চিটফান্ড বিল নিয়ে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার

চিটফান্ড বিল নিয়ে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। রাজ্যের কাছে ফেরত পাঠানো হল চিটফান্ড বিল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং আইনমন্ত্রকের বেশ কিছু মন্তব্য সহ বিলটি ফেরত এসেছে মহাকরণে। কীভাবে  নতুন আইনে পুরনো  ফৌজদারি অপরাধের শাস্তি  সম্ভব তার ব্যাখা চেয়েছে  দুই মন্ত্রক। ফলে এখনই পাস হচ্ছে না এই বিল। বিলটি অনুমোদন না পাওয়ায় বিরোধীদের আশঙ্কাকেই সত্যি প্রমাণ করে প্রতারিতদের দ্রুত সুবিচার পাওয়ার আশা এখন বিশ বাঁও জলে।     

চিট ফান্ড কাণ্ড: আত্মহত্যার চেষ্টা এজেন্টের

চিটফান্ড কাণ্ডের জেরে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন নদিয়ার এক এজেন্ট। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অনুমতি না নিয়ে একটি বেআইনি চিটফান্ড সংস্থা তাঁর মোবাইল নম্বর ব্যবহার করায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মালদার এক অশিক্ষক কর্মী। তাঁর অভিযোগ, ওই চিটফান্ড সংস্থার কয়েকজন এলাকার পরিচিত তৃণমূল কর্মী হওয়ায় বারবার জানানোতেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিস। সারদাকাণ্ডের পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই বাড়িতে চড়াও হচ্ছিলেন আমানতকারীরা। টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ক্রমশই চাপ বাড়ছিল। র‍্যামেল এবং ন্যাপেলাইন সংস্থার হয়ে প্রায় কোটি টাকা বাজার থেকে তুলেছিলেন নদিয়ার রানাঘাটের সৌমিত্র কুমার দাস। পরিবারের দাবি, আমানতকারীদের চাপ সহ্য করতে না পেরেই বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেন সৌমিত্রবাবু।  

বসিরহাটে আত্মঘাতী চিটফান্ড সংস্থার এজেন্ট

আমানতকারীদের টাকা ফেরাতে না পেরে উত্তর চব্বিশ পরগনার বসিরহাটে আত্মঘাতী হলেন এক চিটফান্ড সংস্থার এজেন্ট। হুগলির চুঁচুড়ায় চিটফান্ড সংস্থার কর্নধারকে খুনের ঘটনায় এক অভিযুক্ত গ্রেফতার করেছে পুলিস। পুলিস সূত্রে খবর, উত্তর কলকাতায় আত্মঘাতী হয়েছেন হুগলির ওই সংস্থার এক ডিরেক্টর।

সেন স্যারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন দেবযানী

সেন স্যারের বিরুদ্ধে এবার মুখ খুলতে শুরু করেছেন তাঁর সবসময়ের ছায়াসঙ্গী দেবযানী মুখোপাধ্যায়। যা আরও চাপে ফেলছে সারদা কর্তাকে। প্রথম দিকে পুলিসি জেরায় আতঙ্কিত দেবযানী এখন অনেকটাই চাপমুক্ত। কিন্তু সারদার সেকেন্ড ইন কমান্ডের এই বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে? তবে কি রাজসাক্ষী হওয়ার পথে দেবযানী?

চিটফান্ড ইস্যুতে যুযুধান শাসক-বিরোধী

চিটফান্ড ইস্যুতে মুখোমুখি শাসক ও বিরোধী দল। চ্যালেঞ্জ, পাল্টা চ্যালেঞ্জের জেরে রীতমতো সরগরম রাজ্য রাজনীতি। মুখ্যমন্ত্রীর হুমকি, বাড়াবাড়ি করলে চিটফান্ড কর্তাদের সঙ্গে বামেদের যোযাযোগ ফাঁস করে দেবেন তিনি। পারলে তাঁদের গ্রেফতার করুন মুখ্যমন্ত্রী, পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন গৌতম দেব।

পানিহাটিতে ভাবমূর্তি উদ্ধারের চেষ্টায় মুখ্যমন্ত্রী

আসন্ন হাওড়া উপনির্বাচন থেকেই প্রচারের জন্য বাইরের কোনও সংস্থার কাছে থেকে টাকা নেবে না তৃণমূল কংগ্রেস। পানিহাটিতে প্রকাশ্যে জনসভায় এমনই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সারদা কাণ্ডে তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় তৃণমূলনেত্রীকে তড়িঘড়ি এই ধরণের ঘোষণা করতে হল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

`হু ইস মিস্টার রয়?`

কলকাতা হাইকোর্টে পেশ করা রাজ্য সরকারের হলফনামায় এক `মিস্টার রয়ের` উল্লেখ রয়েছে। বলা হয়েছে এই `মিস্টার রয়` কে তা রাজ্য সরকারের পক্ষে খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি। কারণ জনস্বার্থ মামলার রিট পিটিশনে যে মিস্টার রয়ের নামে অভিযোগ করা হয়েছে, তা অসম্পূর্ণ। কে এই ``মিস্টার রয়``, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।

মুখ্যমন্ত্রীর কি মিথ্যা বলছেন? সরকারের হলফনামায় ইঙ্গিত সেই দিকেই

মুখ্যমন্ত্রী কি চিট ফান্ড কাণ্ডে কোনও সত্য আড়াল করতে চাইছেন? সন্দেহটা তৈরি হচ্ছে কারণ, মুখ্যমন্ত্রীর কথার সঙ্গে কোর্টে জমা দেওয়া তাঁর সরকারের হলফনামা মিলছে না। অন্যান্য নানা তথ্যও প্রমাণ করছে, পয়লা বৈশাখের অনেক আগেই সব জানত সরকার। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, তিনি কিছুই জানতেন না।

অভিযুক্ত সুরাহা মাইক্রোফিনান্সও

সারদা, অ্যানেক্সের পর এবার শিলিগুড়ির সুরাহা মাইক্রোফিনান্স। আমানতকারীদের থেকে প্রায় কুড়ি কোটি টাকা নিয়ে উধাও  সংস্থার কর্ণধার দিলীপ রঞ্জন নাথ। গত বাইশে এপ্রিল সংস্থার কর্ণধারের বিরুদ্ধে শিলিগুড়ির প্রধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সংস্থার এজেন্টরা। যদিও এখনও অধরা সুরাহা মাইক্রোফিনান্সের কর্ণধার। অল্প সময়ে কয়েকগুণ টাকা ফেরত।  এই লোভ দেখিয়ে আমানতকারীদের থেকে কয়েক কোটি টাকা সংগ্রহ। এরপর নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও টাকা ফেরত না দিয়ে সংস্থা বন্ধ করে উধাও কর্ণধার। সারদা, অ্যানেক্সের পর এবার একই ছকে প্রতারণা উত্তরবঙ্গে। সংস্থার নাম সুরাহা মাইক্রোফিনান্স। উত্তরবঙ্গ জুড়ে সংস্থার ছেচল্লিশটি কার্যালয়ে এজেন্টের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার। দশ লক্ষ আমানতকারীদের থেকে প্রায় কুড়ি কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে এই অর্থলগ্নি সংস্থা। একত্রিশে জানুয়ারি সংস্থার কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে উধাও হন কর্ণধার দিলীপ রঞ্জন নাথ।  অবিলম্বে তাকে গ্রেফতার করে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি করেছেন সংস্থার এজেন্টরা।