বিজেপির পদযাত্রা ঘিরে আজও উত্তেজনা বিজেপির পদযাত্রা ঘিরে আজও উত্তেজনা

বিজেপির পদযাত্রা ঘিরে আজও উত্তেজনা। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে দিয়ে পদযাত্রা যাওয়ার কথা থাকলেও, আজ শেষ মুহুর্তে  রুট বদলে দেওয়া হয়। বিজেপির দাবি, পুলিস তাদের মৌখিকভাবে জানায়, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে দিয়ে মিছিল যাবে না। বলা হয়, এতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। এর জেরে রুট বদলে দিতে হয় মিছিলের। অভিযোগ উঠেছে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের। বিজেপি নেত্রী রূপা গাঙ্গুলির বক্তব্য, পদযাত্রা চলবেই। একে কেউ রুখতে পারবে না। গতকাল মিছিল ঘিরে গণ্ডগোলের পর, আজ গোটা পদযাত্রার ভিডিও রেকর্ডিং করা হয় পুলিস-প্রশাসনের তরফে। গান্ধীমূর্তি থেকে বেহালা শীলতলা পর্যন্ত পদযাত্রা হয়। 

 দলের অস্বস্তি বাড়িয়েই চলেছেন শত্রুঘ্ন সিনহা দলের অস্বস্তি বাড়িয়েই চলেছেন শত্রুঘ্ন সিনহা

ফের পরোক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা। দলের অস্বস্তি বাড়িয়েই চলেছেন শত্রুঘ্ন সিনহা। অরুণাচল প্রদেশে রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে এবার সরাসরি কেন্দ্রকে তোপ দাগলেন বিদ্রোহী বিজেপি সাংসদ। সুপ্রিম কোর্ট যদি রাষ্ট্রপতি শাসনের বিরুদ্ধে রায় দেয়, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শদাতারা মুখ লুকোবেন কোথায়? টুইটে প্রশ্ন তুলেছেন শত্রুঘ্ন। প্রধানমন্ত্রীকে ড্যাশিং, ডায়নামিক অ্যাকশন হিরোর সঙ্গে তুলনা করেও তাঁর পরামর্শদাতাদের একহাত নিয়েছেন পাটনা সাহিবের বিজেপি সাংসদ। দেশের শীর্ষ আদালত যদি অরুণাচলে রাষ্ট্রপতি শাসনের বিরুদ্ধে রায় দেয়, তাহলে তো মুখ পুড়বে দেশের প্রধানমন্ত্রীরই। ব্যাখ্যা শত্রুঘ্নর। গতকালই অরুণাচলে রাষ্ট্রপতি শাসনের পক্ষে সওয়াল করে সুপ্রিম কোর্টে একটি অ্যাফিডেভিট জমা দেয় কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে অবশ্য এ সপ্তাহের প্রথমেই সায় দেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়।

শীতে জমজমাট পাহাড়ের রাজনীতি, কংগ্রেস বা বামেদের সঙ্গে জোট করতে পারে মোর্চা শীতে জমজমাট পাহাড়ের রাজনীতি, কংগ্রেস বা বামেদের সঙ্গে জোট করতে পারে মোর্চা

জমে গেল পাহাড়ের রাজনীতি। পাহাড় সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইঙ্গিত দেন, পাহাড়ের বাকি সব দলগুলিকে জড়ো করে মোর্চার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিতে পারে তৃণমূল। প্রার্থী হিসেবে বেছে নেওয়া হতে পারে একদা বিমল গুরুংয়ের কাছের কাউকে। আজ পাল্টা দিলেন বিমল গুরুং। বললেন, তৃণমূলের বিভাজনের রাজনীতির মোকাবিলায় কংগ্রেস বা বামেদের সঙ্গেও জোট করতে পারে মোর্চা। বস্তুত শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন, এভাবে বিজেপিকেও বার্তা দিলেন মোর্চা সভাপতি। কারণ মোর্চা কংগ্রেস কিংবা বামেদের সঙ্গে জোট বাঁধলে পাহাড়ে ক্ষতি বিজেপিরই। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, জিটিএ আইন মানছে না রাজ্য সরকার নিজেই।

নেতাজি ফাইল প্রকাশের পর নেহরুর চিঠি নিয়েই উত্তাল জাতীয় রাজনীতি নেতাজি ফাইল প্রকাশের পর নেহরুর চিঠি নিয়েই উত্তাল জাতীয় রাজনীতি

নেতাজি যুদ্ধপরাধী! ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এটলিকে লেখা চিঠিতে এমনটাই নাকি লিখেছিলেন জওহরলাল নেহরু! আর এই নথি সামনে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কংগ্রেসের দাবি  চিঠিটি জাল! চিঠিতে নেই নেহরুর কোনও সইও। তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনাতেই কী নেতাজির মৃত্যু হয়েছিল? পঁয়তাল্লিশের আঠারোই অগাস্টের পরও কী জীবিত ছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু? বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষচন্দ্রের মৃত্যু হয়েছে এমনটা সম্ভবত বিশ্বাস করতে পারেননি নেহরু। আর তাই চিঠি লিখে বসেছিলেন তত্কালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্লেমেন্স এটলিকে। নেতাজি ফাইল প্রকাশ্যে আসায় সামনে এসছে এমনই একটি চিঠি। আর সেই চিঠি ঘিরেই উত্তাল জাতীয় রাজনীতি। পয়তাল্লিশেরই ডিসেম্বরে এটলিকে  নেহরু লিখছেন , বিশ্বস্ত সূত্রে তিনি জানতে পেরেছেন, এটলির চোখে যুদ্ধপরাধী  সুভাষ চন্দ্র বসু কে রাশিয়ায় ঢোকার অনুমতি দিয়েছেন স্টালিন।আর এ চিঠি সামনে আসতেই উঠছে একের পর এক প্রশ্ন?

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রশংসার পর মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না রাজ্য বিজেপি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রশংসার পর মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না রাজ্য বিজেপি

বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলনে রাজ্যের প্রশংসা চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না রাজ্য বিজেপি। এহেন সখ্যের ব্যাখ্যা কী? উত্তর দিতে ঢোক গিলছেন নেতারা। বিশ্ববঙ্গের মঞ্চে চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উজ্জ্বল উপস্থিতি। ঢালাও সহযোগিতার আশ্বাস। অন্যদিকে, কয়েক মাস ধরে জেলায় জেলায় আইন অমান্য বিজেপি কর্মীদের মার খাওয়া। জেলে যাওয়া। পাশাপাশি দুটি ছবি কিছুতেই মিলছে না। মেলাতে পারছেন না রাজ্য বিজেপি নেতারা। বিজেপি নেতারা প্রকাশ্যে বিরোধিতার সাহসী মুখই তুলে ধরছেন। কিন্তু, অস্বস্তি তো এড়ানো যাচ্ছে না। কী হবে বিধানসভায় রণকৌশল। শুক্রবার রাজ্য কমিটির বৈঠকে এনিয়ে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। বিজেপি সূত্রে খবর, একবারও তৃণমূল বিরোধিতার কথা মুখে আনেননি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

তীব্র সংঘাতের মধ্যেই একমঞ্চে হাজির হতে পারেন জেটলি আর কেজরিওয়াল তীব্র সংঘাতের মধ্যেই একমঞ্চে হাজির হতে পারেন জেটলি আর কেজরিওয়াল

তীব্র সংঘাতের মধ্যেই একমঞ্চে হাজির হতে পারেন অরুণ জেটলি আর অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সৌজন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাল কলকাতায় শুরু হচ্ছে দুদিনের গ্লোবাল বিজনেস সামিট। প্রথম দিন বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত জেটলি ও কেজরিওয়াল। প্লেনারি সেশনে প্রথমে বক্তব্য রাখবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। দুজনের পরে বক্তব্য রাখার কথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর। জেটলি আর কেজরিওয়াল, DDCA ইস্যুতে দুজনেই এখন একে অপরের ঘোষিত শত্রু। DDCA-তে দুর্নীতির জন্য জেটলিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন কেজরিওয়াল। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পার্ষদদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন জেটলি। শেষ পর্যন্ত দুই যুযুধান রাজনীতিক বাংলার বাণিজ্য মঞ্চে মুখোমুখি হলে, কীভাবে দুজনের মোলাকাত হয়, সেদিকে তাকিয়ে অনেকেই।