মনের শুদ্ধিকরণে বেলুড় মঠে মুকুল

মনের শুদ্ধিকরণে বেলুড় মঠে মুকুল

বেলুড় মঠে পুজো দিলেন মুকুল রায়। আজ সকাল এগারোটায় বেলুড় মঠে পৌছন তিনি। পুজো দিয়ে মঠের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখেন। মঠের মহারাজদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন তিনি। এর আগে গত সপ্তাহেই জঙ্গলমহলে গিয়ে কনকদুর্গা মন্দিরে পুজো দিয়েছিলেন মুকুল রায়। রামগড়ের একটি মন্দিরেও পুজো দেন তিনি। বেলুড় মঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় মুকুল রায় বলে যান, মনের শুদ্ধিকরণের জন্যই তিনি প্রতি বছর বেলুড়ে আসেন।

মোদীকে শুভেচ্ছা বার্তা বেলুড় মঠের মহারাজদের

প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণের আগে নরেন্দ্র মোদীকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী আত্মস্থানন্দ মহারাজ। বেলুড় মঠের মহারাজদের আশা, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সফলভাবেই সামলাবেন নরেন্দ্র মোদী।

বেলুড় মঠে ভক্ত সমাগমের মাঝে চলছে রামকৃষ্ণ পরমহংশ দেবের ১৭৯ তম জন্মতিথি পালন

আজ শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংশ দেবের ১৭৯ তম জন্মতিথি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এই দিনটি পালিত হচ্ছে বেলুড়মঠে। ভোর সাড়ে চারটের মঙ্গল আরতি দিয়ে শুরু হয়েছে অনুষ্ঠান। তারপর উষা কীর্তণ। দক্ষিণেশ্বর, বেলুড় মঠে ভক্তদের জনসমুদ্রের মাঝে চলছে এই জন্মতিথি অনুষ্ঠান।

অমৃতকথা: বিলের বিবেক

আমাদের ছোটোবেলায় মায়ের মুখে ছোট্ট বিলের কথা অনেক শুনেছি। বিলের মতো কখনও কখনও ভিক্ষারীকে কয়েকট পয়সা দান করে, আমাদের টিফিন ক্ষুধার্ত বন্ধুর সঙ্গে শেয়ার করে মনে মনে অনেক হিরো বনেছি। কিন্তু সময়ের প্রবাহে আমাদের মন থেকে কোথায় যেন বিলে হারিয়ে গেছে। হারিয়ে গেছে সাহস, দয়া, স্নেহ, মায়া মমতা। তবুও যখন ছোট্ট বিলের দুঃসাহসিক, মানবিক গল্প আমরা শুনি, মন ভাল হয়ে যায়। তাই আজকের অমৃতকথা ছোট্ট বিলের বিবেক। শোনালেন মহারাজ স্বামী স্বতন্ত্রানন্দ।

জনসমুদ্রের মাঝে বেলুড় মঠে পালিত হচ্ছে সারদামণির জন্মতিথি

বেলুড়ের রামকৃষ্ণমঠে পালিত হচ্ছে, সারদামণির ১৬১তম জন্মতিথি। ভোর ৪.৪০ মঙ্গলারতি দিয়ে উত্সবের সূচনা হয়। সেখানে বেদপাঠ ও স্তবগান হয়। সকাল সাতটায় বিশেষ পুজো ও ভজন হয়েছে।

শ্রীমার আরাধনায় ভক্তসমাগম বেলুড় থেকে জয়রামবাটিতে

বেলুড়মঠে পালিত হল সারদা দেবীর ১৬০ তম জন্মতিথি। প্রতিবছরই পৌষ মাসের কৃষ্ণা সপ্তমীতে পালিত হয় তাঁর জন্মতিথি৷ আজ, শুক্রবার সকাল ৪.৪০ মিনিট থেকে মঙ্গলারতির মধ্য দিয়ে উত্‍সবের সূচনা হয়। আয়োজন করা হয় চণ্ডীপাঠ, বেদপাঠেরও।  বেলুড়মঠে সকাল থেকেই ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সারদাদেবীর জন্মদিন পালিত হয় তাঁর জন্মভিটে জয়রামবাটিতেও। এই উপলক্ষে প্রভাতফেরি সহ একাধিক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।

আজ কল্পতরু উত্‍সব

তখন মারণব্যাধি ক্যান্সার বাসা বেঁধেছে তাঁর শরীরে। কলকাতার কাছে এক সুদৃশ্য বাগানবাড়িতে উঠেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণদেব।

স্বামী প্রমেয়ানন্দর ভাণ্ডারা

রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সহ অধ্যক্ষ প্রয়াত স্বামী প্রমেয়ানন্দজীর সাধু ভাণ্ডারা উপলক্ষে বেলুড় মঠে দর্শনার্থিদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। সাধুদের মৃত্যুর পর সাধু ভাণ্ডারা হয়ে থাকে। গত কুড়ি অক্টোবর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সহ সভাপতি স্বামী প্রমেয়ানন্দজীর মৃত্যু হয়েছিল।

শুক্রবার স্বামী প্রমেয়ানন্দের শেষকৃত্য

শুক্রবার রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সহ সভাপতি স্বামী প্রমেয়ানন্দের শেষকৃত্য অনুষ্ঠান। সকাল থেকে বেলুড় মঠে চোখের জলে স্বামী প্রমেয়ানন্দকে শেষ বিদায় জানাতে হাজির হন অগণিত ভক্তরা। গতকাল সকাল আটটা পঁচিশ মিনিটে শ্বেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

স্বামী প্রমেয়ানন্দ ১৯৩৩-২০১১

বাড়ির আপত্তি ছিল, পাশে ছিলেন শুধু বড়দা। সব আপত্তি উপেক্ষা করে তিনি কৈশোর বয়সেই মনস্থির করে ফেলেন, রামকৃষ্ণ মিশনে যোগ দেবেন। মানবসেবায় উত্সর্গ করবেন নিজের জীবন। ১৯৫১ সালে মঠে যোগদান করেন স্বামী প্রমেয়ানন্দ। ৬০ বছর পর বৃহস্পতিবার শেষ হল সেই মহাজীবনের পথ চলা।

কুমারী পুজো

উনিশশো দুই সালে প্রথমববার মহাষ্ঠমীর পুন্য তিথিতে বেলুড়মঠে কুমারী পুজো করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ।