তুলির টানে শুরু ১০ কোটির মাটি উৎসব

রাজ্য সরকারের ভাঁড়ারে যখন টানাটানি, তখন দশ কোটি টাকায় বর্ধমানের পানাগড়ে মাটি উত্সবের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কৃষি দফতর ছাড়াও রাজ্য সরকারের আরও দশটি দফতর মাটি উত্‍সবের দায়িত্বে রয়েছে। উত্‍সবে হাজির সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবীও। এদিন সম্মান জানানো হয়  সদ্যপ্রয়াত গৌরখ্যাপার স্ত্রীকে। মুখ্যমন্ত্রী সম্মানিত করেন পূর্ণদাস বাউল, কার্তিক বাউল, প্রতুল মুখোপাধ্যায় সহ বাংলার বিভিন্ন লোকশিল্পীকে। মাটি উত্সব উপলক্ষ্যে দীর্ঘদিন পর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একমঞ্চে দেখা গেল মহাশ্বেতা দেবীকে।

পুলিসকর্মীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার, মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ এপিডিআরের

পুলিসকর্মীর সঙ্গে দুর্বব্যহারের প্রতিবাদ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ দায়ের করল এপিডিআরের বিবাদীবাগ শাখা। রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের কাছে স্বতপ্রণোদিত ভাবে মামলা দায়ের করার আবেদন জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন এপিডিআর। গতকাল, জাগো বাংলা স্টলে নিজের লেখা বইপ্রকাশ করতে বইমেলায় যান মুখ্যমন্ত্রী। তারপর জাগো বাংলা স্টল ঘুরে দেখেন তিনি। ভিড়ে ঠাসা বইমেলায় মুখ্যমন্ত্রীকে এতো কাছে পেয়ে ভিড় করেন অসংখ্য মানুষ। চলে সইয়ের আবদার।

"আপনাদের ধরে চাবকানো উচিত"

গাড়ি আসতে দেরি হয়েছিল। তাই বইমেলায় সবার সামনে মুখ্যমন্ত্রীর রোষানলে পড়লেন কলকাতা পুলিসের বিশেষ বিভাগের সার্জেন্ট কুসুমকুমার দ্বিবেদী। ধমক দিলেন গাড়ির চালককেও। দেরিতে গাড়ি আসায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী কর্তব্যরত নিরাপত্তারক্ষীকে বললেন, "আপনাদের ধরে চাবকানো উচিত।" মন্ত্রী, একাধিক তৃণমূল নেতা ও বেশ কিছু সাধারণ মানুষের সামনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সুতীব্র ভর্ৎসনায় দৃশ্যতই থতমত পুলিস মহল।

কলকাতার বই উৎসব আবর্জনাময়

যেখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জলের প্যাকেট, খাওয়ার থালা, কাগজ। কলকাতা বইমেলা চত্বর এখন জমজমাট এই ছবিতেই। ডাস্টবিনগুলি অপেক্ষা করলেও তারা একপ্রকার অকেজো। বইমেলা তাই এককথায় আবর্জনাময়। এই শহর আপনার। একে পরিস্কার রাখার দায়িত্ব সকলের। কলকাতা শহরের ইতিউতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিজ্ঞাপনের ভাষাই এক মূহুর্তে পাল্টে যায় বইমেলা প্রাঙ্গণে এলে। বইমেলা প্রাঙ্গনে যে ডাস্টবিনগুলি রাখা আছে, সেগুলি কেউ ব্যবহার করছেন না। রাজ্য সরকারের জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি বিপণনের সৌজন্যে বইমেলায় ঘুরতে এসে জলের প্যাকেট পাচ্ছেন সকলেই। কিন্তু জল খেয়ে তা সঠিক জায়গায় ফেলার কথা মনে থাকছে না কারোরই। পড়ে থাকছে খাওয়ার থালা, প্যাকেটও। ভুল করলেও, ছোট্ট একটা সরি বলেই কাজ সারছেন অনেকে। মেলায় সাফাই কর্মীদের দেখা মিললেও তাঁদেরও বাঁধা রয়েছে ডিউটি আওয়ার্স। তাই একবার মেলার মাঠ পরিস্কার হয়ে গেলে আবার পরিস্কার করাটাও তাঁদের কাছে ঝক্কিরই সামিল।