কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের মুখে দুই মৎস্যজীবী কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের মুখে দুই মৎস্যজীবী

সুন্দরবনে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের মুখে দুই মৎস্যজীবী ।  কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন ওই দুই মৎস্যজীবী । সেখানেই বাঘের হানায় প্রাণ হারান তাঁরা। মৃতরা হলেন, রবীন নস্কর ও জয়দেব মণ্ডল। কুলতলির ভুবনেশ্বরী গ্রামের বাসিন্দা, বছর বাইশের যুবক, জয়দেব গতকাল বিকেলে সুন্দরবনের বানচাপড়িতে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন। হঠাৎই তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। বাঘের কবল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, কুলতলিরই পূর্ব গোপালপুর এলাকার রবীন মণ্ডলকে বিদ্যাধরীতে কাঁকড়া ধরার সময়, জঙ্গলে টেনে নিয়ে যায় বাঘ। 

'কাঁকড়া' দেবীর আরাধনা 'কাঁকড়া' দেবীর আরাধনা

কথায় আছে বাঙালির ১২ মাসে ১৩ পার্বণ। বৈশাখে হালখাতা দিয়ে শুরু বাঙালির পার্বণ। শেষ খুজে পাওয়া বড়ই দুষ্কর। বাঙালি এবার কাঁকড়ার আরাধনায় । টিকাটিপ্পনির কথা নয়। বাঙালি কাঁকড়া দিয়ে জমিয়ে ভুরিভজ করে বলেই জানা যেত। সেই বাঙালি দেবীর আদলে কাঁকড়া  আরাধনা করছে।  রীতিমত ঢাকঢোল বাজিয়ে, মেলা বসিয়ে কাঁকড়া পুজো হচ্ছে সুন্দরবনে। প্রতিবছরই হয়। ৭ দিন ধরে মেলা চলে নামখানার শিবনগরে। একসময় এই এলাকায় মানুষের বসবাস ছিল না। ১৯৭৭ নাগাদ জঙ্গল কেটে মানুষের বাস শুরু।  জীবিকা বড় কষ্টের।  প্রায় সেই সময় থেকেই কাঁকড়া পুজোর শুরু।  পুজোয় একসঙ্গে ৩২  উনোন  জ্বালিয়ে রান্না হয়।  কাঁকড়া দেবীর নৈবেদ্যে কাঁকড়া ও ডিম ভাজা। প্রসাদ পাত পেড়ে বসে খায় গ্রামের সবাই।