ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু দুই শিশুর, জনতা আগুন ধরাল স্টেশনে

আজ একটি মালবাহী ট্রেনের ধাক্কায় দুটি শিশুর মৃত্যুর জেরে মধ্যপ্রদেশের গুলবাগঞ্জ রেল স্টেশনে আগুন লাগিয়ে দিলেন বিক্ষুব্ধ জনতা।

রাজ্যে শিল্পস্থাপনে বাধা নৈরাজ্য, অভিযোগ বিরোধীদের

নৈরাজ্যের পরিবেশ দূর করতে না পারলে, রাজ্যে শিল্পস্থাপনের কোনও আশা নেই। দুর্গাপুরে জয় বালাজি গোষ্ঠীর আধিকারিকের ওপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসার পর এমনই মত রাজ্যের বিরোধী দলগুলির। তাদের মতে, বিনিয়োগ টানতে দিল্লিতে বৈঠক না করে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত, রাজ্যের পরিস্থিতির ঠিক করা।

এবিজি বিদায়ে অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ

হলদিয়া থেকে এবিজি বিদায়ের ঘটনায় অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ দিল জাহাজ মন্ত্রক। হলদিয়া বন্দরের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে এর আগে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল কেওপিটির তরফে। সংশ্লিষ্ট মহলের অনুমান, ওই রিপোর্ট পছন্দ হয়নি জাহাজ মন্ত্রকের। সেকারণেই নতুন করে তদন্তের সিদ্ধান্ত।

এবিজিকে তাড়িয়েও বাণিজ্যমেলায় দায়িত্বে সেই শুভেন্দু

হলদিয়া থেকে এবিজি বিদায়ের কান্ডারী হিসাবে যতই তাঁর বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠুক না কেন দল তথা সরকার শুভেন্দু অধিকারীর পাশেই রয়েছে। হলদিয়ায় হতে চলা বাণিজ্যমেলার দায়িত্ব শুভেন্দু অধিকারীকে দিয়ে সেই বার্তাই আরও একবার জোরালোভাবে দিল সরকার। মঙ্গলবার হলদিয়ায় মেলা নিয়ে একটি প্রস্তুতি বৈঠক শেষে পার্থ চ্যাটার্জি বলেন, তমলুকের সাংসদকে সামনে রেখেই বাণিজ্যমেলার যাবতীয় প্রস্তুতি চলবে।

বন্দরে এবিজির বিদায় পাকা

হলদিয়া ছেড়ে এবিজির চলে যাওয়া কার্যত নিশ্চিত হয়ে গেল। শ্রমিকদের বকেয়া মিটিয়ে দিল কর্তৃপক্ষ। ব্যাঙ্কের মাধ্যমে এই টাকা মেটানো হয়েছে। এর আগে যে ২৭৫ জন শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছিল তাঁদেরও পাওনা টাকা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে মিটিয়ে দেয় এবিজি কর্তৃপক্ষ। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে গত বুধবার এবিজি-র তরফ থেকে হলদিয়া ছাড়তে চাওয়ার কথা বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হয়। তারা যে আর হলদিয়া বন্দরে কাজ করতে চায় না একথা হাইকোর্টেও জানিয়েছে এবিজি।

বন্দরের ইউ-টার্ন, এবিজির বিরুদ্ধে মামলা চালাবে বন্দর

কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে এবিজির বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট। এবিজির সঙ্গে চুক্তি খারিজের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষই। আজ বন্দর কর্তৃপক্ষ সেই মামলাই প্রত্যাহারের আবেদন জানায়। আবেদন মঞ্জুরও হয় বিচারপতি সম্বুদ্ধ চক্রবর্তীর এজলাসে। পরে আবার বন্দর কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা প্রত্যাহার না করার আবেদন জানিয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।

ফ্লপ শো-এর নজির গড়ে হলদিয়াতে বিশিষ্টরা

বহ্বারম্ভে লঘুক্রিয়া! পরিস্থিতির সরেজমিনে তদন্ত করতে তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবীদের হলদিয়া সফরের চিত্র দেখে এ কথাই মনে আসে। গত দুদিন ধরে প্রচারের ঝড় তুলে তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবীরা হলদিয়ায় উপস্থিত হন। কিন্তু যে ৩০ জন হলদিয়ায় উপস্থিত হয়েছিলেন, তাঁদের পরিচয় এবং সফরের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় লাঘব হয়ে যায় সফরের গুরুত্ব। গত তিন বছর ধরে রাজ্যের প্রথম সারির যে বুদ্ধিজীবীদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল, তাঁদের একজনকেও আজ হলদিয়ায় দেখা যায়নি।

মামলা প্রত্যাহার বন্দরের, বিদায় নিতে বাধা রইল না এবিজির

এবিজির বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের মামলা প্রত্যাহার করল বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর আগে চুক্তি না মানার কারণে বন্দর থেকে এবিজিকে সরিয়ে দেবার দাবি করে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিল কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট। একত্রিশ অক্টোবর এবিজি কর্তৃপক্ষ নিজেরাই বন্দর ছাড়তে চাইলে এই আবেদন অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে। হাইকোর্টে বিচারপতি সম্বুদ্ধ চক্রবর্তীর এজলাসে পোর্ট ট্রাস্টের পক্ষ থেকে মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার আর্জি জানান। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। এর ফলে অনায়াসেই হলদিয়া বন্দর ছেড়ে চলে যেতে পারবে এবিজি। একই সঙ্গে এবিজি চলে যাওয়ার দায়ও নিজের কাঁধ থেকে ঝেড়ে ফেলল বন্দর কর্তৃপক্ষ।

হাইকোর্টে শুনানি আজ, হলদিয়ামুখী তৃণমূলপন্থী বিশিষ্টরাও

এবিজি-র সঙ্গে চুক্তি ভাঙার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে বন্দর কর্তৃপক্ষের মামলার আজ শুনানি। বন্দরের দুই এবং আট নম্বর বার্থে জাহাজ দেওয়া হলেও পণ্য ওঠানো-নামানো হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সে কারণেই এবিজির সঙ্গে চুক্তিভঙ্গের দাবি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁরা। বুধবার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বুধবার এবিজি জানিয়ে দেয়, তারা আর হলদিয়া বন্দরে কাজ করতে চায় না। এবিজি হলদিয়া ছাড়ার কথা বলায় তাদের বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।