সম্মানের ম্যাচে সিঙ্গাপুরের ট্যাম্পাইন্স রোভার্সকে ৩-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিল মোহনবাগান সম্মানের ম্যাচে সিঙ্গাপুরের ট্যাম্পাইন্স রোভার্সকে ৩-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিল মোহনবাগান

অবশেষে সম্মানের ম্যাচে জয় পেল মোহনবাগান। যুবভারতীতে সিঙ্গাপুরের ট্যাম্পাইন্স রোভার্স এফসিকে সঞ্জয় সেনের ছেলেরা হারিয়ে দিলেন ৩-১ গোলের ব্যবধানে। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এই সম্মানের ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা ছিল চরমে। মাঠ ভরিয়ে ছিলেন সবুজমেরুন সমর্থকরা। সেই সমর্থকদের হাসিমুখ বজায় থাকল। ম্যাচে মোহনবাগানের হয়ে গোলের খাতা খুলেছিলেন জেজে। পরে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন গ্লেন। আর ম্যাচের একেবারে শেষে গোল করে সিঙ্গাপুরের দলটির কফিনে শেষ পেরেকটি পুতে দিলেন কাতসুমি। এই জয়ের পর দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে গেল মোহনবাগান। এবার সবুজ মেরুনের প্রতিপক্ষ চিনের ক্লাব।

ইউরোপীয় বডি ফুটবলকে হারিয়ে জয় ল্যাটিন শিল্পের, ত্রিমুকুটের মালিক বার্সা  ইউরোপীয় বডি ফুটবলকে হারিয়ে জয় ল্যাটিন শিল্পের, ত্রিমুকুটের মালিক বার্সা

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতল বার্সেলোনা। ফাইনালে জুভেন্টাসকে হারাল ৩-১ গোলে। লা লিগা, কোপা ডেল রের পর ইউরোপ সেরা হয়ে চলতি মরশুমে ত্রিমুকুট জিতল মেসি, সুয়ারেজ, ইনিয়েস্তা, নেইমাররা। খেলা শুরুর ৪ মিনিটের মধ্যেই গোল পায় বার্সেলোনা। ইভান রাকিটিকের দুরন্ত শটে পরাস্ত হন বুফোঁ। দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটে আলভেরো মোরাতার গোলে সমতা ফেরায় জুভেন্টাস। কার্লস তেভেজের শট আংশিক ভাবে আটকান বার্সেলোনার গোলরক্ষক মার্ক আন্দ্রে তের স্তেগান। সেই বল জালে পাঠান মোরাতা। ৬৮ মিনিটে দ্বিতীয় গোল পায় বার্সেলোনা। মেসির দুরন্ত শট কোনওমতে আটকান জুভেন্টাসের এলিট গোলরক্ষক বুফোঁ। ফিরতি বল গোলে পাঠান সুয়ারেজ। এরপর আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে খেলা জমে উঠলেও গোলের দরজা খুলতে পারেনি জুভেন্টাস। উল্টো দিকে বেশ কয়েকবার গোল করার মত পরিস্থিতি তৈরি করেছিল বার্সেলোনাও। কিন্তু গোল সংখ্যা বাড়ছিল না। অবশেষে ম্যাচের একেবারে শেষ লগ্নে, ইঞ্জুরি টাইমে দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন নেইমার। কোচ হিসেবে প্রথম মরশুমেই সফল লুই এনরিকে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ত্রিমুকুট জিতল বার্সেলোনা। বার্লিনের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে সুয়ারেজ, মেসিদের হাতে ট্রফি তুলে দেন UEFA সভাপতি মিশেল প্লাতিনি।

১২ বছরে ৯ বার কোচ ছাটাই করল রিয়াল মাদ্রিদ ১২ বছরে ৯ বার কোচ ছাটাই করল রিয়াল মাদ্রিদ

একবছর আগে তাঁর কোচিংয়েই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। একবছর একদিনের মাথায় চিত্রটাই গেল পাল্টে। কার্লো আন্সেলোত্তিকে ছেঁটে ফেলল রিয়াল মাদ্রিদ। ক্লাবের সভাপতি হিসাবে বারো বছরে নজন কোচকে ছেঁটে ফেললেন ফ্লোরেন্টিনো পেরেজ। এবছর কোনও ট্রফি জিততে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বার্সেলোনা। জুভেন্টাসের কাছে হেরে  চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে গেছিল রিয়াল। ফলে চাপ বাড়ছিল আন্সেলোত্তির উপর। আগামী মরসুমের শেষ পর্যন্ত আন্সেলোত্তির সঙ্গে চুক্তি ছিল রিয়ালের। কিন্ত তার আগেই তাঁকে ছেঁটে ফেলা হল। এবার সম্ভবত নাপোলি কোচ রাফায়েল বেনিটেজকে রোনাল্ডোদের কোচ হিসাবে নিয়োগ করা হবে।

জিতল বায়ার্ন, ফাইনালে গেল বার্সা  জিতল বায়ার্ন, ফাইনালে গেল বার্সা

মিউনিখে মিরাকেল  হল না। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালের ফিরতি পর্বে বার্সেলোনাকে হারিয়েও বিদায় নিল বায়ার্ন মিউনিখ। ঘরের মাঠে ৩-২ গোলে জিতেও কাজের কাজ হল না। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৩ গোলে জিতে তিন বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে লুই এনরিকের বার্সা। ন্যু ক্যাম্পে ৩-০ গোলে জেতাটাই বার্সা ও বায়ার্নের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়। এলায়েন্স এরিনাতে বায়ার্নকে শুরুতেই এগিয়ে দিয়েছিলেন বেনাটিয়া। তবে প্রথমার্ধেই নেইমারের জোড়া গোলে ক্যাটালিয়ান্সদের ফাইনালের রাস্তা নিশ্চিত হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে লেওয়ানডোস্কির গোলে ম্যাচের স্কোর হয় ২-২। তারপর থমাস মুলারের গোলে জিতলেও ছিটকে গেল বায়ার্ন।

মোরাতা, তেভেজ, পির্লোর কাঁটায় বিদ্ধ রোনাল্ডোর রিয়াল    মোরাতা, তেভেজ, পির্লোর কাঁটায় বিদ্ধ রোনাল্ডোর রিয়াল

রিয়াল মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ওঠার দিকে এক পা বাড়াল জুভেন্তাস। ইউরোপের সেরা টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালের প্রথম লিগে ইতালির দলটি বুঝিয়ে দিল কেন তারা সিরিয়া এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এবার। নিজের দেশে হারলেন রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো অ্যানসেলোত্তি। উল্টোদিকে পুরোন দলের বিরুদ্ধে গোল করলেন আলবারো মোরাতা। তুরিনে ম্যাচের শুরু থেকেই ঝড় তুলেছিলেন তেভেজ, পির্লোরা। ৮ মিনিটের মধ্যেই মোরাতার গোলে এগিয়ে যায় জুভেন্তাস। গত মরশুমে রিয়ালে বসে কাটানোর পর এবারই জুভেন্তাসে যোগ দেন এই স্প্যানিশ ফুটবলার। পুরনো দলের বিরুদ্ধে গোল করে বাড়তি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেননি মোরাতা। পিছিয়ে গিয়ে রিয়ালকে ম্যাচে ফেরান সেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ম্যাচের ২৭ মিনিটে হামেস রডরিগেসের দুরন্ত সেন্টার থেকে গোল করেন সিআরসেভেন। বিরতির পর ফের চাপ বাড়ায় ইতালির দলটি। ৫৬ মিনিটে বক্সের মধ্যে কার্লোস তেভেজকে কার্ভাজাল ফেলে দিলে পেনাল্টি দেন রেফারি। কাসিয়াসকে পরাস্ত করে সহজেই গোল করে যান আর্জেন্টাইন তারকা। এগিয়ে গিয়ে রক্ষণে ফুটবলার বাড়িয়ে রোনাল্ডো, বেলদের থামিয়ে দেন জুভেন্তাসের কোচ। ঘরের মাঠে জিতলেও খুব একটা স্বস্তিতে থাকবেন না বুঁফোরা। অ্যাওয়ে ম্যাচে গোল করার অ্যাডভান্টেজ নিয়ে বার্নিবাউতে নামবে রিয়াল।