পুলিস ফাঁড়িতেই চলছে কচিকাচাদের নিয়ে প্রাথমিক স্কুল!

পুলিস ফাঁড়িতেই চলছে কচিকাচাদের নিয়ে প্রাথমিক স্কুল!

পুলিস ফাঁড়িতেই চলছে কচিকাচাদের নিয়ে প্রাথমিক স্কুল। ক্লাস নিচ্ছেন পুলিসকর্মীরাই। এই বিরল দৃশ্য দেখা গেছে শিলিগুড়ির প্রত্যন্ত গ্রাম মিলনপল্লীর পুলিস ফাঁড়িতে। এলাকায় কোনও স্কুল না থাকায় শিশুদের পড়াশোনার প্রাথমিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন  উর্দিধারীরাই। শিলিগুড়ি শহর থেকে ছত্রিশ কিলোমিটার দূরে তিস্তা নদীর ধারে প্রত্যন্ত গ্রাম মিলনপল্লী। পাশেই রয়েছে আরও তিনটি গ্রাম গাজলডোবা, দুধিয়া এবং চাকীমারী। তিনটি গ্রামে প্রায় দশ হাজার মানুষের বসবাস । গ্রামের দিন আনা দিন খাওয়া বেশিরভাগ মানুষের জীবিকা কৃষিকাজ।  গ্রামে ছিলনা কোনও স্কুল। শিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে তেমন কেউ মাথাও ঘামাননি।  দুহাজার তেরো সালে মিলনপল্লী পুলিস ফাঁড়িতেই শুরু হয় নবদিশা পাঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের স্কুলে পাঠানোর আর্জি জানান পুলিসকর্মীরাই।

মাথায় হাত শিলিগুড়ির আনারস চাষিদের মাথায় হাত শিলিগুড়ির আনারস চাষিদের

মাথায় হাত শিলিগুড়ির আনারস চাষিদের। ফলন দেদার, কিন্তু বিক্রির বাজারে মন্দা। পাইকারি বাজারে দেড় থেকে দুটাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে আনারস। সরকারি সাহায্যের আশায় এখন দিন গুনছেন ঋণের দায়ে ডুবতে বসা কৃষকরা।আনারসের হাজারো গুন। সেই আনারস নিয়েই মাথা চাপড়াচ্ছেন কৃষকরা। এককথায় লাভের গুড় পিঁপড়েয় খাচ্ছে। দাম না মেলায় কপালে চিন্তার ভাঁজ শিলিগুড়ির বিধাননগরের আনারস চাষীদের।চারা থেকে আনারস ফলাতে গাছ প্রতি খরচ পড়ে ১২ থেকে ১৩ টাকা। সেই আনারসই বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে মিলছে দেড় থেকে দুটাকাএশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম আনারস চাষ হয় শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে। সেখানেই আনারসের এই মন্দা দামে মাথায় হাত চাষীদের। ফসল বেচেই ঋণ মহাজনের টাকা শোধ করেন চাষিরা। টাকা শোধতো দুরের কথা, খরচের টাকা তোলাই এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিধাননগরের কোল্ডস্টোরেজ অবস্থায় শোচনীয়। কোটি টাকা খরচ করে কোল্ডস্টোরেজ হলেও পরিচর্যার অভাবে নাম লিখিয়েছে বাতিলের খাতায়। আনারস থেকে অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাবারের কোম্পানিও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। প্রশাসনের থেকেও মেলেনি কোনও সদুত্তর। এই পরিস্থিতিতে আনারস কৃষকদের সবথেকে বড় সমস্যা এখন ঋণশোধ। সরকারি সাহায্যই একমাত্র সমস্যার সমাধান করতে পারে বলে মনে করছেন জেলার চাষীরা।

পাহাড়, ডুয়ার্সে ঢল নেমেছে পর্যটকের পাহাড়, ডুয়ার্সে ঢল নেমেছে পর্যটকের

দু হাজার পনেরো, যাব যাব করছে। ক্রিসমাস, নিউ ইয়ার। ইভেন্টের ছড়াছড়ি এখন। মেগা মস্তি টাইম। এমন সময়ে কি আর ঘরবন্দি হয়ে থাকতে মন চায়! ব্যাগ গুছিয়ে তাই বেরিয়ে পড়েছেন অনেকেই। পাহাড়, ডুয়ার্সে ঢল নেমেছে পর্যটকের। অন্যবারের চেয়ে এবার যেন বেশিই। মাছি গলার জো নেই। এমন অবস্থা এনজেপির। পর্যটকদের ভিড়ে ঠাসা। এ ট্রেন, ও ট্রেন, সব প্যাকড। ফুল বুকড। ডেস্টিনেশন নর্থ বেঙ্গল। এরপর সেখান থেকে এদিক-ওদিক, নিজের পছন্দের জায়গায় পৌছে যাওয়া। ক্রিসমাস, নতুন বছর--ছুটির আমেজ। বাড়িতে থেকে কেউ কি তা নষ্ট করে! পর্যটকদের সংখ্যা এবার অনেক অনেক বেশি। তাঁদের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে রাজ্য পর্যটন দফতরও। বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে রেল পুলিসও।

 শিলিগুড়ির সেবক ব্রিজের কাছে তিস্তায় পড়ে যায় গাড়ি শিলিগুড়ির সেবক ব্রিজের কাছে তিস্তায় পড়ে যায় গাড়ি

সোমবার রাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিলিগুড়ির সেবক ব্রিজের কাছে তিস্তা নদিতে পড়ে যায় যাত্রীবোঝাই একটি গাড়ি। কুয়াশার জন্যই গাড়ির চালক এই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। সেবক ব্রিজের কাছে কালীমন্দির এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সঙ্গে সঙ্গেই নদীতে পড়ে যান গাড়ির চারজন যাত্রী। তখনই স্থানীয়রা উদ্ধার করেন একজনকে। তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয় স্থানীয় হাসপাতালে। বাকিদের খোঁজে তল্লাসি শুরু করেছে পুলিশ। যদিও তখন অন্ধকারের কারণে ব্যাহত হয় তল্লাসি অভিযান। তবে শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয় দুর্ঘটনায় পড়া বাকি তিন জন যাত্রীকেই।