"শাহরুখের সঙ্গে আমার পটে না"

দাবাং, বডিগার্ড, রেডি, এক থা টাইগার, দাবাং টু। পরপর পাঁচটি ছবিতে বলিউডকে একশো কোটির ব্যবসা দিয়েছেন সলমন। বলিউড প্রোডিউসারদের কাছে এখন লক্ষ্মীলাভের সেরা তাস তিনিই। তবে সলমন কিন্তু এসব একেবারেই গায়ে মাখছেন না।

জিও চুলবুল পান্ডে

দাবাং টু এর আগে দর্শক, প্রযোজক, পরিবেশক তিন দলই আড়মোড়া ভেঙে বসেছিলেন। আরও খোলসা করে বললে, রেডি স্টেডি গো হয়েই ছিলেন। শুধু বন্দুকের ফটাশ-টাই বাকি ছিল। কারণ নাম্বার ওয়ান, সলমন খান। সলমন ছুঁলেই সোনা। প্রযোজকের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স একশো কোটি। দর্শকমণ্ডলীর আড়াইশো টাকা উশুল। ডিস্ট্রিবিউটরের শান্তির ঘুম। সলমন স্ক্রিনে মানেই আশার তুবড়ির মশলা আশাতীতভাবে উপর দিকে ওঠে। যে-হারে মাটি ছেড়ে ওপরে উঠছেন চুলবুল পান্ডে, তাতে তাঁকে আধুনিক রজনীকান্ত আখ্যা দিলে খানিক কমই বলা হবে। যাই হোক, দাবাং টু এমন একটি ছবি যার জন্য মিডিয়া হাউস গুলোর ২০১২ রেট্রো প্যাকেজগুলো একটু হল্ট করে ছিল।

বেবো মুন্নি হুই...

বছরটা শুরু থেকে সেভাবে ভাল কাটেনি বেবোর। অনেক খাটাখাটনি করেও বক্সঅফিসে সেভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারেনি `হিরোইন`। তবে বিয়ের পর থেকে এবার মনে হয় সময়টা ভালই কাটবে করিনার। এমাসেই মুক্তি পাচ্ছে `তালাশ`। জমিয়ে নেচেছেন `দাবাং টু`-র আইটেম নম্বরেও। সেই আইটেম নম্বর নিয়েই মুখ খুললেন করিনা।