ভারতের হাতে তথ্য প্রমাণ, ভয় পেয়েই কি দাউদকে করাচি থেকে স্থান্তরিত করল পাকিস্তান?

ভারতের হাতে তথ্য প্রমাণ, ভয় পেয়েই কি দাউদকে করাচি থেকে স্থান্তরিত করল পাকিস্তান?

ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড আন্ডার ওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমকে করাচি থেকে দেশের উত্তর প্রান্তে মুরিতে সরিয়ে নিয়ে গেল পাক সেনা। রবিবার বিভিন্ন সূত্রে এই খবর পাওয়া গেছে।

 শীর্ষ আদালতের মুখ্য বিচারপতির দরবারে ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি রদের আর্জি শীর্ষ আদালতের মুখ্য বিচারপতির দরবারে ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি রদের আর্জি

সুপ্রিমকোর্টের বেঞ্চে দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই বিচারপতির মধ্যে মতবিরোধ হওয়ায় ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি রদের আর্জির শুনানি এই মুহূর্তে ভারতের মুখ্য বিচারপতির দরবারে চলে গেল।

ফাঁসির পর মেমনের দেহ নাগপুর জেলেই কবর দেওয়া হবে, দেহ পাবে না পরিবার ফাঁসির পর মেমনের দেহ নাগপুর জেলেই কবর দেওয়া হবে, দেহ পাবে না পরিবার

ফাঁসির দিন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে উত্তেজনা-বিতর্ক। ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির ঘটনায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার কথা মাথায় রেখে নতুন সিদ্ধান্ত নিল জেল কর্তৃপক্ষ। ফাঁসি দেওয়ার পর ইয়াকুব মেমনের দেহ জেল চত্ত্বরেই কবর দেওয়া হবে। আগে ঠিক ছিল ফাঁসি দেওয়ার মেমনের দেহ তার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে..কিন্তু সেক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। তাই মেমনের মৃতদেহ বাইরে বের না করে জেলের ভিতরই এক স্থানে কবর দেওয়া হবে। তবে শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারবেন মেমনের স্ত্রী ও মেয়ে। শোনা যাচ্ছে জেল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আদালতে যেতে পারেন মেমনের আইনজীবী।

সুপ্রিম কোর্টে খারিজ ক্ষমার আবেদন, আগামী ৩০ জুলাই ফাঁসি হচ্ছে ইয়াকুব মেমনের সুপ্রিম কোর্টে খারিজ ক্ষমার আবেদন, আগামী ৩০ জুলাই ফাঁসি হচ্ছে ইয়াকুব মেমনের

সুপ্রিম কোর্টে খারিজ হয়ে গেল ১৯৯৩ সালের মুম্বই সিরিয়াল ব্লাস্ট মামলায় দোষী সব্যস্ত ইয়াকুব আবদুল মেমনের ক্ষমার আর্জি। ফলত, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ৩০ জুলাই ফাঁসি হচ্ছে মেমনের।

মৃত্যুদণ্ড আর এক ধাপ- ৯৩ বিস্ফোরণে অভিযুক্ত ইয়াকুব মেননের ফাঁসি হয়ত ৩০ জুলাই মৃত্যুদণ্ড আর এক ধাপ- ৯৩ বিস্ফোরণে অভিযুক্ত ইয়াকুব মেননের ফাঁসি হয়ত ৩০ জুলাই

৯৩ মুম্বই বিস্ফোরণে অভিযুক্ত ইয়াকুব আবদুল রজাক মেমনের ফাঁসি হতে চলেছে। ২১ জুলাই যদি শীর্ষ আদালত যদি ইয়াকুবের শেষ কিউরেটিভ পিটিশনে সাড়া না দেয় তাহলে ৩০ জুলাই সকাল ৭ টায় নাগপুর সেন্ট্রাল জেলে ফাঁসি হবে তাঁর।

মুম্বই বিস্ফোরণ মামলা: ইয়াকুব মেননের মৃত্যুদণ্ডের উপর স্থগিতাদেশ জারি সুপ্রিমকোর্টের

ইয়াকুব মেমনের মৃত্যুদন্ডের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে ইয়াকুব মেমনের মৃত্যুদণ্ড মকুবের আর্জি খারিজ করেছিলেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। ১৯৯৩ সালে মুম্বই বিস্ফোরণে দোষী সাব্যস্ত হন ইয়াকুব মেমন। ২০০৭ সালে টাডা আদালত মুম্বই বিস্ফোরণের অন্যতম ষড়যন্ত্রী হিসাবে ইয়াকুব মেমনের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেয়। বিস্ফোরণের পরই দেশ ছাড়েন মেমন। ১৯৯৪ সালে কাঠমাণ্ডু বিমান বন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় মেননকে।

প্যারোলে মুক্তির সময়ে মদ্যপ অবস্থায় পার্টিতে মত্ত সঞ্জয় দত্ত, ফাঁস হল ভিডিও

ফের বিতর্কের শিরোনামে বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। স্ত্রীর অসুস্থতার কথা বলে কিছুদিন আগে তিনমাসের প্যারোলে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি ফিরে গিয়েছেন পুণের জেলে। প্যারোলে মুক্তির সময়ে বলিউডি বন্ধুদের সঙ্গে বেশ আয়েস করেই পার্টি করেছিলেন মুন্না ভাই। আর সেই পার্টির ভিডিও এবার ফাঁস হয়ে গেল। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মদ্যপ অবস্থায় পার্টিতে কাল্পনিক গিটার বাজাচ্ছেন তিনি। বলিউডের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে বেশ তরজাতেও মেতেছেন বন্ধুদের সঙ্গে।

জেলে থাকা অবস্থায় সঞ্জয় দত্তকে লুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে মদ! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ বিজেপি নেতার

পুণের ইয়েরওয়াড়া জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় সঞ্জয় দত্তকে খাওয়ার সঙ্গে মদও দেওয়া হচ্ছে। এমন অভিযোগে তোলপাড় পুণে। এক অনলাইন ট্যাবলয়েডে বিজেপি নেতা মোবাইলে তোলা বিভিন্ন ছবির মাধ্যমে দেখান কারারক্ষীরা লুকিয়ে সঞ্জয়কে বিয়ার, রাম দেওয়া হচ্ছে। ইয়েরওয়াড়া জেল কর্তৃপক্ষ অবশ্য পুরোটাই নিছক গুজব বলে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রসঙ্গত, আদালতের বিশেষ অনুমতিতে জেলে বাড়ির খাবার খান, ফ্যানের হাওয়াও খান।

সময়কে পিছনে ফেলে গারদ বন্দি খলনায়ক

আর্থার রোড জেলে নিয়ে যাওয়া হল সঞ্জয় দত্তকে। আজ দুপুর আড়াইটে নাগাদ আত্মসমর্পণের জন্য মুম্বইয়ের বিশেষ টাডা আদালতে পৌঁছন সঞ্জয়। টান ৬ ঘণ্টা ধরে আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া চলার পর তাঁকে পাঠানো হল আর্থার রোড জেলে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বোন প্রিয়া দত্ত। আদালত চত্বর ঘিরে রয়েছে কড়া নিরাপত্তা। মুন্নাভাইয়ের পাশে দাঁড়িয়েছে গোটা বলিউড।

মুন্না ভাইয়ের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

বলিউড তারকা সঞ্জয় দত্তের শাস্তি পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করেদিল সুপ্রিম কোর্ট। আজ বিচারপতি আজ বিচারপতি পি সতশিবম ও বিচারপতি বিএস চৌহানের ডিভিশন বেঞ্চ খারিজ করে দিল মুন্না ভাইয়ের আবেদন। আগামী ১৫ই মে নির্ধারিত শাস্তি অনুযায়ীই জেলে যেতে হচ্ছে তাঁকে।

সঞ্জয়ের পর সাময়িক স্বস্তি জৈবুন্নেসা সহ আরও ছয়ের

সঞ্জয় দত্তের পর জৈবুন্নেসা কাজী সহ আরও ছ`জনকে সাময়িক স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট। মানবিক এবং স্বাস্থ্যের কারণে ১৯৯৩-এর সত্তরোর্ধ এই অভিযুক্তকে আত্মসমর্পণের জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় দিল শীর্ষ আদালত। তবে এর আগে রাষ্ট্রপতির কাছে জানানো ক্ষমা ভিক্ষা আবেদনের পুনর্বিবেচনার যে আর্জি জানিয়েছিলেন জৈবুন্নেসা তা খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট।

সঞ্জয়ের শুনানি পিছিয়ে কাল, জেইবুন্নেসার আর্জি খারিজ

১৯৯৩-এর মুম্বই বিস্ফরণে অভিযুক্ত জেইবুন্নেসা আনোয়ার কাজি, ইশাক মহম্মদ হজওয়ানে এবং শরিফি আবদুল গফুর পার্কার ওরফে দাদাভাই-এর আত্মসমর্পণের জন্য আরও সময় চাওয়ার আর্জি খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। রায় শোনানোর সময় সুপ্রিম কোর্ট বলে, "রাষ্ট্রপতির কাছে অভিযুক্তদের ক্ষমা ভিক্ষার আবেদন জমা পড়ার কারণেই আত্মসমর্পণের জন্য অতিরিক্ত সময়ের আবেদন খারিজ করা হল।"

মুম্বই বিস্ফোরণ থেকে কারাদণ্ড, টাইমলাইন

১২ মার্চ, ১৯৯৩: পর পর ১২টি বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল মুম্বই। সরকারি হিসাবে নিহত ২৫৭, আহত ৭১৩।

১৯ এপ্রিল, ১৯৯৩: মুম্বই বিমানবন্দর থেকে মুম্বইয়ের অপরাধ দমন শাখা আটক করে তৎকালীন হিন্দি সিনেমার সুপারস্টার সঞ্জয় দত্তকে। ওই দিনই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। সুনীল দত্ত পুত্রের বাড়ি তল্লাসি করে এক-৫৬ রাইফেল, একটি ৯এমএম পিস্তল সহ আরও কিছু বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার করে। পুলিস অভিযোগ আনে মুম্বই বিস্ফোরণের ঠিক আগে এই অস্ত্রগুলি দেশে চোরা পথে এসেছিল।

২৮ এপ্রিল, ১৯৯৩: জেরায় নিজের অপরাধ স্বীকার করেন এই সুপারস্টার।

নিস্তার নয়, ৫ বছরের কারাদণ্ড মুন্না ভাইয়ের

সুপ্রিম কোর্টে আজ বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত-এর ভাগ্য নির্ধারণ।১৯৯৩-এর মুম্বই বিস্ফোরণের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত একটি মামলায় দোষীসাব্যস্ত হন তিনি। অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অপরাধে দুহাজার ছয় সালে তাঁর ছবছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় বিশেষ টাডা আদালত। সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন সঞ্জয় দত্ত।