গে মানোনসই চুড়ি, দুল হার তো থাকেই তবে ছোট্ট একটা জিনিস না থাকলে সব সাজই যে বড় অসম্পূর্ণ। টিপ। ১০০ শতাংশ খাঁটি ভারতীয় সাজ। দুই ভুরুর মাঝে ছোট্ট এক কুঁচি টিপ এক মুহূর্তে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পাড়ে দৃষ্টির গভীরতা। পালটে দিতে পারে চাহনির মানে। `বিন্দিয়া`র চমকে যুগ যুগ ধরে কত পুরুষ হৃদয়ে যে তীর বিদ্ধ হয়েছে, কত ঋষি মুনির যে নিদ্রা ভঙ্গ হয়েছে, কত পুরুষালি পাষাণ মন গলে গিয়ে বানভাসি হয়েছে তার সত্যি কোন ইয়ত্তা নেই। পুজোর ঠিক আগেই তাই আমরা এবার না হয় টিপ সন্ধানী হলাম।

আদরের ওড়না

`হোশ ওয়ালো কো খবর ক্যায়া, বেখুদি ক্যায়া চিজ হ্যায়...` মনে পড়ে সরফরোশ ছবির সেই অমর গানের দৃশ্য? সোনালি বেন্দ্রের গোলাপি ওড়নার প্রেমেই পাগল হয়েছিলেন সাহসী পুলিস অফিসার আমির খান মহাশয়। বা হেল্লো ব্রাদার ছবির রানি মুখার্জির সেই হলুদ ওড়না? যার প্রেমে পাগল পাগল দশা হয়েছিল সলমন খানের? শুধু রপোলি পর্দায় নয়। বাস্তবঘাঁটলেও ওড়নায় মন মজে প্রেমের সূত্রপাতের উদাহরণ মিলবে কাঁড়ি কাঁড়ি। ওড়না জিনিসটাই এমন। লজ্জা ঢাকার প্রয়োজনে ওড়নার আবির্ভাব হলেও সে তার সহজাত গুণে ছাপিয়ে গিয়েছে নিজেকেই। সালোয়ার-কমিজের সঙ্গে শুধু সঙ্গত করাই নয়, আজ ওড়না অন্যতম হেপ অ্যাক্সেসরিজ। এই পুজোতেও ফ্যাশন ট্রেন্ড জুড়ে ওড়নারই মনোপলি।