এই একই অভিযোগে আইন মন্ত্রীর কুর্শি হারিয়েছেন অশ্বিনী কুমার। বিরোধীদের ক্রমাগত সমালোচনা থেকে মুখরক্ষার চেষ্টায় আজ সিবিআইয়ের তদন্তকে প্রভাবমুক্ত করে নতুন আইন প্রণয়নের জন্য একটি মন্ত্রীগোষ্টী গঠন করল কেন্দ্রীয় সরকার। অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনীকে বাহ্যিক প্রভাবমুক্ত এবং স্বশাসিত করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে।
পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বৈমাত্রিক আচরণ করছে না কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যের অভিযোগ উড়িয়ে আজ একথা বলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। তিনি জানিয়েছেন, ঋণ মকুবের যে আর্জি কেন্দ্রের কাছে জানিয়েছে রাজ্য, তা বিবেচনা করার জন্য বলা হয়েছে অর্থ কমিশনকে। অন্যদিকে, ঋণগ্রস্ত রাজ্যগুলিকে সাহায্যের ইস্যুতে রাজনৈতিক খেলা খেলছেন চিদম্বরম। এভাবেই পাল্টা আক্রমণে গেলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। তিনি বলেন, দ্বাদশ অর্থ কমিশনের রিপোর্টে ঋণগ্রস্ত রাজ্যগুলির জন্য বিশেষ ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা রয়েছে। অথচ সেই সবের উল্লেখ না করে অহেতুক বিতর্ক তৈরি করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রস্তাবে সংশোধনী আনতে ব্যর্থ হওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে ডিএমকে। তাদের অভিযোগ, ভারত যে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে তা লঘু ও দুর্বল। ভারতের কড়া অবস্থানের দাবিতে বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়েছে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন এলাকায়। শ্রীলঙ্কা বিরোধী তামিল ক্ষোভের আঁচ দিল্লির দরবারে পৌঁছেছিল আগেই। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রসঙ্ঘে যখন শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রস্তাব পেশ হচ্ছে তখন সেই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ দেখা গিয়েছে চেন্নাইয়ের রাজপথে।
হাতে মাত্র কয়েকটা ঘণ্টা। আজই রাষ্ট্রসংঘে শ্রীলঙ্কা বিরোধী প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি। তার আগেই ভারতীয় সংসদে পাস করিয়ে নিতে হবে সেই প্রস্তাবের সংশোধনী। যদিও এ নিয়ে সর্বদল বৈঠকে ঐকমত্য হয়নি। মতানৈক্য রয়েছে সরকারের অন্দরেও। ডিএমকে সমর্থন প্রত্যাহার করার পর অভূতপূর্ব সঙ্কটে কেন্দ্রীয় সরকার।
এলটিটিই নির্মূল অপারেশনের সময় শ্রীলঙ্কা সেনার বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করলেন তত্কালীন সেনাপ্রধান শরথ ফনসেকা। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের মুখোমুখি হতেও প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তিনি। এ দিকে, আজই রাষ্ট্রসংঘে পেশ হচ্ছে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রস্তাব।
অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের আপত্তি থাকায় সংসদে শ্রীলঙ্কা বিরোধী প্রস্তাব পাস করানো যাবে না। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম আজ এই কথা জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ডিএমকে সমর্থন প্রত্যাহারের পরেও, তাদের দাবি মেনে সংসদে শ্রীলঙ্কা বিরোধী প্রস্তাব পাসে উদ্যোগী হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার।
অর্থমন্ত্রী বাজেটে বরাদ্দ বাড়িয়েছেন স্বাস্থ্য, জল সরবরাহ, তফসিলি জাতি-উপজাতি, আদিবাসী উন্নয়ন এবং প্রতিরক্ষা খাতে। সাধারণ মানুষের মন রাখতে সামাজিক ক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। যদিও, তা কীভাবে বাস্তবায়িত হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট দিশা দেখাতে পারেননি। অর্থনৈতিক বিকাশের গতি ফেরাতে রাজস্ব ঘাটতি কমানোর ওপরও জোর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। একদিকে, ভোটমুখী রাজনীতির চাপ, অন্যদিকে, অর্থনীতিকে কঠিন শৃঙ্খলায় বাঁধার চেষ্টা - দুয়ের মিশেলে ভারসাম্যের বাজেট পেশেরই চেষ্টা করেন তিনি।
২০১৩-২০১৪ আর্থিক বর্ষে সাধারণ করদাতাদের নির্ধারিত আয়কর বাৎসরিক আয় (টাকার অঙ্কে) করের সীমা ০-২,০০,০০০ ০ ২,০০,০০১-৫,০০,০০০ ১০% ৫,০০,০০১-১০,০০,০০০ ২০% ১০,০০,০০০ উর্দ্ধে ৩০%
আজ থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। অধিবেশনের শুরুতে সংসদের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি। ২৬ ফেব্রুয়ারি পেশ হবে রেল বাজেট এবং পরদিন প্রকাশিত হবে অর্থনৈতিক সমীক্ষা। ২৮ ফেব্রুয়ারি সাধারণ বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। এবারের অধিবেশনে কপ্টার দুর্নীতি সমেত একাধিক ইস্যুতে বিরোধীদের কড়া প্রতিরোধের মুখে পড়তে হতে পারে সরকারকে। সেই জন্য, বুধবারের সর্বদল বৈঠকে শাসকদল কংগ্রেসের সুর ছিল অনেকটাই নরম। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, কপ্টার কেলেঙ্কারি নিয়ে তারা যে কোনও তদন্তে প্রস্তুত।
সিআইডির নিশানায় বিরোধীদলের নেতারাও
ভোটের মার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায়
বাহিনী প্রশ্নে কেন্দ্রের উপরে চাপ বাড়াতে হবে কংগ্রেসকেই, মত বিমানের
এবার ধর্ষণ মুর্শিদাবাদের সালারে
তিরবিদ্ধ হাতি উদ্ধার ডুয়ার্সে
পাকিস্তান বিস্ফোরণ: মৃত আরও ৭
দিল্লিতে বিপদসীমার ২ মিটার ওপর দিয়ে বইছে যমুনা