আর বাঁচবেন না বলে বিসিসিআইকে সাহায্যের অনুরোধ পাক স্পিনার দানিশ কানেরিয়ার! আর বাঁচবেন না বলে বিসিসিআইকে সাহায্যের অনুরোধ পাক স্পিনার দানিশ কানেরিয়ার!

দানিশ কানেরিয়া অসহায়ের মতো আবেদন করলেন বিসিসিআইয়ের কাছে! ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্লাব এসেক্সের হয়ে ক্রিকেট খেলাকালীন স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়েন পাকিস্তানের এই লেগ স্পিনার। অপরাধ প্রমাণ হওয়ার পর তাঁকে আজীবন ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত করা হয়। তারপর থেকে সেই রায়ের বিরুদ্ধে তিন-তিনবার আদালতে গিয়েছেন দানিশ। কিন্তু রায়ের কোনও হেরফের হয়নি। তিনি যে তিমিরে ছিলেন, সেখানেই আছেন। আর তাই দানিশ কানেরিয়া বলেছেন, 'জীবনে যা কিছু টাকাপয়সা সঞ্চয় করেছিলাম, তার শেষটুকুও শেষ হয়ে এলো। জানি না এবার কী হবে। আমি কি তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটারদের স্পিন বোলিং শেখাতে পারি না! পিসিবি আমার কোনও অনুরোধেই কর্নপাত করল না। আমায় বোধহয় এবার মরতে হবে।'

নিষিদ্ধ হচ্ছে না দিনের বেলা কন্ডোমের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ হচ্ছে না দিনের বেলা কন্ডোমের বিজ্ঞাপন

দিনের বেলা কন্ডোমের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ হচ্ছে না। মঙ্গলবার তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। এর আগে প্রস্তাব দেওয়া হয় যে শুধুমাত্র রাত এগারোটা থেকে ভোর পাঁচটার মধ্যে দেখানো হোক কন্ডোমের বিজ্ঞাপন। বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।  সেপ্টেম্বরে বাম নেতা অতুল কুমার অঞ্জন অভিযোগ করেন টিভির পর্দায় সানি লিওনের কন্ডোমের বিজ্ঞাপন ধর্ষণে প্ররোচনা দেয়। ওই বিজ্ঞাপনটি নিষিদ্ধ করারও দাবি তোলেন তিনি। এই নিয়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে। প্রশ্ন ওঠে এও কি একধরণের নীতিপুলিসগিরি নয়? সত্যিই কি এভাবে কোনও কিছুকে ধর্ষণের কারণ হিসেবে দায়ী করে কোথাও একটা ধর্ষকদের অপরাধ প্রবণতাকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না? এরপরই নড়েচড়ে বসে কেন্দ্র। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রস্তাব খারিজই করা হল।

 'প্রমাণের অভাবে' নির্ভয়া কাণ্ডের ১ বছরের মধ্যে ধর্ষণে অভিযুক্ত ১৮ হাজার বেকসুর খালাস 'প্রমাণের অভাবে' নির্ভয়া কাণ্ডের ১ বছরের মধ্যে ধর্ষণে অভিযুক্ত ১৮ হাজার বেকসুর খালাস

১৬ ডিসেম্বর, ২০১২। দিল্লির রাজপথে চলন্ত বাসে প্যারা মেডিক্যাল ছাত্রীর গণধর্ষণ ও তার উপর চলা পৈশাচিক যৌন নির্যাতনের ঘটনার দুঃসহ স্মৃতি আজও গোটা দেশের শিরদাঁড়ায় ঠাণ্ডা স্রোত বহন করে। কিছুদিন আগেই এই ঘটনা নিয়ে বিবিস্যার একটি তথ্যচিত্রের কথা সামনে আসায় হইচই পড়ে যায়। এই তথ্যচিত্রে নির্ভয়ার অন্যতম ধর্ষক-খুনি মুকেশ সিংয়ের ধর্ষণের পক্ষে নির্লজ্জ সওয়াল, মেয়েদের আচরণ বিধি কী ধরণের হওয়া উচিৎ সম্পর্কিত 'জ্ঞান দান' ও 'ভালো' এবং 'খারাপ' মেয়ের 'সংজ্ঞা নির্ধারণ' প্রকাশ্যে আশার পর থেকেই প্রতিবাদে গর্জে ওঠে সারা দেশ। রাজ্যসভায় এই নিয়ে বিতর্ক চরমে ওঠে। এ দেশে তথ্যচিত্রটির সম্প্রচারণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। সারা বিশ্বে তথ্যচিত্রটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করার আবেদন করেন।