পাঠানের ব্যাট জাগল দেরিতে, নাইটদের প্লেঅফের স্বপ্ন এখনও অলীক

শুক্রবার ইডেনে কলকাতা নাইট রাইডার্স খুব সহজে জয় ছিনিয়ে নিল রাজস্থানের কাছ থেকে। রাজস্থানের বিরুদ্ধে দূরন্ত জয়ের পর নাইট সমর্থকদের মধ্যে এখন একটাই আপসোস। ঘুম ভাঙতে দেরী হয়ে গেল না তো! কুম্ভকর্ণের ঘুম ভাঙতে লাগত ছ`মাস। শুক্রবার রাতে গম্ভীরের দেখে মনে হল ঘুম ভাঙল এগারো ম্যাচ পর। এই যে ইউসুফ পাঠান নাইট জার্সিতে সর্বোচ্চ রান করলেন, কালিসকে দেখে মনে হল, এইতো সেই মিস্টার স্পেশাল কিংবা দলের ফিলডিং দেখে মনে হল করার.. লড়ার... জেতার ইচ্ছা আছে। এই সবই মনে হল ১১ ম্যাচ পর। দুর্গা প্রতিমাকে দশমীতে সিঁদুর রাঙানোর পর যখন বিসর্জনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়, তখন যদি কেউ অষ্টমীর পুষ্পাঞ্জলির মন্ত্র পড়ে, এই অবস্থাই হয়েছে নাইটদের। এখন নাইটদের সেই দশা। বাকি পাঁচটা ম্যাচে সবকটা জিতলেও প্লে অফে ওঠা নিশ্চিত নয়। নাইটদের ভাগ্য পুরোটাই এখন নির্ভর করছে অন্যদের খারাপ খেলার উপর।

'বীরেন্দ্র' বিক্রমে সেওয়াগের শতরান

মোতেরা তাঁকে শূন্য হাতে ফেরায় না। বৃহস্পতিবার আরও একবার তারই প্রমাণ মিলল। রানের খরা কাটিয়ে ফেলে আবার স্বমহিমায় হাজির বীরেন্দ্র সহবাগ। ইংল্যন্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে প্রথম দিনই সেরে ফেললেন নিজের ২৩ তম শতরান। কাকতালীয় ভাবে মোতেরার এই মাঠেই বিরু শেষ শতরান করে ছিলেন। সেই ২০১০-এ। সেদিন প্রতিপক্ষ ছিল নিউজিল্যান্ড। আজ ইংল্যান্ড। সেঞ্চুরি করতে তিনি নিলেন মাত্র ৯০ টা বল। রাজকীয় ভঙ্গিমায় চার মেরে পেরিয়ে গেলেন কাঙ্ক্ষিত ১০০ রানের চৌকাঠ।  প্রতীক্ষিত  ভারত-ইংল্যন্ড প্রথম টেস্ট শুরু হয়ে গেল। আহমেদাবাদে আজ টসে জিতে ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। দিনের শুরু থেকেই মোতেরার ব্যাটিং সহায়ক পিচে বীরু-গোতি ম্যাজিক। ভারতীয় ইনিংসের যথাযত সূচনা করলেন এই দুজন। এই দুই মহারথীর ব্যাটে ভর করে মধ্যাহ্ন ভোজনের আগে টিম ইন্ডিয়ার স্কোর ছিল বিনা উইকেটে ১২০।  লাঞ্চের পরে আবার শুরু বিরু জাদু। ব্যক্তিগত ৪৫ রানের মাথায় সোয়ানের বলে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান গম্ভীর। কিন্তু জুরিদার চলে গেলেও থেমে থাকেনি সহবাগের ব্যাট।