শাস্তি বেড়ে তিন ম্যাচ নির্বাসিত ওডাফা

ডার্বি কাণ্ডের জের। বাড়তি এক ম্যাচ নির্বাসিত হলেন ওকেলি ওডাফা। বাড়তি এক ম্যাচ নির্বাসিত করার পাশাপাশি দেড় লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে তাঁকে। নয়ই ডিসেম্বর বিতর্কিত ডার্বি ম্যাচে ওডাফা লালকার্ড দেখার পর মাঠে গণ্ডগোল ছড়িয়ে পড়ে। দর্শকদের ছোঁড়া ইঁটের আঘাতে আহত হয়েছিলেন রহিম নবি। রেফারি আর ম্যাচ কমিশনারের রিপোর্টে অভিযুক্ত হয়েছিলেন মোহনবাগান অধিনায়ক। এমনকি বিচারপতি অশোক কুমার গাঙ্গুলিও তার রিপোর্টে ওডাফার আচরণ সঠিক ছিল না বলে জানিয়েছিলেন।

ভর্ত্‍‍সনা, শাস্তির মুখে পড়েও পদত্যাগে নারাজ কর্তারা

মোহনবাগানের ঐতিহ্যের কথা ভেবেই সাসপেনশন রদ করা হয়েছে, জানিয়েছেন ফেডারেশনের সভাপতি প্রফুল্ল প্যাটেল৷ কর্মসমিতির বৈঠক শেষে প্রফুল্ল প্যাটেল জানান, "মোহনবাগানের ঐতিহ্য ও ক্লাব সমর্থকদের আবেগের কথা মাথার রেখেই নির্বাসন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ তবে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে আর শাস্তি পুনর্বিবেচনা করা হবে না৷ এই প্রথম এবং এটাই শেষ সুযোগ দেওয়া হল মোহনবাগানকে৷" সেই সঙ্গে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, পরবর্তী সময়ে মোহনবাগান তো বটেই অন্য কোনও দলের ক্ষেত্রে নরম মনোভাব দেখাবে না ফেডারেশন।

আজ বাগানের ভাগ্যপরীক্ষা

মোহনবাগানের নির্বাসন নিয়ে আজ ফেডারেশনের কর্মসমিতির বৈঠক। বৈঠকে যোগ দিতে সোমবার সকালে নয়াদিল্লি গেছেন মোহনবাগানের চার শীর্ষকর্তা। সভাপতি টুটু বসু, সচিব অঞ্জন মিত্র ও অর্থসচিব দেবাশিস দত্ত কাল সকালেই রাজধানীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন। নয়াদিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন সহসচিব সৃঞ্জয় বসু। কলকাতা ছাড়ার আগে সভাপতির দাবি, ক্লাবের নির্বাসন তোলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবেন তাঁরা।

মোহনবাগানকে ফের বলার সুযোগ ফেডারেশনের

আগামী ১৫ জানুযারী ফেডারেশনের কর্মসমিতির বৈঠকে মোহনবাগানকে ডাকছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। নিজেদের শাস্তি পুনর্বিবেচনা করার জন্য ফেডারেশনের ১৫ জানুযারী ফেডারেশনের কর্মসমিতির বৈঠকে মোহনবাগানকে ডাকছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। নিজেদের শাস্তি পুনর্বিবেচনা করার জন্য ফেডারেশনের কর্মসমিতিতে আবেদন করেছে সবুজ-মেরুন কর্তারা। মোহনবাগানের শাস্তির পুনর্বিবেচনা করার জন্য ১৫ তারিখ বৈঠকে বসবে ফেডারেশনের সর্বোচ্চ কমিটি।

শাস্তি নিয়ে দু`প্রধানের চাপানউতোর চরমে

ডার্বি কাণ্ডে মোহনবাগানের শাস্তি নিয়ে দুই প্রধানের মধ্যে চাপানউতোর অব্যহত। ফেডারেশনকে পাঠানো ইস্টবেঙ্গলের চিঠি নিয়ে কটাক্ষ করল মোহনবাগান। ৯ ডিসেম্বর বিতর্কিত ডার্বি ম্যাচের পর ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যাণ মজুমদারের মন্তব্য করেছিলেন, তিনি চান বাংলা ফুটবলের স্বার্থে মোহনবাগান যেন নির্বাসিত না হয়।

ভয়ে অনুশীলনে ছুটি ওডাফাদের, মন উড়ু উড়ু ফুটবলারদের

বর্ষবরণের ছুটি নাকি সমর্থকদের ভয়? নির্বাসিত মোহনবাগানের অনুশীলন থেকে আগামি সোম ও মঙ্গলবার ছুটি দেওয়া হল ফুটবলারদের। কারণ অবশ্য এখনও কিছুই জানানো হয়নি। বিশেষ সূত্রের খবর,অবশ্য সমর্থকদের বিক্ষোভের ভয়েই নাকি এই সিদ্ধান্ত। নির্বাসনের পর দুদিন ধরে মোহনবাগান সমর্থকরা ক্লাবতাঁবুতে এসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। এমনকি ক্লাবের সচিব ও অর্থসচিবও রেহাই পাননি এই বিক্ষোভ থেকে।

বিক্ষোভের মুখে বাগান কর্তারা, ক্রীড়ামন্ত্রীর সমর্থন

আই লিগ থেকে নির্বাসনের পর মোহনবাগান সমর্থকরা ক্ষোভে ফেটে পড়লেন। ক্লাব কর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ একেবারে চরমে উঠল। মোহনবাগান ক্লাব চত্ত্বরে কয়েকশো সমর্থক মুখে কালো কাপড়, স্লোগান তুলে কর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখান। এমনকী ক্লাবে ঢুকতেও বাধা পান সচিব অঞ্জন মিত্র। বাদ যাননি অর্থ সচিব দেবাশিষ দত্তও। ফেসবুকেও বেশ কয়েকজন মোহন সমর্থককে ক্লাব কর্তাদের বিরুদ্ধে সরব হলেন।

মোহনবাগান নির্বাসনে, কী বলছেন দু দলের সমর্থকরা

আই লিগে কলকাতার ডার্বি ম্যাচে খেলার মাঝপথে দল তুলে নেওয়ায় দু বছর ভারতের সেরা এই ফুটবল প্রতিযোগিতায় খেলতে পারবে না মোহনবাগান। এই সিদ্ধান্তের পর গোটা রাজ্য উত্তাল। শহরে বিক্ষোভও হল। ফেসবুক, টুইটার দেশের ফুটবলপ্রেমীদের প্রতিক্রিয়ার ঢেউ আছড়ে পড়ল। চলুন এক নজরে দেখেনি মোহনবাগান সমর্থক, আর ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা কি বলছেন।

রিপোর্টে দোষী মোহনবাগান, নির্বাসনের মুখে সবুজ মেরুন

শেষ পর্যন্ত কি আই লিগ থেকে নির্বাসিত হতে চলেছে মোহনবাগান! বৃহস্পতিবার কলকাতার ডার্বি কাণ্ডের রিপোর্ট ফেডারেশনের কাছে জমা পরার পর এমন কথাই খুব জোরালভাবে উঠতে চলেছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক কুমার গাঙ্গুলি রিপোর্টে দোষী সাব্যস্ত করা হয় মোহনবাগানকে। তার মানে দাঁড়াল খেলার মাঝপথে দল তুলে নেওয়ার অপরাধে নিয়ম মেনে মোহনবাগানকে আই লিগ থেকে নির্বাসিত করা হবে। তবে সেই শাস্তি ঠিক কী হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছে।

ডার্বি কাণ্ডের ম্যারাথন শুনানি,`ব্যাকফুটেই` থাকল মোহনবাগান

সোমবার নয়া দিল্লিতে ডার্বি কাণ্ডের শুনানি হল। দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ ঘন্টা চলা এই শুনানির প্রথম দিকে মূলত ম্যাচের গণ্ডগোলের ভিডিও দেখেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক কুমার গাঙ্গুলি। তারপর মোহনবাগান এবং ফেডারেশন, দুই পক্ষেরই বক্তব্য শোনেন বিচারপতি। মোহনবাগানের বক্তব্য ছিল ডার্বি ম্যাচের দিন মাঠে নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। গ্যালারি থেকে ছোঁড়া ঢিলে তাঁদের এক ফুটবলার আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন। এই অবস্থায় দল তুলে নেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না তাঁদের কাছে। এব্যাপারে ফিফার সংবিধানও উদ্ধৃত করেন তাঁরা।

ডার্বি কাণ্ড নিয়ে শুনানি সাত দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন মোহনবাগানের

বৃহস্পতিবার বিচারপতি অশোককুমার গাঙ্গুলির সঙ্গে দেখা করতে যান মোহনবাগানের সচিব অঞ্জন মিত্র এবং অর্থসচিব দেবাশিস দত্ত। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের আইনজীবী উষানাথ ব্যানার্জিও। ডার্বি কাণ্ড নিয়ে শুনানি সাত দিন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য বিচারপতিকে অনুরোধ করেন মোহনবাগান কর্তারা। কিন্তু দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে চান বলে রাজি হননি বিচারপতি।