শোভনদেবকে নিগ্রহের ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে নিগ্রহের ঘটনায় অস্বস্তি বাড়ল তৃণমূলের। নিগ্রহকাণ্ডে এবার মুখ খুললেন রাজ্যপাল। এই ঘটনায়কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এধরনের ঘটনা একেবারেই বাঞ্ছিত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন রাজ্যপাল এম কে নারায়নণ।

দল নির্দেশ দিলে শোভনদেবের কাছে ক্ষমা চাইবেন মম্মথ

দল নির্দেশ দিলে তিনি ক্ষমা চাইতে প্রস্তুত। আজ একথা জানিয়ে দিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিগ্রহের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মন্মথ বিশ্বাস। কিন্তু, ঘটনার চারদিন কেটে গেলেও দল এখনও কেন সেই নির্দেশ পাঠালো না তা নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠছে। অন্যদিকে, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের অনুগামীরা সোমবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হন।

মমতার বাড়ি গিয়েও ফোনেই কথা বললেন শোভনদেব

তৃণমূলেই থাকছেন, নাকি দল ছাড়ছেন ক্ষুব্ধ-অপমানিত শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়? শনিবারও স্পষ্ট হল না ছবিটা। এদিন দুপুরে বাড়িতে গেলেও শোভনদেবের সঙ্গে দেখা করেননি মুখ্যমন্ত্রী। তবে সামনাসামনি দেখা না হলেও টেলিফোনে কথা হয় দু'জনের। তার আগে বিধানসভায় সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একদফা আলোচনা সারেন শোভনদেব। তৃণমূল সূত্রে খবর, সেই আলোচনার ফল ইতিবাচক। 

পার্থর ফোনে মাঝপথ থেকেই ফিরে গেলেন শোভন

তৃণমূলের দলীয় বৈঠক ঘিরে জোর নাটক। বিক্ষুদ্ধ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বৈঠকে ডেকেও তাঁকে ফিরে যেতে বলা হল। তৃণমূল ভবনে বৈঠক চলাকালীন শোভনদেবকে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু তারপরই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ফোন পেয়ে মাঝপথ থেকে ফিরে যান শভনদেব বাবু। দলীয় অস্বস্তি এড়াতেই কী তড়িঘড়ি এই পদক্ষেপ? উঠছে প্রশ্ন।