২৪ ঘণ্টার মুখোমুখি সরবজিতের সঙ্গী

শেষ পর্যন্ত গ্রামে ফিরেছে সরবজিত্‍ সিং-এর কফিনবন্দি দেহ। কোন অপরাধে দু`দশকরেও বেশি সময় পাক জেলে বন্দি থাকলেন সরবজিত্‍? তাঁর বিরুদ্ধে চরবৃত্তির অভিযোগ কি সত্য? পাকিস্তানের জেলে কতটা নিরাপদ ভারতীয় বন্দিরা? ২৪ ঘণ্টাকে জানিয়েছেন গুঞ্জনাওয়ালা জেলে এক সময়ে সরবজিতের সঙ্গী মেহবুব ইলাহি। চরবৃত্তির অভিযোগেই ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পাক জেলে বন্দি ছিলেন ইলাহি।

কাঁটাতারের আতঙ্ক

পঞ্জাবের খালরা গ্রামের ভারত-পাক সীমান্ত দিয়েই ওপারে চলে গিয়েছিলেন সরবজিত সিং। খালরার বাসিন্দাদের মতে, সে সময় সীমান্তে বেড়া ছিল না। তাই ভুল করেছিলেন সরবজিত। এখন সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, নিয়মিত টহলদারি থাকলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবুও সীমান্ত পেরিয়ে গেলে সরবজিতের মত পরিণতি হবে কিনা, সেই আতঙ্ক এখন তাড়া করে ফিরছে খালরার বাসিন্দাদের।

সরবজিতের অবস্থা আশঙ্কাজনক, সুর নরম পাকিস্তানের

ভারতের অনুরোধের কাছে নরম হল পাক সরকার। লাহোরের হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাওয়া সরবজিত সিংয়ের সঙ্গে নিয়মিত ভারতীয় দুতাবসের আধিকারিকে দেখা করার অনুমতি দিয়েছে পাক সরকার। আজ ভারতীয় দূতাবাসের তরফেও এক আধিকারিক সরবজিতকে দেখতে যান। ভারতীয় বন্দির অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।