এবিজির পর ফের আরেকটি সংস্থা হলদিয়া ডক ছাড়ল

এবিজির পর ফের আরেকটি সংস্থা হলদিয়া ডক ছাড়ল

হলদিয়া বন্দরে ফের ABG কাণ্ডের ছায়া। শ্রমিক সরবরাহকারী সংস্থার প্রবল চাপে কাজ ছাড়তে বাধ্য হল আরও একটি সংস্থা। এবার বিতর্কে সেই দুই এবং আট নম্বর বার্থ। আর এর জেরে কাজ শুরু না হওয়ায় টেন্ডার বাতিল করে দিল বন্দর কর্তৃপক্ষ। নতুন টেন্ডারে বেঁধে দেওয়া হল সর্বনিম্ন দর। বন্দর এলাকায় জুলুমবাজির অভিযোগ বকলমে মেনে নিয়েই সর্বনিম্ন দর বেঁধে দিল বন্দর কর্তৃপক্ষ। প্রায় তিরিশ টাকা বেশি দর দিল হলদিয়া বন্দর কর্তৃপক্ষ।

হলদিয়া বন্দরে ফের ফের এবিজি সংস্থাকে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত গড়কড়ির হলদিয়া বন্দরে ফের ফের এবিজি সংস্থাকে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত গড়কড়ির

হলদিয়া বন্দরে ফের ফের এবিজি সংস্থাকে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত দিলেন কেন্দ্রীয় ও সড়ক পরিবহণ ও জাহাজ মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি। আজ হলদিয়ায় একটি প্রকল্পের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে এসে মন্ত্রী জানান হলদিয়া বন্দরের জন্য  কেন্দ্র দুহাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করতে চলেছে। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা নেবে এই উদ্যোগ। স্থানীয় মানুষদের প্রশিক্ষণ দিয়েই এই কাজ করানো হবে।  তৈরি করা হবে দূষণমুক্ত বন্দর।

রাজ্যে শিল্পস্থাপনে বাধা নৈরাজ্য, অভিযোগ বিরোধীদের

নৈরাজ্যের পরিবেশ দূর করতে না পারলে, রাজ্যে শিল্পস্থাপনের কোনও আশা নেই। দুর্গাপুরে জয় বালাজি গোষ্ঠীর আধিকারিকের ওপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসার পর এমনই মত রাজ্যের বিরোধী দলগুলির। তাদের মতে, বিনিয়োগ টানতে দিল্লিতে বৈঠক না করে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত, রাজ্যের পরিস্থিতির ঠিক করা।

এবিজি বিদায়ে অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ

হলদিয়া থেকে এবিজি বিদায়ের ঘটনায় অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ দিল জাহাজ মন্ত্রক। হলদিয়া বন্দরের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে এর আগে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল

কেওপিটির তরফে। সংশ্লিষ্ট মহলের অনুমান, ওই রিপোর্ট পছন্দ হয়নি জাহাজ মন্ত্রকের। সেকারণেই নতুন করে তদন্তের সিদ্ধান্ত।

এবিজিকে তাড়িয়েও বাণিজ্যমেলায় দায়িত্বে সেই শুভেন্দু

হলদিয়া থেকে এবিজি বিদায়ের কান্ডারী হিসাবে যতই তাঁর বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠুক না কেন দল তথা সরকার

শুভেন্দু অধিকারীর পাশেই রয়েছে। হলদিয়ায় হতে চলা বাণিজ্যমেলার দায়িত্ব শুভেন্দু অধিকারীকে দিয়ে সেই বার্তাই

আরও একবার জোরালোভাবে দিল সরকার। মঙ্গলবার হলদিয়ায় মেলা নিয়ে একটি প্রস্তুতি বৈঠক শেষে পার্থ চ্যাটার্জি

বলেন, তমলুকের সাংসদকে সামনে রেখেই বাণিজ্যমেলার যাবতীয় প্রস্তুতি চলবে।

বন্দরে এবিজির বিদায় পাকা

হলদিয়া ছেড়ে এবিজির চলে যাওয়া কার্যত নিশ্চিত হয়ে গেল। শ্রমিকদের বকেয়া মিটিয়ে দিল কর্তৃপক্ষ। ব্যাঙ্কের মাধ্যমে এই টাকা মেটানো হয়েছে। এর আগে যে ২৭৫ জন শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছিল তাঁদেরও পাওনা টাকা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে মিটিয়ে দেয় এবিজি কর্তৃপক্ষ। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে গত বুধবার এবিজি-র তরফ থেকে হলদিয়া ছাড়তে চাওয়ার কথা বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হয়। তারা যে আর হলদিয়া বন্দরে কাজ করতে চায় না একথা হাইকোর্টেও জানিয়েছে এবিজি।

বন্দরের ইউ-টার্ন, এবিজির বিরুদ্ধে মামলা চালাবে বন্দর

কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে এবিজির বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট। এবিজির সঙ্গে চুক্তি খারিজের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষই। আজ বন্দর কর্তৃপক্ষ সেই মামলাই প্রত্যাহারের আবেদন জানায়। আবেদন মঞ্জুরও হয় বিচারপতি সম্বুদ্ধ চক্রবর্তীর এজলাসে। পরে আবার বন্দর কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা প্রত্যাহার না করার আবেদন জানিয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।

ফ্লপ শো-এর নজির গড়ে হলদিয়াতে বিশিষ্টরা

বহ্বারম্ভে লঘুক্রিয়া! পরিস্থিতির সরেজমিনে তদন্ত করতে তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবীদের হলদিয়া সফরের চিত্র দেখে এ কথাই মনে আসে। গত দুদিন ধরে প্রচারের ঝড় তুলে তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবীরা হলদিয়ায় উপস্থিত হন। কিন্তু যে ৩০ জন হলদিয়ায় উপস্থিত হয়েছিলেন, তাঁদের পরিচয় এবং সফরের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় লাঘব হয়ে যায় সফরের গুরুত্ব। গত তিন বছর ধরে রাজ্যের প্রথম সারির যে বুদ্ধিজীবীদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল, তাঁদের একজনকেও আজ হলদিয়ায় দেখা যায়নি।

মামলা প্রত্যাহার বন্দরের, বিদায় নিতে বাধা রইল না এবিজির

এবিজির বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের মামলা প্রত্যাহার করল বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর আগে চুক্তি না মানার কারণে বন্দর থেকে এবিজিকে সরিয়ে দেবার দাবি করে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিল কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট। একত্রিশ অক্টোবর এবিজি কর্তৃপক্ষ নিজেরাই বন্দর ছাড়তে চাইলে এই আবেদন অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে। হাইকোর্টে বিচারপতি সম্বুদ্ধ চক্রবর্তীর এজলাসে পোর্ট ট্রাস্টের পক্ষ থেকে মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার আর্জি জানান। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। এর ফলে অনায়াসেই হলদিয়া বন্দর ছেড়ে চলে যেতে পারবে এবিজি। একই সঙ্গে এবিজি চলে যাওয়ার দায়ও নিজের কাঁধ থেকে ঝেড়ে ফেলল বন্দর কর্তৃপক্ষ।

হাইকোর্টে শুনানি আজ, হলদিয়ামুখী তৃণমূলপন্থী বিশিষ্টরাও

এবিজি-র সঙ্গে চুক্তি ভাঙার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে বন্দর কর্তৃপক্ষের মামলার আজ শুনানি। বন্দরের দুই এবং আট নম্বর বার্থে জাহাজ দেওয়া হলেও পণ্য ওঠানো-নামানো হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সে কারণেই এবিজির সঙ্গে চুক্তিভঙ্গের দাবি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁরা। বুধবার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বুধবার এবিজি জানিয়ে দেয়, তারা আর হলদিয়া বন্দরে কাজ করতে চায় না। এবিজি হলদিয়া ছাড়ার কথা বলায় তাদের বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

টেলিফোনে হুমকি দিচ্ছেন শুভেন্দু: জানিয়েছিলেন বন্দর ম্যানেজার

এবিজির আনা প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগকে কার্যত এবার সত্যি প্রমাণ করল স্বরাষ্ট্রসচিবকে পাঠানো বন্দরের চেয়ারম্যান মণীশ জৈনের একটা চিঠি। এখানেই শেষ নয়, অন্য একটি চিঠিতে বন্দরের এক ম্যানেজারের মনীশ জৈনের কাছে সাংসদ শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে টেলিফোনের হুমকির অভিযোগ ও আনেন। প্রথম চিঠিটি লেখা হয় ১৯ সেপ্টেম্বর। স্বরাষ্ট্রসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠানো সেই চিঠিতে মণীশ জৈন শ্রমিক অসন্তোষে বিপর্যস্ত বন্দর এলাকার সমস্যার সমাধান করতে প্রশাসনিক সাহাজ্যের অনুরোধ করেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় আইএনটিটিইউসির নেতা শ্যামল আদকের নেতৃত্বে শ্রমিক বিক্ষোভে বন্দরের স্বাভাবিক কাজ ব্যহত হচ্ছে। অভিযোগ, প্রশাসনিক স্তরে এই চিঠির পাওয়ার পরেও সমস্যা মেটানোর কোনও চেষ্টা করা হয়নি।

হুমকির পাল্টা আইনি পদক্ষেপের পথে এবিজি

বন্দর কর্তৃপক্ষের হুমকির প্রেক্ষিতে পাল্টা আইনি পদক্ষেপ নিতে চলেছে এবিজি। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গতকাল এবিজি জানিয়ে দেয় তারা আর হলদিয়া বন্দরে কাজ করতে চায় না। চুক্তিভঙ্গ করলে এবিজি-কে বন্দর থেকে মালপত্র সরাতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন বন্দরের চেয়ারম্যান মনীশ জৈন। আগামিকাল কলকাতা হাইকোর্টে চুক্তিভাঙার মামলার শুনানি।

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়তে হাইকোর্টে আর্জি এবিজির

শিল্পমহলের আশঙ্কাকে সত্যি করে রাজ্য ছাড়তে চাইল পণ্যখালাসকারী সংস্থা এবিজি। হলদিয়া ছাড়তে চেয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে তারা। সেই সঙ্গে হলদিয়া বন্দরের সঙ্গে তাদের চুক্তি খারিজের জন্য, কলকাতা হাইকোর্টের কাছে আবেদন জানিয়েছে এবিজি কর্তৃপক্ষ। এর ফলে রাজ্যের শিল্পমূর্তি জোর ধাক্কা খেল। অন্যদিকে অভিযোগ পালটা অভিযোগে হলদিয়ার দুই ও আট নম্বর বার্থে অচলাবস্থা চলছেই। গতকালই মহাকরণে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী হলদিয়ায় কোনও অসন্তোষের খবরকেই পত্রপাঠ উড়িয়ে দেন। এমনকী বন্দরে বিক্ষোভ ও অচলাবস্থার খবরের পিছনে কিছু সংবাদমাধ্যমের দুরভিসন্ধি কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এবার শুভেন্দুদের হুমকির মুখে তৃণমূলেরই শ্রমিকরা

আজও থমথমে হলদিয়া। পুলিসি নিরাপত্তার ঘেরাটোপ থাকলেও এখনও শুরু করা যায়নি বন্দরের কাজ। এবিজি কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল কর্মীরা। পুলিসের বিরুদ্ধেও মারধরের অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।

হলদিয়া কাণ্ডে সিঙ্গুরের ছায়া, শিল্পবান্ধব ভাবমূর্তিতে জোর ধাক্কা

হলদিয়ার এবিজির শীর্ষ তিন কর্তার অপহরণের অভিযোগ সামনে আসার পর যেন টাটাদের সিঙ্গুর ছেড়ে যাওয়ার ঘটনারই পুনরাবৃত্তির সিঁদুরে মেঘ দেখছে বাণিজ্যমহল। তাঁদের মতে, এবিজি হলদিয়া ছেড়ে চলে গেলে ধাক্কা খাবে রাজ্যের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য। ধাক্কা খাবে রাজ্যের শিল্প-বান্ধব ভাবমূর্তি। টাটা গোষ্ঠীর কর্ণধার রতন টাটার এই ঘোষণার পর সেদিন সিঙ্গুর থেকে প্রকল্প সরিয়ে নেয় টাটা মোটর্স। ন্যানো কারখানা চলে যায় গুজরাটের সানন্দে। হলদিয়া থেকে মেরেই তাড়ানো হল এবিজিকে

বন্দর জটে এবার অপহরণ কাণ্ডের নয়া মোড়

হলদিয়া বন্দরে কর্মরত এবিজি সংস্থার তিন কর্তাকে অপহরণের অভিযোগ উঠল। এক কর্তার স্ত্রী ও শিশুসন্তানকেও অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের হুমকি উপেক্ষা করে কাজ চালুর চেষ্টা করেছিলেন ওই তিন কর্তা। এবিজি গ্রুপের তরফে প্রেস বিবৃতি দিয়ে অপহরণের অভিযোগ জানানো হয়েছে। অপহৃত পাঁচজনকেই ভয় দেখিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে এবিজি।