তাঁর সত্‍ বাবা অন্তর্বাসের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে দিতেন! বইতে লিখেছেন পদ্মলক্ষ্মী!

তাঁর সত্‍ বাবা অন্তর্বাসের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে দিতেন! বইতে লিখেছেন পদ্মলক্ষ্মী!

অভিনেত্রী পদ্মলক্ষ্মী ফের খবরের শিরোনামে। এমনিই এই অভিনেত্রীর জীবনে নানান চরাউ উতরাই। একটা সময় প্রেমে পড়েছিলেন লেখক সলমন রুশদির। তারপর সেই সম্পর্ক গড়ায় বিয়েতে। এবার সেই পদ্মলক্ষ্মী নিজের জীবন নিয়ে বই লিখছেন। নাম দিয়েছেন 'লাভ লস অ্যান্ড উই এট'।

সলমন রুশদিকে সমাজবিরোধী, বললেন ফিরহাদ

এবার সলমন রুশদির বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সলমন রুশদি সমাজবিরোধী। তাই তাকে  ঢুকতে দেয়নি রাজ্য সরকার। বীরভূমের নলহাটিতে এক জনসভায় একথা বললেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, রুশদির মতো মানুষেরা সমাজে অশান্তি বাধাতে চায়। তাই কেন্দ্র তাঁকে দেশে ঢুকতে দিলেও রাজ্যে তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

চিরস্মরণীয় মধ্যরাত, ভবিষ্যতের ক্লাসিক

কলকাতা বইমেলায় সাহিত্যসভায় আসতে পারেননি মিডনাইটস চিলড্রেন বইয়ের স্রষ্টা। ফায়ার, ওয়াটার বা আর্থ- কোনও একটি ছবিও সহজ স্বাভাবিক মুক্তির স্বাদ চেখে দেখেনি এ ছবির পরিচালক। স্বাধীনতার মধ্যরাতে ভূমিষ্ঠ হওয়া সন্তানদের মতোই কি অসম্ভবের সম্ভাবনায় আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গেল এঁদের ভাগ্যও? ঠিক কোথা থেকে এ ছবির সমালোচনা শুরু করব ঠিক করে উঠিনি এখনও। কারণ, এ ছবি দেখার জন্য ষষ্ঠতম ইন্দ্রিয়টিও সজাগ রাখতে হয়।

রুশদি ইস্যুতে চাপা পড়বে মুসলিমদের আসল সমস্যা: অর্মত্য সেন

সলমন রুশদি, বা বিশ্বরূপম নিয়ে আলোচনার থেকে মুসলিমদের অন্যান্য গুরুতর সমস্যা সমাধানের দিকে বেশি নজর দেওয়া উচিত।  মন্তব্য করলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অর্মত্য সেন। বইমেলায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন,  রুশদি কিংবা বিশ্বরূপম নিয়ে বেশি আলোচনা করলে মুসলিম সমাজের অন্যান্য গুরুতর সমস্যা আড়াল হয়ে যাবে।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই কলকাতা সফর বাতিল, টুইটারে বিস্ফোরক সলমন রুশদি

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তাঁর কলকাতায় আসা বন্ধ হয়েছে বলে দাবি করলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক সলমন রুশদি। আজ টুইটারে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন সলমন রুশদি। তিনি লিখেছেন, মুখ্যমন্ত্রী আমার কলকাতায় আসা আটকানোর জন্য পুলিসকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নন। তাঁর দলের সাংসদ সৌগত রায়ের বিরুদ্ধেও টুইটারে অভিযোগ জানিয়েছেন রুশদি।

জয়পুরে এলেন না রুশদি

সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে জয়পুর সাহিত্য সম্মেলনে না আসার সিদ্ধান্ত নিলেন সাহিত্যিক সলমন রুশদি। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর পক্ষে ভারতে আসা দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ হবে। সম্মেলনের প্রথম দিনেই তাঁর বক্তব্য রাখার কথা ছিল।