"সুনীল দা কেমন আছ?"

আজ তাঁর জন্মদিন। না, আজ আর তিনি দৈহিকভাবে আমাদের সঙ্গে নেই। তিনি আছেন আমাদের মননে, আমাদের চিন্তায়। আজ তাঁর জন্মদিনে একটা বিশেষ ঘটনা ঘটল। তাঁরই লেখা তৈরি চরিত্র নীললোহিতের চিঠি এল সুনীল গাঙ্গুলির বাড়িতে। আসলে এত জীবন্ত লিখতে লিখতে নীলু কখন যে রক্ত মাংসের মানুষ হয়ে গিয়েছে সেটা আমাদের খেয়ালই নেই।

এবারের বইমেলা সুনীল, হুমায়ূনের

এপার যখন সুনীল শূন্য ওপারে তখন হুমায়ূনের বিদায়। গত বছর দুই বাংলা হারিয়েছে সাহিত্যের দুই দিকপালকে। তবুও, এবারের কলকাতা বইমেলায় দু`জনেই উপস্থিত। হুমায়ূন আহমেদের বিপুল সৃষ্টির খোঁজে বাংলাদেশ স্টলের সামনে ভিড় জমাচ্ছেন অসংখ্য হুমায়ূন অনুরাগী। আর প্রথম দিনেই সুনীল সৃষ্টির খোঁজে বিভিন্ন স্টলে লম্বা লাইন।   

বইমেলা জুড়ে সুনীল

ঊনত্রিশে জনুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে কলকাতা বইমেলা। অথচ এবার নেই নীললোহিত। এই নির্মম সত্যিটাকে মেনে নেওয়া বাঙালির পক্ষে বড়ই কঠিন। শুধু সবার স্মৃতিতে উজ্জ্বল থাকবেন তিনি। তাঁর স্মরণে এ বার একগুচ্ছ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে গিল্ড। 

কালই দিকশূন্যপুরে বিলীন হয়ে যাবেন নীললোহিত

এখনও পিস হাভেনে শায়িত সবুজ দ্বীপের রাজা। কাল তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। সকাল পৌনে এগারোটা থেকে বেলা সাড়ে বারোটা পর্যন্ত রবীন্দ্রসদন প্রাঙ্গনে শেষশ্রদ্ধা জানাবে তাঁর অগনিত অনুরাগী। তারপরই দিকশূন্যপুরের উদ্দেশে রওনা দেবেন নীললোহিত।