দু মাস বন্ধ থাকার পর খুলে গেল হুগলির অ্যাঙ্গাস জুটমিল

দু মাস বন্ধ থাকার পর খুলে গেল হুগলির অ্যাঙ্গাস জুটমিল

দু মাস বন্ধ থাকার পর খুলে গেল হুগলির অ্যাঙ্গাস জুটমিল। আজ মেন্টেন্যান্স বিভাগের চল্লিশ জন শ্রমিক কাজে যোগ দেন। গত তিরিশে ডিসেম্বর জুটমিলে সাসপেনশন অব ওয়ার্কের নোটিস ঝুলিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। জট খুলতে দোসরা ফেব্রুয়ারি শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটকের ঘরে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক বসে। সেখানেই মিল খোলার সিদ্ধান্ত হয়। দিনকয়েক  মেন্টেন্যান্সের কাজ চলার পর পুরো মাত্রায় উত্‍পাদন শুরু হয়ে যাবে। কাজ ফিরে পাবেন প্রায় সাড়ে চার হাজার শ্রমিক। এই খবরে স্বভাবতই হাসি ফিরেছে জুটমিলের শ্রমিকদের। ফের কাজ পাওয়া যাবে এবং দুটো টাকা রোজগার হবে এই আশায় রয়েছেন তাঁরা।

 পান্ডুয়ার রামেশ্বরপুরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হল ঠিকাদারের গাড়ির চালকের পান্ডুয়ার রামেশ্বরপুরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হল ঠিকাদারের গাড়ির চালকের

ফের অবাধ দুষ্কৃতীরাজ। এবার হুগলি। পান্ডুয়ার রামেশ্বরপুরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হল ঠিকাদারের  গাড়ির চালকের। গতরাতে অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে হামলা।  মাঝপথে বস্তা ফেলে ঠিকাদার আরাফিল হোসেনের গাড়ি আটকায় ছয় দুষ্কৃতী।  এরপরেই আরাফিলকে বন্দুক  দেখায় দুষ্কৃতীরা।  তখনই গাড়ি থেকে নেমে পালাতে যায় ঠিকাদার। শুরু হয় বেধড়ক মারধর।   পর দুবার গুলিও করে দুষ্কৃতীরা। গুলি ঠিকাদারের না লেগে ছিটকে গিয়ে লাগে গাড়িতে বসে থাকা চালক  নমান বাউল দাসের গায়ে। দুটি গুলিতে গাড়িতেই প্রাণ হারান তিনি।  । গুলি চালিয়ে ধীরেসুস্থে লুঠপাটও চালায় দুষ্কৃতীরা। অবাধেই ঠিকাদারের সঙ্গে থাকা বেশ কয়েক হাজার টাকা ছিনতাই করে চম্পট দেয় ছজনই। জখম ঠিকাদার তখন রাস্তাতেই পড়ে।  পরে উদ্ধার করে আহত ঠিকাদারকে ভর্তি করা হয়েছে  চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে। এখনও ফেরার ছয় দুষ্কৃতীই।  

হুগলিতে আগুনে ভস্মীভূত ভেষজ তেলের কারখানা হুগলিতে আগুনে ভস্মীভূত ভেষজ তেলের কারখানা

হুগলিতে আগুনে ভস্মীভূত ভেষজ তেলের কারখানা। কাকভোরে চণ্ডীতলার কলাছড়ায় ডালডা কারখানায় বড়সড় আগুন। তেল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের জেরে মুহূর্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়।  স্থানীয় বাসিন্দারাই তড়িঘড়ি খবর দেন দমকলে।  ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে  দমকলের আটটি ইঞ্জিন। এখনও আগুনের কারণ সঠিক ভাবে বলতে পারছে না দমকলের আধিকারিকরা। তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন  গত  মাসের ষোলো তারিখও আগুন লেগে যায় ওই কারখানায়। কেন একই কারখানায় বারবার আগুন খতিয়ে দেখছে দমকল। পাশাপাশি কারখানায় যথেষ্ট অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা আছে কিনা, খতিয়ে দেখা হচ্ছে তাও।

 প্রায় ৪ মাস বন্ধ থাকার পর খুলে গেল চন্দননগরের গোন্দলপাড়া জুটমিল প্রায় ৪ মাস বন্ধ থাকার পর খুলে গেল চন্দননগরের গোন্দলপাড়া জুটমিল

প্রায় চার মাস বন্ধ থাকার পর, খুলে গেল হুগলির চন্দননগরের গোন্দলপাড়া জুটমিল। রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগের শ'খানেক শ্রমিক আজ কাজে যোগ দিলেন। কয়েক দিনের মধ্যেই পুরোদমে উত্‍পাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ। মিল খোলায় কাজ ফিরে পাচ্ছেন প্রায় পাঁচ হাজার শ্রমিক। গতকাল শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটকের সঙ্গে এই প্রসঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক হয় এগারটি ইউনিয়নের প্রতিনিধি এবং মিল মালিক সঞ্জয় কাজোরিয়ার। এরপরই জুটমিল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজ্যে যেখানে একের পর এক কলকারখানা হঠাত্‍ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। সেখানে নতুন উদ্যোমে জুট মিল খুলছে, এটা অবশ্যই ভালো লক্ষণ বলে মনে করছেন অনেকে।

 জলের অভাবে চাষ প্রায় ধ্বংসের মুখে হুগলির গোঘাটের কৃষকদের জলের অভাবে চাষ প্রায় ধ্বংসের মুখে হুগলির গোঘাটের কৃষকদের

বড়দিন কিংবা বর্ষবরণের উত্‍সবে সামিল হতে পারছেন না হুগলির গোঘাটের কৃষকেরা। কারণ জলের অভাবে তাঁদের চাষ প্রায় ধ্বংসের মুখে। সেচের জন্য সরকারের তরফে ভাবে মিনি ডিপ টিউবওয়েল বসানো হলেও দীর্ঘদিন তা বিকল। প্রশাসন থেকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব, বারবার আবেদন জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন হুগলির গোঘাটের কাঁঠালি এলাকার কৃষকেরা। প্রশাসনের তরফে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে  আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তাঁরা। কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি ভাবে যেখানে একর প্রতি তিনশো টাকার বিনিময়ে জল পাওয়া যায়, সেখানে বেসরকারিভাবে একর প্রতি সাড়ে সাত হাজার টাকা দিয়ে চাষের জন্য জল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। সব মিলিয়ে ঋণের বোঝা এতোটাই যে প্রশাসনিক সাহায্য না পেলে আরও সঙ্কটে পড়তে হবে কৃষকদের।