তারকা প্রার্থী ব্রাত্য বসু

তারকা প্রার্থী ব্রাত্য বসু

প্রার্থীর নাম- ব্রাত্য বসু

কৌশিক সেনের বই উদ্বোধন করে সমালোচনার বাউন্সারে ছক্কা হাঁকালেন ব্রাত্য বসু কৌশিক সেনের বই উদ্বোধন করে সমালোচনার বাউন্সারে ছক্কা হাঁকালেন ব্রাত্য বসু

রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা। কিন্তু দুই নাট্যব্যক্তিত্বকে মিলিয়ে দিল বইমেলা। কৌশিক সেনের বই উদ্বোধন করে সমালোচনার বাউন্সারে ছক্কা হাঁকালেন ব্রাত্য বসু। অন্যদিকে, যে কথা অনেক সাংবাদিকও জানেন না, তেমন কথাই নাকি নিজের বইতে লিখেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ""নেত্রীর সাথে জনতার পাশে'' বইটি উদ্বোধন করলেন তৃণমূলের মহাসচিব। রাজ্যে পট পরিবর্তনের প্রাক্কালে নাগরিক আন্দোলনের জোয়ারে গা ভাসিয়েছিলেন দুই নাট্যব্যক্তিত্ব। তারপর? আলাদা হয়ে গেছে তাঁদের পথ। তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন একজন। জিতে মন্ত্রীও হয়েছেন। তিনি ব্রাত্য বসু।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মিটবে কি ব্রাত্য-অর্পিতার সংঘাত? মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মিটবে কি ব্রাত্য-অর্পিতার সংঘাত?

ব্রাত্য বসুর সঙ্গে অর্পিতা ঘোষের ব্যক্তিত্বের সংঘাত কি মিটবে? মুখ্যমন্ত্রী দুজনকেই সতর্ক করার পর নাট্য মহলে এই প্রশ্নটাই এখন ঘোরাফেরা করছে।

স্বজনহারা নাট্য স্বজন, আপনজনরা এখন পরস্পরের দুর্জন স্বজনহারা নাট্য স্বজন, আপনজনরা এখন পরস্পরের দুর্জন

নাট্য স্বজনে স্বজন শব্দটা এখন পরিহাসের মতো শোনাচ্ছে। একসময় পরস্পরের আপনজন থাকা এই তৃণমূলপন্থী নাট্যকর্মীরা এখন একে অপরকে দুর্জনের মতো দেখছেন। কী এমন ঘটল এই কদিনেই?

মণীশ, দেবেশ অর্পিতা, ব্রাত্য, নাট্যস্বজন নিয়ে নতুন চাপে তৃণমূল মণীশ, দেবেশ অর্পিতা, ব্রাত্য, নাট্যস্বজন নিয়ে নতুন চাপে তৃণমূল

নাট্যস্বজনে মুষলপর্ব। নতুন চাপে তৃণমূল। মণীশ মিত্র এবং দেবেশ চট্টোপাধ্যায়ের পর তৃণমূলপন্থী নাট্য সংগঠনের সচিব পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অর্পিতা ঘোষ। তবে এখানেই শেষ নয়। স্বজন ছাড়লেন খোদ ব্রাত্য বসুও। যদ

নাট্যস্বজনের সভাপতি, সচিবের পদ থেকে যৌথ ইস্তফা ব্রাত্য, অর্পিতার নাট্যস্বজনের সভাপতি, সচিবের পদ থেকে যৌথ ইস্তফা ব্রাত্য, অর্পিতার

সকলেই ছেড়ে দিয়েছেন। কোনও বন্ধুই নেই। এই কারণ দেখিয়েই দেবেশ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা ঘোষের পর নাট্যস্বজনের সবাপতির পদ থেকে এবার ইস্তাফ দিলেন ব্রাত্য বসু। বৃহস্পতিবার কর্মসমিতির বৈঠকে ইস্তফা দেন তিনি। এদিনই সচিবের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অর্পিতা ঘোষও। নাট্যস্বজনের সঙ্গে শুরু থেকে যুক্ত ছিলেন তিনি। দলতন্ত্রের কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন অর্পিতা।

পাঠ্যবই বাতিল বিতর্ক, ব্রাত্য গানওয়ালা, মুখ খুললেন কবীর সুমন

দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যবই বাতিল বিতর্কে শেষপর্যন্ত মুখ খুললেন কবীর সুমন। বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতি বইয়ে তাঁর বহুল প্রশস্তির কারণেই বইটি রাজরোষে পড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা। ফেসবুকে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদের প্রতিক্রিয়া, আধুনিক বাংলা গানের ধারা নিয়ে লিখতে গিয়ে তাঁকে একটু আলাদা জায়গা দেওয়া হলে, তা নিয়ে রাজনৈতিক আপত্তি থাকতেই পারে। কিন্তু, ইতিহাসের দিক থেকে কোনও আপত্তি থাকার কথা নয় বলেই দাবি করেছেন কবীর সুমন।

বাতিল হতে চলেছে রাজ্যের কলেজগুলিতে অনলাইনে ভর্তির প্রক্রিয়া

রাজ্যের কলেজগুলিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া বাতিল হতে চলেছে। উপযুক্ত পরিকাঠামো না থাকাতেই এই প্রক্রিয়া চালু করা যাচ্ছে না। দাবি শিক্ষা দফতরের। যদিও অনেকেই মনে করছেন এই পদ্ধতি চালু হলে শাসকদলের দাদাগিরির জায়গা কমে যেত। শুধু তাই নয় মোটা টাকার বিনিময়ে কলেজের সিট বিক্রিও বন্ধ হয়ে যেত। সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে অভিযোগ। রাজ্যের কলেজগুলিতে অ্যাডমিশনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। মঙ্গলবার বিদায়লগ্নে জানিয়ে গিয়েছিলেন এই শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি প্রক্রিয়া হবে অনলাইনেই।

হতাশা থেকেই সরলেন ব্রাত্য! নাকি টেটের ধাক্কা?

কী কারণে শিক্ষার মত গুরুত্বপুর্ণ দফতর থেকে ব্রাত্য বসুকে সরতে হল তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা কানাঘুষো । অনেকের মতে টেটের ধাক্কা লেগেছে শিক্ষামন্ত্রীর ঘরে। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া চালু করার চেষ্টাও তাঁর কাল হয়েছে। ব্রাত্য বসু নিজে অবশ্য বলছেন, তিনি নাকি নিজে থেকেই সরে যেতে চেয়েছিলেন।

রাজ্য মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, শিক্ষা হাতছাড়া ব্রাত্য, পর্যটন থেকে সরলেন কৃষ্ণেন্দু

মোদী ক্যাবিনেট ঘোষনার পরদিনই রাজ্য মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদল করা হল। শিক্ষামন্ত্রক হাতছাড়া হল ব্রাত্য বসুর, পর্যটন থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীকে।

শিক্ষা পর্ষদ সভাপতির পাশেই দাঁড়ালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

চাকরি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পরও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সভাপতির পাশেই দাঁড়ালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁর দাবি, শুধুমাত্র তৃণমূল নয়, যোগ্যতার নিরিখে সবদলের কর্মীরাই চাকরি পেয়েছেন। এটাই বলতে চেয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি। মানিক ভট্টাচার্যের সাফাই, তিনি বলতে চেয়েছিলেন যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি পেতে পারেন যে কোনও দলের কর্মীরা।

প্রেসিডেন্সিতে গণভোটের পিছনে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিলেন ব্রাত্য বসু, নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

প্রেসিডেন্সিতে গণভোটের পিছনে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁর অভিযোগ,কারোর মদতে প্রেসিডেন্সিতে গণভোট হয়েছিল। অন্যদিকে, গণভোটের বিরোধিতা করে আজ নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। রেজিস্ট্রারের প্রত্যক্ষ মদতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ে গণভোট আয়োজন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন টিএমসিপি রাজ্য সভাপতি শঙ্কুদেব পণ্ডা।

তৃণমূল প্রার্থী নাট্যকার অর্পিতা ঘোষের হয়ে ভোট চাইলেন বুদ্ধিজীবীরা, অর্পিতাকে সমর্থন করে বাম শিবির ছেড়ে শাসকের দিকে পা বাড়ালেন সুবোধ সরকার, অরিন্দম শীল

বাম শিবির ছেড়ে এবার শাসক শিবিরের দিকে পা বাড়ালেন শিল্পী অরিন্দম শীল, কবি সুবোধ সরকার। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নাট্যকার অর্পিতা ঘোষের পাশে বসে তাকে সমর্থনে ভোট দেওয়ার আবেদনও জানালেন। পাশে দেখা গেল মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, শুভাপ্রসন্ন ,বিভাস চক্রবর্তী ,স্বাতীলেখা চক্রবর্তীকে।

আবারও নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে বাজল মাইক, এবারে নেতাজী সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের পর এবার কাঠগড়ায় নেতাজী সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। শনিবার ছিল মাধ্যমিকের ভূগোলের পরীক্ষা। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা চলাকালীন প্রকাশ্যে এই সময় মাইক বাজানো যায় না।

আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীদের লাগাতার ২০ দিনের অনশনের পর মাথা নোয়ালো কমিশন, সোমবার এসএসসির চতুর্থ দফায় কাউন্সেলিং

চাকরি লাগাতার ২০দিনের অনশন। তার চাপে পড়ে চতুর্থ দফার কাউন্সেলিংয়ের প্রতিশ্রুতি দিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান। কিন্তু তাতেও জট পুরো কাটল না। এসএসসির চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য আজ আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীদের অনশন তুলে নিতে অনুরোধ করেন। ১৫০০ শূন্য পদ পূরণের জন্য, সোমবার চতুর্থ দফার কাউন্সেলিং হবে বলে জানান তিনি। সেখানে বেশিরভাগ অনশনকারী ছেলেমেয়েদেরই ডাকা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। কিন্তু আন্দোলনকারীদের দাবি, প্যানেলভুক্ত সাড়ে তিন হাজার প্রার্থীকেই চাকরি দিতে হবে।

টেট থেকে এসএসসি, রাজ্যে বিক্ষোভ চলছেই

এসএসসির ফর্ম তোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, বিক্ষোভে ফেটে পড়ল হাওড়া পোস্ট অফিস। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়েও ফর্ম না পাওয়ায় আজ বিভিন্ন ডাকঘরে বিক্ষোভ দেখান চাকরি প্রার্থীরা। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে হয় পুলিসকে।