শিল্প নিয়ে বিরোধীদের সুরে সুর মেলালেন রাজ্যের মন্ত্রী সহ বাঁকুড়া তৃণমূল জেলা সভাপতি শিল্প নিয়ে বিরোধীদের সুরে সুর মেলালেন রাজ্যের মন্ত্রী সহ বাঁকুড়া তৃণমূল জেলা সভাপতি

বিরোধীদের অভিযোগ তো ছিলই। শিল্প নিয়ে এবার বিরোধীদের সুরে কথা বললেন রাজ্যের মন্ত্রী এবং বাঁকুড়া তৃণমূলের জেলা সভাধিপতি। দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে শিল্পেরই অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে রাজ্যের শিল্প পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দুজন। ক্ষুদ্র শিল্প সহ রাজ্যের বৃহত্‍‍ শিল্প, সামগ্রিকভাবে শিল্প নিয়ে শিল্পমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রশ্ন রেখে গেছে। বিরোধীদের তরফে বারবারই প্রশ্ন উঠেছে সরকার যে দাবি করছে বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও মিল আছে কিনা। বর্তমান রাজ্য সরকারের সমালোচনার অন্যতম জায়গা রাজ্যের শিল্প ভাবমূর্তি। অমিত মিত্র বারবার বিরোধীদের বক্তব্যকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন ঠিকই। কিন্তু বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে বারবারই সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে সরকারকে।

নিজেদের উত্‍পাদিত সৌর বিদ্যুত্‍ বিক্রি করে, বকেয়া ইলেকট্রিক বিল মেটাচ্ছে স্কুল! নিজেদের উত্‍পাদিত সৌর বিদ্যুত্‍ বিক্রি করে, বকেয়া ইলেকট্রিক বিল মেটাচ্ছে স্কুল!

অন্যের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকা নয়। সাহায্যের জন্য অপেক্ষাও নয়। নিজেদের উত্‍পাদিত সৌর বিদ্যুত্‍ বিক্রি করে, বকেয়া ইলেকট্রিক বিল মেটাতে চলেছে স্কুল। অনন্য নজির বাঁকুড়ার শুশনিয়া গ্রামের একটি স্কুলের। শিক্ষা, স্বনির্ভরতার। প্রতিটি ক্লাস রুমে লাইট, ফ্যান তো আছেই। হস্টেলও মর্ডান। সব রুমে ব্যবস্থা, স্পেশাল লাইটের। কে বলবে এ স্কুল,  কোনও গ্রামের! শুশনিয়া পাহাড়ের কোলে পণ্ডিত রঘুনাথ মুরমু আবাসিক স্কুল। পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ছশো। যাদের মধ্যে সাড়ে চারশো জনই আবাসিক। সব ব্যবস্থা টপ ক্লাস করতে গিয়ে, কারেন্টের খরচ বরাবরই বেশি। প্রতিমাসে স্কুল ও হস্টেল মিলিয়ে বিল দাঁড়ায় পয়ত্রিশ থেকে চল্লিশ হাজার। জমতে জমতে বকেয়া পৌছেছে সাত লক্ষ টাকায়।  

 বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় ঢুকে পড়ল ২২ টি হাতি বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় ঢুকে পড়ল ২২ টি হাতি

ভরা পর্যটন মরসুমে বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় ঢুকে পড়ল বাইশটি হাতি। কিন্তু হাতির দলকে তাড়াতে বনকর্মীদের কাছে নেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। দিনভর হাতির গতিবিধির ওপর নজর রাখা ছাড়া কোনও ভূমিকা ছিল না বনকর্মীদের। হাতির দলের তাণ্ডবে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ। বাঁকুড়াসহ দক্ষিণবঙ্গের পর্যটনকেন্দ্রগুলির অন্যতম শুশুনিয়া পাহাড়। ভরা মরসুমে প্রতিদিনই হাজার হাজার পর্যটক ভিড় জমাচ্ছেন এখানে। আর এই খুশির আমেজ বদলে গেল রবিবার রাতে। বনদফতর সূত্রে খবর, গঙ্গাজল ঘাটির জঙ্গল থেকে বেরিয়ে শুশুনিয়া পাহাড় সংলগ্ন শুশুনিয়া, চাঁদরা, শিউলিবনা, নতুন গ্রাম এলাকায় অবস্থান করছে বাইশটি হাতি। রাতভর তাণ্ডবের পর এলাকাবাসীর তাড়া খেয়ে সোমবার সকালে হাতির দলটি ফিরে যায় নতুন গ্রাম সংলগ্ন শাল বাগানে। দিনভর সেখানেই ছিল হাতিগুলি। সন্ধে নামতেই ফের শুশুনিয়া পাহাড়ের উদ্দেশে রওনা হতে পারে হাতির দলটি।

নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিলেই মিলবে চাকরি! ভাঁওতা পোস্টার ঘিরে বিভ্রান্তিতে বাঁকুড়ার চাকরীপ্রার্থীরা নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিলেই মিলবে চাকরি! ভাঁওতা পোস্টার ঘিরে বিভ্রান্তিতে বাঁকুড়ার চাকরীপ্রার্থীরা

নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা করলেই নাকি মিলবে চাকরি। এমনই পোস্টারে চরম বিভ্রান্ত হলেন বাঁকুড়ার সিমলাপাল এলাকার প্রাথমিকে শিক্ষক হতে চাওয়া পরীক্ষার্থীরা। জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ সভাপতি জানিয়ে দিয়েছেন, এর সঙ্গে প্রাথমিকে নিয়োগের কোনও সম্পর্ক নেই।সিমলাপাল বাজারে গত কয়েকদিন ধরেই ছেড়ে গিয়েছে এই পোস্টার। কী লেখা রয়েছে ওই পোস্টারে? রয়েছে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নাম্বার। ওই অ্যাকাউন্টে পাছ হাজার টাকা ফেললেই নাকি মিলবে টেটে সাফল্যের সার্টিফিকেট। আপার প্রাইমারিতে সাফল্যের জন্য নাকি দিতে হবে এক লক্ষ নব্বই হাজার টাকা। এখানেই শেষ নয়। নির্দিষ্ট স্লিপের মাধ্যমে প্রাথমিকের জন্য পঞ্চাশ টাকা আর আপার প্রাইমারির জন্য একশো টাকা জমা করতে বলা হয়েছে। টেটে আবেদনপত্রের সঙ্গে দেওয়া ফর্মের কাউন্টার পার্ট, ওই স্লিপ আর পরীক্ষার্থীর ছবি স্ক্যান করে একটি ই-মেল আইডিতে পাঠালেই নাকি কেল্লা ফতে। দেওয়া আছে একটি মোবাইল নম্বর। আর এতেই রীতিমতো বিভ্রান্ত অনেকেই।