সোনারপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ, বেধড়ক গণপিটুনির পর পুলিসের কাছে অভিযুক্ত

সোনারপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ, বেধড়ক গণপিটুনির পর পুলিসের কাছে অভিযুক্ত

ধর্ষককে হাতেনাতে ধরে ফেলল গ্রামবাসী। বেধড়ক মারধর করে তুলে দেওয়া হল পুলিসের হাতে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সোনারপুরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের বিদ্যাধরপুরে ভাড়া থাকে বিবাহিত সমীর প্রধান। পেশায় রাজমিস্ত্রী সমীর গোসাবার বাসিন্দা। সমীরের পাশের দুটি বাড়িতে ভাড়া থাকে আরও দুটি পরিবার। মঙ্গলবার বিকেলে বাড়িতে কেউ ছিলেন না। এই সুযোগে ওই বাড়ির নাবালিকাকে নিজের ঘরে ডেকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পাশের বাড়ির অন্য এক নাবালিকাকেও সেই সময় ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। মেয়েটির মা খুঁজতে খুঁজতে হাতেনাতে ধরে ফেলেন সমীরকে। পালাতে যায় সমীর। ধরে ফেলেন গ্রামবাসীরা। মারধর করে তাকে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দুই নিগৃহীতাকে সুভাষগ্রাম ব্লক হাসপাতালে মেডিক্যাল পরীক্ষা করায় পুলিস। আজ অভিযুক্তকে আলিপুর সেকেন্ড এডিজে আদালতে তোলা হবে।      

নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে কিডনি চুরির অভিযোগ

মৃত্যুর পর আট দিন কেটে গেলেও দেওয়া হল না মৃতার ডেথ সার্টিফিকেট। এমনকী মৃতদেহও দেওয়া হল না পরিবারকে। সোনারপুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ মৃতা অপর্না সর্দারের পরিবারের। এমনকী মৃত্যুর কোনও কারণও নার্সিংহোমের তরফে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের। অপর্না দেবীর কিডনি চুরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর পরিবারের। স্ত্রীর মৃত্যুর কারণ এখনও জানেন না মন্টু সর্দার। পেশায় দিনমজুর মন্টু বাবু গত ৯ অক্টোবর স্ত্রী অপর্না সর্দারকে সোনারপুরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করেন। প্রায় দেড় মাস সেখানে চিকিত্‍সাধীন থাকা সত্বেও অপর্ণাদেবীর ঠিক কী হয়েছে তা নার্সিংহোমের তরফে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। এমনকী গত ৩০ নভেম্বর অপর্ণা সর্দারের মৃত্যুর পর তাঁর দেহ  বা ডেথ সার্টিফিকেটের কোনওটাই এখনও পর্যন্ত তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ  তাঁর স্বামী মন্টু সর্দারের।