আদালতে পেশ করা হল কাউ ও মুন্নাকে

রাজ্যের দুটো ভিন্ন ঘটনা। আর সেই ঘটনায় তৃণমূলের দুই কাউন্সিলরকে আদালতে পেশ করা হচ্ছে। এতে তৃণমূলের অস্বস্তি চরমে উঠেছে।

জেরার সময় মুন্নার সঙ্গে থাকবেন আইনজীবী

জেরার সময় নিজের এক আইনজীবীকে সঙ্গে রাখার অনুমতি পেলেন মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না। বৃহস্পতিবার আলিপুর সিজেএম আদালতে সওয়াল জবাবে সেই অনুমতি আদায় করে নিয়েছেন মুন্নার আইনজীবীরা। তাদের যুক্তির সামনে আদালতে কার্যত আত্মসমর্পণ করেন নবনিযুক্ত সরকারি আইনজীবী শ্যামাদাস গাঙ্গুলি। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি জেনেবুঝেই বদল করা হয়েছে সরকারি কৌঁসুলি?

মুন্নার জামিনের বিরোধিতা, সরানো হল সরকারি আইনজীবীকে

গার্ডেনরিচ কাণ্ডের জেরে সরানো হল সরকারি আইনজীবীকে। গার্ডেনরিচে পুলিস খুনের ঘটনায় ধৃত মুন্ন ইকবালের জামিনের বিরোধিতা করায় সরানো হল তাঁকে। গত বৃহস্পতিবার বিহার থেকে গ্রেফতার করা হয় মুন্নাকে।

বাবার খোঁজ আর নেয়নি ববি আংকল, বিস্ফোরক মুন্নাকন্যা

ফাঁসানো হয়েছে মুন্নাকে। এজন্য দায়ী সংবাদমাধ্যম। এই অভিযোগ মু্ন্নার মেয়ে সাবাতাজের। আজ আলিপুর কোর্ট চত্বরে দাঁড়িয়ে বাবাকে নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টায় সংবাদমাধ্যমের কাঁধে দোষ চাপানোর চেষ্টা করলেন সাবাতাজ। কিন্তু তিনি নীরব কেন মুন্নার নিজের দল প্রসঙ্গে? বাবাকে বাঁচাতে কেন আরেক তৃণমূল নেতার নাম টেনে আনতে হচ্ছে তাঁকে? প্রসঙ্গত,

মুন্নাকে ফেরার হতে সাহায্য করেছিল পুলিসই, অভিযোগ সিআইডির

গার্ডেনরিচে দুষ্কৃতীর গুলিতে নিহত এস আই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত মহম্মদ ইকবালকে গ্রেফতারে দেরি হওয়ায়, কলকাতা পুলিসের একাংশের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনল সিআইডি।

অবশেষে বিহার থেকে গ্রেফতার মুন্না

অবশেষে গ্রেফতার হলেন গার্ডেনরিচকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না। বিহারের রোহতাস জেলার ডেহরি অন শোন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে বিহার পুলিস। একটি পিসিও থেকে ফোন করার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানা গেছে সিআইডি সূত্রে। সিআইডি-র দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়। বিহারের স্থানীয় আদালতে পেশ করার পর  ট্রানজিট রিমান্ডে মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নাকে কলকাতায় আনা হবে। কবে বা কখন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি।

ফেরার মুন্না, খালি বরো চেয়ারম্যানের পদ, বিপাকে সাধারণ মানুষ

গার্ডেনরিচকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত কলকাতা পুরসভার ১৫ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না  ফেরার  চোদ্দই ফেব্রুয়ারি থেকে। তেরোই ফেব্রুয়ারি বরো এলাকায় উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের উদ্বোধন করার কথা ছিল ওই হাসপাতালের। কিন্তু এসআই খুনের ঘটনার পর খোলেনি ওই হাসপাতাল। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, বরো চেয়ারম্যান উধাও হওয়ায় আটকে রয়েছে ওই অঞ্চলে পুরসভার কাজকর্ম। অন্য কাউকে বরো চেয়ারম্যান করার উদ্যোগও দেখাচ্ছে না পুরসভা। পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা।