শনিবারের ডার্বিতে স্ট্র্যাটেজিতে বাজিমাত করতে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন দুদলের কোচই শনিবারের ডার্বিতে স্ট্র্যাটেজিতে বাজিমাত করতে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন দুদলের কোচই

শনিবারের ডার্বিতে স্ট্র্যাটেজিতে বাজিমাত করতে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন দুদলের কোচই। একদিকে মোহনবাগান কোচ সঞ্জয় সেন ঘরোয়া লিগের হারের বদলা নিতে মরিয়া। অন্যদিকে বিশ্বজিত ভট্টাচার্যও চান জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে। সঞ্জয় সেন আর বিশ্বজিত ভট্টাচার্য। শনিবারের ডার্বিতে  দুই বন্ধু দুই চিরপ্রতিন্দন্দ্বী দলের কোচ। ঘরোয়া লিগে মরসুমের প্রথম ডার্বিতে আই লিগ জয়ী সঞ্জয় সেনকে টেক্কা দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ বিশ্বজিত ভট্টাচার্য। তরুণ ব্রিগেড নিয়ে চার গোল হজম করতে হয়েছিল সঞ্জয় সেনকে। সেই দিন থেকে শনিবারের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন বাগান কোচ। কেননা এই ম্যাচ আদতে সঞ্জয় সেনের জ্বালা মেটাবার ম্যাচ। ফুটবলার হিসাবে কখনও বড়ম্যাচ খেলেননি বাগান কোচ। উল্টোদিকে ফুটবলার  হিসাবে ডার্বিতে পোড়খাওয়া বিশ্বজিত ভট্টাচার্য। শনিবারের বড়ম্যাচের আগে এটাকে গুরুত্বই দিচ্ছেন না সঞ্জয় সেন। একইসঙ্গে লিগের বড়ম্যাচে জয়কে মাথায় না রেখে শনিবারের ম্যাচ নিয়েই মনোনিবেশ করতে চান বিশ্বজিত ভট্টাচার্য।

আইলিগের ডার্বিতে শুরু থেকে নাও খেলতে পারেন ইস্টবেঙ্গলের ডো ডং আইলিগের ডার্বিতে শুরু থেকে নাও খেলতে পারেন ইস্টবেঙ্গলের ডো ডং

আইলিগের ডার্বিতে শুরু থেকে নাও খেলতে পারেন ইস্টবেঙ্গলের গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার ডো ডং। শুক্রবার দলের সঙ্গে অনুশীলন করলেও হাঁটুর পুরনো ব্যথা নিয়ে ডং ক্লাব ছাড়ায় চিন্তা বেড়েছে কোচের। বড় ম্যাচের আগে দুশ্চিন্তার কালো মেঘ ইস্টবেঙ্গলের আকাশে। হাঁটুতে ফের ব্যাথা নিয়ে ক্লাব ছাড়লেন ডো ডং। পুরনো জায়গায় ব্যথার কারণে ভারতের ক্লাব ফুটবলের সেরা ম্যাচে ডংয়ের নব্বই মিনিট খেলা বেশ অনিশ্চিত। র‍্যান্টি,মেহতাবদের সঙ্গে শুক্রবার পুরোটা সময় অনুশীলন করেন এই কোরিয়ান। আলাদা করে ফ্রিকিক প্রাকটিসও করেন। তবে পুরোটাই রবারের স্পাইক পরে। অনুশীলন শেষে ড্রেসিংরুমে গিয়ে কোচের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন ডং। হাঁটুতে ব্যথার কথা তখনই জানান কোচকে। ডংয়ের ফিটনেস সমস্যার জন্য প্রথম একাদশ নিয়ে নতুন করে ভাবছেন বিশ্বজিত।

 শনিবারই নতুন মরসুমে প্রথমবার মোহনবাগান জার্সিতে নামবেন সোনি শনিবারই নতুন মরসুমে প্রথমবার মোহনবাগান জার্সিতে নামবেন সোনি

হাইতিতে বসে ঘরোয়া লিগের ডার্বিতে নিজের দলের হার দেখেছিলেন সোনি নর্ডি। সেই ম্যাচে বিশ্বজিত ভট্টাচার্যের দলের কাছে কার্যত আত্মসমর্পন করতে হয়েছিল বাগানের তরুণ ব্রিগেডকে। সেই হার এখনও ভোলেননি হাইতিয়ান তারকা। শনিবারই নতুন মরসুমে প্রথমবার মোহনবাগান জার্সিতে নামবেন সোনি। সেটাও আবার বড়ম্যাচ। ঘরোয়া লিগের হারের ডার্বিতে হারের বদলা নেওয়ার জন্য মোহনবাগান জনতা তাকিয়ে আছেন সোনির দিকে। ডার্বিতে মাঠে নামার আগে হাইতিয়ান তারকা বলছেন,শনিবারই তো আসল ডার্বি। তবে বড়ম্যাচের থেকে আই লিগ খেতাবকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন সোনি।

ছোটদের ডার্বিকে ঘিরে উত্তেজনা ছিল প্রবল ছোটদের ডার্বিকে ঘিরে উত্তেজনা ছিল প্রবল

জুনিয়র ডার্বিতে উত্তেজনা। তার জেরে প্রথমার্ধের শেষদিকে কয়েক মিনিটের জন্য খেলা বন্ধ থাকল মোহনবাগান মাঠে। রবিবার খেলার শুরু থেকেই উত্তেজনা ছিল। তবে মোহনবাগান মাঠে পর্যাপ্ত পুলিসের ব্যবস্থা ছিল। প্রথমার্ধের শেষদিকে ইস্টবেঙ্গলের দ্বিতীয় গোলের পর মোহনবাগান গ্যালারিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ মোহনবাগান গ্যালারি থেকে ইস্টবেঙ্গল রিজার্ভ বেঞ্চকে উদেশ্য করে ঢিল ছোঁড়া হয়। ফলে রেফারি খেলা বন্ধ রাখতে বাধ্য হন। মোহনবাগান সমর্থকদের পাল্টা দাবি লাল-হলুদের দ্বিতীয় গোলের পর বিপক্ষ কোচিং স্টাফেরা তাদের উদেশ্য করে বিশ্রী অঙ্গভঙ্গি করেছেন। যদিও পুলিস দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিলে পুনরায় খেলা শুরু হয়। খেলা শেষ হওয়ার পরও মোহনবাগান মাঠ সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা ছিল। তবে পুলিস সক্রিয় থাকায় বড় ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

শিল্ড সেমিফাইনালের ডার্বি জ্বরে কাঁপছে কলকাতা

আজ, রবিবার আইএফএ শিল্ডের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল। ফ্লাডলাইটে হতে চলা এই ম্যাচ ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। চলতি মরসুমে ইতিমধ্যেই দুটি ডার্বির সাক্ষী থেকেছে কলকাতা। যার মধ্যে একটি ভেস্তে গিয়েছে দর্শক হাঙ্গামায়। দ্বিতীয়টিতে আয়োজক মোহনবাগান টিকিটের দাম অনেকটা বাড়িয়ে দেওয়ায় মাঠে দর্শক সংখ্যা একেবারেই ডার্বিসুলভ ছিল না। আই লিগে সেই ডার্বি ম্যাচ গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয়। এবার আইএফএ শিল্ডের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ফের মুখোমুখি কলকাতার দুই ফুটবল দৈত্য। যেখানে টিকিট বিক্রি থেকে শুরু করে দর্শক নিরাপত্তা সব দায়িত্বই রাজ্য ফুটবলের নিয়ামক সংস্থার। টিকিট বিক্রির বর্তমান পরিস্থিতিতে যুবভারতী পরিপূর্ণ হওয়ারই পূর্বাভাস মিলছে।