বন্দর থেকে এবিজির যন্ত্র সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

হলদিয়া বন্দর থেকে এবিজি গ্রুপের সমস্ত মালপত্র সরানোর নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত নিযুক্ত দু`জন স্পেশাল অফিসারের তত্ত্বাবধানে মালপত্র সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মালপত্র সরানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিস সুপার এবং জেলাশাসকের সাহায্য নিতে পারেন ওই দু`জন স্পেশাল অফিসার। তবে মালপত্র সরানোর সময় পুলিস সুপারের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করেছে হাইকোর্ট।

এবিজিকে যন্ত্রপাতি নিজেদের হেফাজতে রাখার আর্জি কলকতা বন্দরের

হলদিয়া বন্দরের ২ ও ৮ নম্বর বার্থে এবিজির যন্ত্রপাতি নিজেদের হেফাজতে রাখার আর্জি জানাল কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। আজ কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজলাসে মামলাটি শুরু হয়।

হলদিয়া বন্দরে তৃণমূলের `দাদাগিরি` অব্যাহত

হলদিয়া বন্দরে অচলাবস্থা অব্যাহত। বন্দরের বিভিন্ন গেটে অবস্থান শুরু করেছে আইএনটিটিইউসি। এবিজি সংস্থার  কর্মীদের  কাজে যোগ দেওয়া আটকাতে বন্দরের গেটে নজরদারি চলছে। গাড়ি থামিয়েও তল্লাসি চালাচ্ছেন আইএনটিটিইউসি সমর্থকরা। বিকেলে বন্দরের গেটে মিছিলও করেন তাঁরা। সাংসদ শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশেই এই অবস্থান আন্দোলন। জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিসের দাবিমতো সাড়ে সতেরো লক্ষ টাকা ইতিমধ্যেই জমা দিয়েছে এবিজি কর্তৃপক্ষ। হলদিয়া বন্দরে কাজ করার জন্য নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় এবিজি সংস্থা।

বন্দরে স্বজনপোষণ! টেন্ডারের যৌক্তিকতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

এবিজি-কে অযোগ্য প্রমাণ করে হলদিয়া থেকে তাড়াতেই তড়ঘড়ি ডাকা হয়েছে টেন্ডার। পছন্দের কিছু সংস্থাকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টাও রয়েছে এই উদ্যোগের পিছনে। হলদিয়া বন্দরের দুটি বার্থে পণ্য খালির টেন্ডার পদ্ধতি খতিয়ে দেখে এমনই সন্দেহ করছেন বিশেষজ্ঞরা। তড়িঘড়ি টেন্ডার ডাকার মাধ্যমেই বিদায়বার্তা দেওয়া হয়েছে এবিজি-কে। এমন অভিযোগ উঠছে কারণ যে অছি পরিষদের বৈঠকে এবিজি-কে চরম সময়সীমা দেওয়া হয়, তার আগেই কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয় টেন্ডারের বিজ্ঞাপন। অছি পরিষদ বৈঠকে বসে ১২ই অক্টোবর।

বন্দরে অচলাবস্থা, মানতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী

বরাত বিতর্ককে কেন্দ্র করে যখন হলদিয়া বন্দরের অচলাবস্থা তুঙ্গে, তখনই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর গলায় অন্য সুর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, হলদিয়া বন্দরের সব কিছুই স্বাভাবিক আছে। অথচ বাস্তব হিসাব বলছে অন্য কথা।

লাভের অঙ্ক না মেলায় হলদিয়া বন্দর ছাড়ার হুঁশিয়ারি এবিজির

হলদিয়া বন্দরের অচলাবস্থা কাটার কোনও লক্ষণ নেই। বন্দর কর্তৃপক্ষের ডাকা গতকালের বৈঠকেও মেলেনি কোনও সমাধানসূত্র। বেসরকারি সংস্থা এবিজিকে কী পরিমাণ পণ্য নামানোর দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা ঠিক করতে বৈঠকে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে, ব্যবসা লাভজনক না হলে তাঁরা যে হলদিয়া ছেড়ে যাবে তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে এবিজি।      

হলদিয়া বন্দরের অচলাবস্থা আরও গভীরতর

এখনও সমস্যা মিটল না হলদিয়া বন্দরে। বন্দরের সমস্যা মেটাতে আগামিকাল, বৃহস্পতিবার বৈঠক একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে। মূল যে সংস্থাটির সঙ্গে সমস্যা চলছে, সেই এবিজের সঙ্গেই আগামিকাল বৈঠক হবে কলকাতায়। সেই বৈঠকে সমাধানসূত্র মিলবে কিনা, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

বন্দরে বিরোধ

দূর্নীতি নিয়ে এই মুহূর্তে ভারতীয় রাজনীতি সরগরম। আর সেই সময়েই প্রতি বছর প্রায় দুশো কোটি টাকার দূর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠল হলদিয়া বন্দর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এক, দু টাকা নয়, দুশো কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে কিছু লোক, কিন্তু এক টাকাও আয় হচ্ছে না হলদিয়া বন্দরের। আর তাতে বাধা দিতে গেলে বিপদের মুখে পড়তে হচ্ছে।