এবার ভূমিকম্পের আগাম জানান দেবে স্মার্টফোন

এবার ভূমিকম্পের আগাম জানান দেবে স্মার্টফোন

ভূমিকম্পের কম্পনে আপনি কেঁপে ওঠার ঠিক আগেই আপনার স্মার্টফোন বলে দেবে আপনি কাঁপতে চলেছেন। হ্যাঁ, এমন এক নতুন অ্যাপ তৈরি করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী। এই অ্যাপটি ভূমিকম্পের আগাম আঁচ বা সেনসর হিসেবে কাজ করে মানষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করবে। এই অ্যাপটির নাম মাই সেক (MyShake)। ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি এবং ডয়েচ টেলিকম এজি-র গবেষকরা এই অ্যাপটি তৈরি করেছেন স্মার্টফোনের মোশন সেন্সরের মাধ্যমে।

 টেকটোনিক প্লেটের আন্দোলনে ভূমিকম্প হয় চাঁদেও টেকটোনিক প্লেটের আন্দোলনে ভূমিকম্প হয় চাঁদেও

পৃথিবীর মতই ভূমিকম্পের জেরে কাঁপে পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদও। চন্দ্রপৃষ্টের অভ্যন্তরের টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া একই ভাবে সেখানেও ভূমিকম্পের কারণ হয়ে  ওঠে।

মেয়েরা জিনস পড়ছে, তাই ভূমিকম্প হচ্ছে, মন্তব্য JUI-F প্রধানের মেয়েরা জিনস পড়ছে, তাই ভূমিকম্প হচ্ছে, মন্তব্য JUI-F প্রধানের

ভূমিকম্পের আসল কারণ যাই হোক না কেন সে বিষয়ে এর আগে অনেকেই 'বিচিত্র' মতামত দিয়েছেন। কেউ বলেছেন গোরু খাওয়ার ফলেই নাকি কাঁপছে মাটি, কেউ বলেছিলেন নির্দিষ্ট ধর্মের ছাতার তলায় না গেলে এভাবেই 'ঈশ্বরের' রোষানলে পড়তে হবে। এবার নয়া এক 'আজগুবি' তত্ত্বের হদিশ পাওয়া গেল। ইসলামাবাদে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে জামিয়াত উলেমা-ই-ইসলামি ফজল (JUI-F)-এর মুখ্য মৌলনা ফজলুর রহমান বললেন মেয়েদের জিনস পড়াই ভূমিকম্পের মত বিপর্যয়ের কারণ। তিনি দাবি করেছেন, পাক সরকার যেন সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে এখনই একটি মিলিটারি অপরেশন করে সে দেশে মহিলাদের জিনস পড়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।   

চিনের ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃত অন্তত ১৯৫, আহত ১০,৫০০

চিনের সিচুয়ান প্রদেশে ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৯৫ জনের। আহতদের সংখ্যা প্রায় ১০,৫০০ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশাসনের তরফে শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। রয়েছেন সেনাবাহিনীর জওয়ানারাও।

তীব্র ভূমিকম্পে চিনে মৃত ১১৩, আহত অন্ত্যত ৩০০০

তীব্র ভূকম্পনে কেঁপে উঠল চিন। শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা দুই নাগাদ দক্ষিণ পশ্চিম চিনের সিচুয়ান প্রদেশে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ইতিমধ্যেই ১১৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত ৩০০০-র বেশি মানুষ। হতাহতের সংখ্যা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত,  ২০০৮-এ এই সিচুয়ান প্রদেশেই ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৯০,০০০ মানুষ।