এবিজির পর ফের আরেকটি সংস্থা হলদিয়া ডক ছাড়ল

এবিজির পর ফের আরেকটি সংস্থা হলদিয়া ডক ছাড়ল

হলদিয়া বন্দরে ফের ABG কাণ্ডের ছায়া। শ্রমিক সরবরাহকারী সংস্থার প্রবল চাপে কাজ ছাড়তে বাধ্য হল আরও একটি সংস্থা। এবার বিতর্কে সেই দুই এবং আট নম্বর বার্থ। আর এর জেরে কাজ শুরু না হওয়ায় টেন্ডার বাতিল করে

হলদিয়া বন্দরে ফের ফের এবিজি সংস্থাকে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত গড়কড়ির

হলদিয়া বন্দরে ফের ফের এবিজি সংস্থাকে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত গড়কড়ির

হলদিয়া বন্দরে ফের ফের এবিজি সংস্থাকে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত দিলেন কেন্দ্রীয় ও সড়ক পরিবহণ ও জাহাজ মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি। আজ হলদিয়ায় একটি প্রকল্পের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে এসে মন্ত্রী জানান হলদিয়া বন্দরের

রাজ্যে শিল্পস্থাপনে বাধা নৈরাজ্য, অভিযোগ বিরোধীদের

নৈরাজ্যের পরিবেশ দূর করতে না পারলে, রাজ্যে শিল্পস্থাপনের কোনও আশা নেই। দুর্গাপুরে জয় বালাজি গোষ্ঠীর আধিকারিকের ওপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসার পর এমনই মত রাজ্যের বিরোধী দলগুলির। তাদের মতে, বিনিয়োগ

এবিজি বিদায়ে অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ

হলদিয়া থেকে এবিজি বিদায়ের ঘটনায় অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ দিল জাহাজ মন্ত্রক। হলদিয়া বন্দরের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে এর আগে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল কেওপিটির তরফে। সংশ্লিষ্ট মহলের অনুমান, ওই রিপোর্ট

এবিজিকে তাড়িয়েও বাণিজ্যমেলায় দায়িত্বে সেই শুভেন্দু

হলদিয়া থেকে এবিজি বিদায়ের কান্ডারী হিসাবে যতই তাঁর বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠুক না কেন দল তথা সরকার শুভেন্দু অধিকারীর পাশেই রয়েছে। হলদিয়ায় হতে চলা বাণিজ্যমেলার দায়িত্ব শুভেন্দু অধিকারীকে দিয়ে সেই

বন্দরে এবিজির বিদায় পাকা

হলদিয়া ছেড়ে এবিজির চলে যাওয়া কার্যত নিশ্চিত হয়ে গেল। শ্রমিকদের বকেয়া মিটিয়ে দিল কর্তৃপক্ষ। ব্যাঙ্কের মাধ্যমে এই টাকা মেটানো হয়েছে। এর আগে যে ২৭৫ জন শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছিল তাঁদেরও পাওনা টাকা

বন্দরের ইউ-টার্ন, এবিজির বিরুদ্ধে মামলা চালাবে বন্দর

কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে এবিজির বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট। এবিজির সঙ্গে চুক্তি খারিজের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষই

ফ্লপ শো-এর নজির গড়ে হলদিয়াতে বিশিষ্টরা

বহ্বারম্ভে লঘুক্রিয়া! পরিস্থিতির সরেজমিনে তদন্ত করতে তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবীদের হলদিয়া সফরের চিত্র দেখে এ কথাই মনে আসে। গত দুদিন ধরে প্রচারের ঝড় তুলে তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবীরা হলদিয়ায় উপস্থিত হন।

মামলা প্রত্যাহার বন্দরের, বিদায় নিতে বাধা রইল না এবিজির

এবিজির বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের মামলা প্রত্যাহার করল বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর আগে চুক্তি না মানার কারণে বন্দর থেকে এবিজিকে সরিয়ে দেবার দাবি করে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিল কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট। একত্রিশ

হাইকোর্টে শুনানি আজ, হলদিয়ামুখী তৃণমূলপন্থী বিশিষ্টরাও

এবিজি-র সঙ্গে চুক্তি ভাঙার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে বন্দর কর্তৃপক্ষের মামলার আজ শুনানি। বন্দরের দুই এবং আট নম্বর বার্থে জাহাজ দেওয়া হলেও পণ্য ওঠানো-নামানো হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সে

টেলিফোনে হুমকি দিচ্ছেন শুভেন্দু: জানিয়েছিলেন বন্দর ম্যানেজার

এবিজির আনা প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগকে কার্যত এবার সত্যি প্রমাণ করল স্বরাষ্ট্রসচিবকে পাঠানো বন্দরের চেয়ারম্যান মণীশ জৈনের একটা চিঠি। এখানেই শেষ নয়, অন্য একটি চিঠিতে বন্দরের এক ম্যানেজারের মনীশ

হুমকির পাল্টা আইনি পদক্ষেপের পথে এবিজি

বন্দর কর্তৃপক্ষের হুমকির প্রেক্ষিতে পাল্টা আইনি পদক্ষেপ নিতে চলেছে এবিজি। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গতকাল এবিজি জানিয়ে দেয় তারা আর হলদিয়া বন্দরে কাজ করতে চায় না। চুক্তিভঙ্গ করলে এবিজি-কে বন্দর

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়তে হাইকোর্টে আর্জি এবিজির

শিল্পমহলের আশঙ্কাকে সত্যি করে রাজ্য ছাড়তে চাইল পণ্যখালাসকারী সংস্থা এবিজি। হলদিয়া ছাড়তে চেয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে তারা। সেই সঙ্গে হলদিয়া বন্দরের সঙ্গে তাদের চুক্তি খারিজের জন্য, কলকাতা

এবার শুভেন্দুদের হুমকির মুখে তৃণমূলেরই শ্রমিকরা

আজও থমথমে হলদিয়া। পুলিসি নিরাপত্তার ঘেরাটোপ থাকলেও এখনও শুরু করা যায়নি বন্দরের কাজ। এবিজি কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল কর্মীরা। পুলিসের বিরুদ্ধেও মারধরের অভিযোগ

হলদিয়া কাণ্ডে সিঙ্গুরের ছায়া, শিল্পবান্ধব ভাবমূর্তিতে জোর ধাক্কা

হলদিয়ার এবিজির শীর্ষ তিন কর্তার অপহরণের অভিযোগ সামনে আসার পর যেন টাটাদের সিঙ্গুর ছেড়ে যাওয়ার ঘটনারই পুনরাবৃত্তির সিঁদুরে মেঘ দেখছে বাণিজ্যমহল। তাঁদের মতে, এবিজি হলদিয়া ছেড়ে চলে গেলে ধাক্কা খাবে

বন্দর জটে এবার অপহরণ কাণ্ডের নয়া মোড়

হলদিয়া বন্দরে কর্মরত এবিজি সংস্থার তিন কর্তাকে অপহরণের অভিযোগ উঠল। এক কর্তার স্ত্রী ও শিশুসন্তানকেও অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের হুমকি উপেক্ষা করে কাজ চালুর চেষ্টা করেছিলেন ওই তিন