গোয়ান ফিস কারি

মাছের কথা বললেই জিভে জল এসে যায় বাঙালিদের। মত্সপ্রেমী হিসেবে তাদের সুনাম বা বদনাম বিশ্বজোড়া।

পটলের মালাইকারি

মালাইকারি শুনলেই কেমন যেন চিংড়ির নামটা ঝপাস করে মনের মধ্যে এসে কড়া নাড়তে শুরু করে। তবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ গবেষণাগারতো সেই চিরপূরাতন হেঁসেল।

সাগ গোস্ত

খাসির মাংস বলতেই বাঙালির ধারণা তেল গড়ানো কষা মাংস। শাকপাতার সঙ্গে তাকে মেশানোর কথা ভাবতেই পারেন না অনেকেই। কিন্তু সেই শাকপাতা আর খাসির সংমিশ্রণেই তৈরি করা যায় সাগ গোস্তের মতো লোভনীয়, সুস্বাদু খাবার। মূলত পঞ্জাবি মুলুকের খাবার হলেও বাঙালি হেঁসেলেও ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে সাগ গোস্ত। ভাত, রুটি, পরোটা, পোলাও যেকোনও কিছুর সঙ্গেই দিব্যি খাওয়া যায় সাগ গোস্ত। দুপুরে, রাত্রে যেকোনও সময়ই খাওয়া যায়।

চার ডাল নি খিচরি

বাইরে ঝমঝম বৃষ্টি। ৪৮ ঘণ্টার বাংলা বন্‌ধ। অফিস থকে দেরিতে ফেরা। ফ্রিজে কিছুই নেই। চটজলদি বানিয়ে নিন চার ডাল নি খিচরি। মূলত রাজস্থানের হেঁসেল থেকে তুলে আনা এই খিচুরি শুধু শুধুই খাওয়া ভালো। সঙ্গে চাই গাওয়া ঘি। তবে সাবধান, খাওয়ার পর্বটা যেন গরম গরম সেরে ফেলতে পারেন। না হলে কিন্তু পুরোটা ঘেঁটে যাবে।