মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিদর্ভপন্থী বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবীশ মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিদর্ভপন্থী বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবীশ

বরাবরই মহারাষ্ট্র ভেঙে পৃথক বিদর্ভ তৈরির পক্ষে সরব তিনি। এবারে অখণ্ড মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়েও এগিয়ে সেই বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। পৃথক রাজ্যের দাবি সমর্থন করেই বিদর্ভে বাজিমাত করেছে বিজেপি। তবে রাজ্য বিজেপি চাইলেও কিন্তু রাজ্যভাগের বিরোধী কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাই মুখ্যমন্ত্রী হলে আপাতত কেন্দ্র ও রাজ্যের দ্বিমুখী অবস্থানের মাঝেই ভারসাম্য রেখে চলতে হবে দেবেন্দ্র ফড়নবীশকে।দিল্লিতে নরেন্দ্র, মুম্বাইয়ে দেবেন্দ্র। ভোটের আগেই স্লোগানটা উঠেছিল।  মহারাষ্ট্র ভোট শেষে দেখে যাচ্ছে এবারে সেই স্লোগান সত্যি হওয়ার পালা। অনেকেরই মতে মারাঠা মুলকে সরকার তৈরিতে জোট-সমীকরণ যাই হোক, মুখ্যমন্ত্রীত্বের দৌড়ে এগিয়ে বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবীশ।

কার দখলে মহারাষ্ট্র আর হরিয়াণা? রাত পোহালেই মিলবে উত্তর কার দখলে মহারাষ্ট্র আর হরিয়াণা? রাত পোহালেই মিলবে উত্তর

মহারাষ্ট্র আর হরিয়ানা এবার কার দখলে যাবে? উত্তর খুঁজতে দুই রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ইভিএম খোলা হবে আগামিকাল। বেশিরভাগ বুথ ফেরত সমীক্ষাই এগিয়ে রেখেছে বিজেপিকে। দুটি রাজ্যেই গেরুয়া ঝড় অটুট থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে প্রায় সবকটি বুথ ফেরত সমীক্ষা।মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানা, দুই রাজ্যেই বুধবার ছিল ভোটগ্রহণ। নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটাই ছিল বিজেপির সামনে প্রথম পুরো দস্তুর নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ। রবিবার ফলাফল ঘোষণার আগে বিভিন্ন বুথ ফেরত্‍ সমীক্ষা তাই নিঃসন্দেহে স্বস্তি দিয়েছে বিজেপিকে। প্রায় সবকটি সমীক্ষাতেই দুই রাজ্যে এগিয়ে বিজেপি।

পুর নির্বাচনে উন্নয়নের স্লোগানই হাতিয়ার মুখ্যমন্ত্রীর পুর নির্বাচনে উন্নয়নের স্লোগানই হাতিয়ার মুখ্যমন্ত্রীর

লোকসভা ভোটে উন্নয়ন ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের মূল স্লোগান। পুর নির্বাচনেও সেই উন্নয়নের স্লোগানকেই প্রচারের হাতিয়ার করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত সাড়ে তিন বছরে সরকারের সাফল্য কী, সেই তালিকা প্রথমে তুলে দেওয়া হচ্ছে কর্মীদের হাতে। আর তারপর গোটা রাজ্যজুড়ে নিজে প্রচারে নামছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে পাখির চোখ এখন পুরভোট। কারণ, কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে বিজেপির উত্থান চাপ বাড়িয়েছে শাসক দলের ওপর। নতুন প্রতিপক্ষকে সামাল দিতে তাই রাজ্যের উন্নয়নকেই প্রচারে হাতিয়ার করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।