ফের হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিত্‍সককে মারধরের অভিযোগ

ফের হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিত্‍সককে মারধরের অভিযোগ

ফের হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিত্সককে মারধরের অভিযোগ। গতকাল রাতে এমআর বাঙুর হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তার তন্ময় হালদারের ওপর টালিগঞ্জের বাসিন্দা এক রোগীর আত্মীয়েরা চড়াও হন বলে অভিযোগ। চারজনকে আটক করেছে যাদবপুর থানার পুলিস। নীলম ঝা নামে এক মহিলা ওই হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিত্সাধীন ছিলেন। রক্ত নেওয়ার সময় হাসপাতাল কর্মীর গাফলতির অভিযোগ করেন রোগীর আত্মীয়েরা। এই সময়ই সামনে পড়ে যান ওই জুনিয়র ডাক্তার। শুরু হয় বচসা। কোনওরকমে ওয়ার্ডমাস্টারের ঘরে ঢুকে পড়েন তন্ময়। ওয়ার্ড অফিসে ঢুকে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে চারজনকে আটক করে পুলিস। গোটা ঘটনা ওয়ার্ডমাস্টারের ঘরের সিসিটিভিতে ক্যামেরাবন্দী হয়। অভিযোগ, চিকিত্সকের ওপর চড়াও হওয়ার সময় এক মন্ত্রীর নাম করে শাসাতে থাকেন ওই রোগীর আত্মীয়েরা।

রোগীর পরিবারের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ এনআরএসে, রাতে উঠল করমবিরতি রোগীর পরিবারের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ এনআরএসে, রাতে উঠল করমবিরতি

রোগীর পরিবারের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ। নিরাপত্তার দাবিতে  আংশিক কর্মবিরতিতে NRS মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা। আর এই কর্মবিরতির জেরে নাজেহাল চিকিত্সার জন্য আসা সাধারণ মানুষ।  কর্তৃপক্ষ অবশ্য সে অভিযোগ মানছে না।জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে রোগীর আত্মীয়দের বচসা। দুপক্ষের খণ্ডযুদ্ধ। আর তার জেরেই রণক্ষেত্র এন আর এস। ভোর রাতে পথ দুর্ঘটনায় জখম এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিত্সা নিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বচসা বাধে রোগীর পরিজনদের। অভিযোগ, রোগীর কয়েকজন পরিজন ও বন্ধু  মারধর করে  জুনিয়র ডাক্তারদের। খবর পেয়ে পুলিস এসে চার মদ্যপকে গ্রেফতার করে

হাসপাতালে ভর্তি রোহিত ভেমুলার মা রাধিকা ভেমুলা! হাসপাতালে ভর্তি রোহিত ভেমুলার মা রাধিকা ভেমুলা!

বুকে ব্যথা শুরু। হাসপাতালে ভর্তি রোহিত ভেমুলার মা রাধিকা ভেমুলা। গতকাল রাতে হায়দরাবাদের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক পড়ুয়া রোহিত ভেমুলার মৃত্যুর পর থেকে দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অবস্থান শুরু করেন রাধিকা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রোহিতের পরিবারকে আট লক্ষ টাকা অর্থসাহায্য দিতে চাইলেও রাধিকা ভেমুলা তা প্রত্যাখ্যান করেন। নিরপেক্ষ তদন্ত এবং রোহিতের মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে অবস্থান চালাতে থাকেন তিনি। রবিবার বুকে ব্যথা শুরু হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ক্লাস টুয়েলভের এক ছাত্রীকে খুনের চেষ্টা ছাত্রের! প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ক্লাস টুয়েলভের এক ছাত্রীকে খুনের চেষ্টা ছাত্রের!

প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ক্লাস টুয়েলভের এক ছাত্রীকে এলোপাথাড়ি ছুরি মেরে খুনের চেষ্টা করল এক ছাত্র। লিলুয়া কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কের কাছে ঘটেছে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা। লিলুয়ার পানিট্যাঙ্কি এলাকার বাসিন্দা ক্লাস টুয়েলভে পড়ে ওই ছাত্রী। বছর খানেক আগে তার সঙ্গে পরিচয় হয় লিলুয়া টেকনিক্যাল কলেজের ছাত্র রাজু মহাপাত্রর। ওই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় রাজু। কিন্তু তাতে সায় ছিল না আক্রান্ত ওই ছাত্রীর। শনিবার রাস্তায় একা পেয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে রাজু। ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এলাকার লোকজন ছুটে এসে রাজুকে ধরে ফেলে। লিলুয়া থানার পুলিস তাকে গ্রেফতার করেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই ছাত্রীকে ভর্তি করা হয়েছে হাওড়া হাসপাতালে। 

  ইচ্ছে ছিল দেহদান করবেন, কিন্তু নেতাজি জয়ন্তী তাই নিতে অস্বীকার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ! ইচ্ছে ছিল দেহদান করবেন, কিন্তু নেতাজি জয়ন্তী তাই নিতে অস্বীকার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ!

চিকিত্সার স্বার্থে দেহদান করবেন। এমনটাই শেষ ইচ্ছা ছিল হাওড়ার ঘুসুড়ির বাসিন্দা রঘুনাথ কেশরের। কিন্তু নেতাজির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ছুটি থাকায় আত্মীয়দের ফিরিয়ে দিল মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত দেহ সত্কারের সিদ্ধান্ত নেয় মৃতের পরিবার। হাওড়ার মালিপাঁচঘড়া এলাকার বাসিন্দা রঘুনাথ কেশর। প্রবীণ বামপন্থী এই শ্রমিক নেতার শেষ ইচ্ছা ছিল চিকিত্সার স্বার্থে মরণোত্তর দেহদান করবেন। বেশ কয়েকদিন আগে বুকে ব্যথা নিয়ে বারাকপুরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন তিনি। শনিবার মৃত্যু হয় তাঁর।

ইচ্ছে ছিল দেহদান করবেন, কিন্তু নেতাজি জয়ন্তী তাই নিতে অস্বীকার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ! ইচ্ছে ছিল দেহদান করবেন, কিন্তু নেতাজি জয়ন্তী তাই নিতে অস্বীকার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ!

চিকিত্সার স্বার্থে দেহদান করবেন। এমনটাই শেষ ইচ্ছা ছিল হাওড়ার ঘুসুড়ির বাসিন্দা রঘুনাথ কেশরের। কিন্তু নেতাজির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ছুটি থাকায় আত্মীয়দের ফিরিয়ে দিল মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত দেহ সত্কারের সিদ্ধান্ত নেয় মৃতের পরিবার। হাওড়ার মালিপাঁচঘড়া এলাকার বাসিন্দা রঘুনাথ কেশর। প্রবীণ বামপন্থী এই শ্রমিক নেতার শেষ ইচ্ছা ছিল চিকিত্সার স্বার্থে মরণোত্তর দেহদান করবেন। বেশ কয়েকদিন আগে বুকে ব্যথা নিয়ে বারাকপুরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন তিনি। শনিবার মৃত্যু হয় তাঁর।

গাড়ি অ্যাক্সিডেন্টে গুরুতর আহত নাদিম-শ্রবণ সঙ্গীত পরিচালক জুটি খ্যাত শ্রবণ গাড়ি অ্যাক্সিডেন্টে গুরুতর আহত নাদিম-শ্রবণ সঙ্গীত পরিচালক জুটি খ্যাত শ্রবণ

গাড়ি অ্যাক্সিডেন্টে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি নাদিম-শ্রবণ সঙ্গীত পরিচালক জুটি-খ্যাত শ্রবণ। জয়পুর থেকে দিল্লি ফেরার পথে দিল্লি-জয়পুর হাইওয়ে দিয়ে নিজেই ড্রাইভ করে ফিরছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড কুয়াশায় হঠাত্ই সামনে এসে পড়া একটি গরুকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন তিনি। গাড়ি ধাক্কা মারে একটি গাছে। পায়ে, বুকে ও  মাথায় মারাত্মক চোট পেয়েছেন শ্রবণ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি আপাতত আইসিইউতে ভর্তি আছেন। এখনও জ্ঞান ফেরেনি তাঁর। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বছর দে়ড়েক আগে প্যারালিটিক অ্যাটাক হওয়ায় আইসিইউ তে ভর্তি ছিলেন শ্রবণ। যদিও, সে-যাত্রা সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ফিরে আসতে পেরেছিলেন তিনি।