রাজ্যপাল বললেন, বাক স্বাধীনতা অবাধ নয়, তার সীমা বেঁধে দিয়েছে সংবিধানই রাজ্যপাল বললেন, বাক স্বাধীনতা অবাধ নয়, তার সীমা বেঁধে দিয়েছে সংবিধানই

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিতর্কে মুখ খুললেন রাজ্যপাল। বললেন, বাক স্বাধীনতা অবাধ নয়। তার সীমা বেঁধে দিয়েছে সংবিধানই। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্লোগানকাণ্ডের প্রেক্ষিতে  রাজ্যপালের এই বক্তব্য যথেষ্ট তাত্পর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই। যাদবপুরের মিছিলে কাশ্মীর, মনিপুর, আফজল গুরু কিংবা গিলানিকে নিয়ে যে ধরনের স্লোগান দেওয়া হয়েছে, তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে তৈরি হয়েছে জোরালো বিতর্ক। একদলের বক্তব্য, বাক স্বাধীনতা থাকলে নিজের মত প্রকাশ্যে বলা যাবে না কেন? অন্যপক্ষের বক্তব্য, বাক স্বাধীনতা থাকলেই যা খুশি  বলা যায় না। এই বিতর্কের মধ্যেই  বুধবার তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করলেন রাজ্যপাল।  জানিয়ে দিলেন বাক স্বাধীনতা কখনই চূড়ান্ত বা অবাধ হতে পারে না।

আজ বিকেল সাড়ে তিনটেয় আচার্য- রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক আজ বিকেল সাড়ে তিনটেয় আচার্য- রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক

দীর্ঘ বাহান্ন ঘণ্টা পর আলোচনার পথেই অবস্থান তুলে নিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা। আজ বিকেল সাড়ে তিনটেয় আচার্য- রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক। তবে এক সঙ্গে ইসির প্রতিনিধি ও ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে বৈঠক না করলে, বৈঠক ছেড়ে বেড়িয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। নির্দিষ্ট সময় জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ছাত্রভোট। এই দাবিতে শুক্রবার সন্ধে থেকে উপাচার্য সহ অধ্যাপকদের ঘেরাও করে যাদবপুরের ছাত্রছাত্রীরা। শনিবার রাতে ছাত্রছাত্রীরা জানায়, ঘেরাও উঠছে। তবে দাবি মেটা না পর্যন্ত অবস্থান চলবে। যদিও, উপাচার্য, রেজিস্ট্রার-সহ সকলেই শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়ে যান। এসবের মধ্যেই আচার্য-রাজ্যপালের সঙ্গে সোমবার সাক্ষাতের সম্ভাবনার কথা জানান যাদবপুরের কর্মসমিতিতে রাজ্যপাল মনোনীত সদস্য বিমল রায়।

২৭ ঘণ্টা কেটে গেলেও ঘেরাও উঠল না যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭ ঘণ্টা কেটে গেলেও ঘেরাও উঠল না যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে

২৭ ঘণ্টা কেটে গেলেও ঘেরাও উঠল না যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে যাতে রাজ্যপালের বৈঠক হয়, সেবিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালন সমিতি। কিন্তু কবে ,কখন বৈঠক হবে সেবিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও বার্তা না থাকায়  ঘেরাও অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ছাত্রছাত্রীরা। ফেব্রুয়ারিতে যাদবপুরে ছাত্রভোট করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, তাতে রাজি হয়নি রাজ্য। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতি জরুরি বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, নির্বাচনের বিষয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে আলোচনা  হবে।