আইপিএল স্পট ফিক্সিং কাণ্ড: কে সেই রহস্যময় তৃতীয় ব্যক্তি?

আইপিএল স্পট ফিক্সিং কাণ্ড: কে সেই রহস্যময় তৃতীয় ব্যক্তি?

কে সেই রহস্যময় তৃতীয় ব্যক্তি? প্রশ্ন এখন সেটাই। মুদগম কমিটির রিপোর্টে উল্লেখিত আইপিল স্পট ফিক্সিং সংক্রান্ত বড় বড় কিছু নাম এর মধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য আর যে ব্যক্তির নাম এই রিপোর্টে আছে এখন তাঁকে নিয়েই রহস্য ঘনীভূত।

মুদগল কমিটির রিপোর্টের জের, ওয়ার্কিং কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকল বিসিসিআই মুদগল কমিটির রিপোর্টের জের, ওয়ার্কিং কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকল বিসিসিআই

মুদগল কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের শুনানির পরই জরুরি ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডাকল বিসিসিআই। আঠেরোই নভেম্বর শ্রীনিবাসনের শহর চেন্নাইতে বৈঠকে বসছেন বোর্ড কর্তারা।

মুদগল কমিটি রিপোর্টে উল্লেখিত শ্রীনি, কুন্দ্রা, মেয়াপ্পান, বিনি সহ ৭ জনের নাম ফাঁস সুপ্রিমকোর্টের  মুদগল কমিটি রিপোর্টে উল্লেখিত শ্রীনি, কুন্দ্রা, মেয়াপ্পান, বিনি সহ ৭ জনের নাম ফাঁস সুপ্রিমকোর্টের

স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে মুদগল কমিটিতে উল্লেখিত ১৩ জনের মধ্যে ৭ ব্যক্তির নাম জানাল শীর্ষ আদালত। সুপ্রিমকোর্ট জানিয়েছে মুদগল কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী ২ ক্রিকেটার সহ এই ৭ ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে। এই তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন বোর্ড প্রেসিডেন্ট বর্তমান আইসিসি চেয়ারম্যান এন শ্রীনিবাসন, তাঁর জামাই ও চেন্নাই সুপার কিংস-এর অন্যতম কর্মকর্তা গুরুনাথ মেয়াপ্পান, রাজস্থান রয়্যালসের অন্যতম মালিক রাজ কুন্দ্রা, আইপিএল সিইও সুন্দর রামান, স্যামুয়েলের। নাম রয়েছে বর্তমান ভারতীয় দলের সদস্য স্টুয়ার্ট বিনি, প্রাক্তন ব্রিটিশ ক্রিকেটার ওয়েইস শাহের।    

আপাত স্বস্তিতে শ্রীনি, স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে পিছিয়ে গেল সুপ্রিমকোর্টের রায় আপাত স্বস্তিতে শ্রীনি, স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে পিছিয়ে গেল সুপ্রিমকোর্টের রায়

ঝুলে রইল এন শ্রীনিবাসনের ভাগ্য। মায়াপ্পন, রাজ কুন্দ্রাদের নিয়েও কোনও সিদ্ধান্ত হল না। আইপিএলে স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি পিছিয়ে গেল শুক্রবার পর্যন্ত।

বোর্ড সভাপতির পদ থেকে গাভাসকরকে অব্যাহতি দিল সুপ্রিম কোর্ট বোর্ড সভাপতির পদ থেকে গাভাসকরকে অব্যাহতি দিল সুপ্রিম কোর্ট

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতির পদ থেকে সুনীল গাভাসকরকে অব্যাহতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। অন্তর্বর্তী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন শিবলাল যাদব। এর আগে গাভাসকর চিঠি লিখে শীর্ষ আদালতকে অনুরোধ করে বোর্ড যেন অন্তর্বর্তী সভাপতি হিসেবে তাঁর পাওনা টাকা মিটিয়ে দেয়। আইপিএল বিতর্কের জেরে বোর্ড সভাপতির পদ থেকে এন শ্রীনিবাসনকে সরিয়ে গাভাসকরকে নিয়োগ করেছিল আদালত।

জামাইয়ের প্রাপ্তি ক্লিনচিট, প্রত্যাবর্তনের পথ প্রশস্ত শ্রীনির

এন শ্রীনিবাসনের প্রত্যাবর্তনের পথ পরিষ্কার করল বিসিসিআই-এর দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটি আইপিএল স্পট ফিক্সিং থেকে ক্লিনচিট দিল শ্রীনির জামাই গুরুনাথ মেইয়াপ্পনকে। এই রিপোর্ট অনুযায়ী শ্রীনির দল চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধেও ফিক্সিং কাণ্ডের কোনও তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ছাড় পেয়েছেন শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজস্থান রয়্যালসের অন্যতম মালিক রাজ কুন্দ্রাও।

শিল্পা-পতির সঙ্গে শ্রীনির জামাইকে ক্লিনচিট দিল বোর্ড

আজ বোর্ডের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আইপিএলে স্পট ফিক্সিং মামলার তদন্ত রিপোর্ট পেশ করা হয়। রবি সাওয়ানির রিপোর্টের ভিত্তিতে আলোচনা হয় এই বৈঠকে। বৈঠকে রিপোর্ট পড়ে শোনান অরুণ জেটলি। রিপোর্টে রাজ কুন্দ্রা, ইন্ডিয়া সিমেন্টস এবং রাজস্থান রয়্যালসকে ক্লিনচিট দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এমনকি শ্রীবিনাসনের জামাই মেয়াপ্পানেরও স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে রিপোর্টে উল্লেখ আছে বলে সূত্রের খবর।

নিজেকে দক্ষিণ বিরোধী লবির শিকার বলে দাবি শ্রীনির

এতদিন যাঁর নামের সঙ্গে এক নিঃশ্বাসে স্বজনপোষন, লবিইং, গোষ্ঠীতন্ত্রের মত শব্দ গুলো উচ্চারিত হত, সেই তিনিই কিনা নিজেকে লবির শিকার বলে দাবি করলেন! বিসিসিআই-এর একদা দোর্ডণ্ড প্রতাপ সভাপতি এন শ্রীনিবাসন ফিক্সিং কেলেঙ্কারির জেরে কুর্সি হারাবার কিছুদিনের মধ্যেই এমনই অদ্ভুত ঘোষণা করলেন। দাবি করলেন বিসিসিআই-এর অভ্যন্তরে দক্ষিণ বিরোধী লবির ষড়যন্ত্রের শিকার তিনি।

শর্তাধীন জামিনে মুক্ত গুরুনাথ ও বিন্দু

আইপিএলে স্পটফিক্সিং কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রাক্তন বোর্ড সভাপতি শ্রীনিবাসনের জামাই গুরুনাথ মেয়াপ্পন ও তাঁর সঙ্গী অনামী অভিনেতা বিন্দু দারা সিং অবশেষে আজ শর্তাধীন জামিন পেলেন। মুম্বইয়ের একটি আদালতে ২৫ হাজার টাকার ব্যক্তিগত জামিনে মুক্তি পেলেন মেয়াপ্পান। তবে তদন্ত চলাকালীন এই দু`জনের কেউই দেশের বাইরে যেতে পারবে না বলে আদালতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সপ্তাহে দু`দিন গুরুনাথ ও বিন্দুকে তদন্তকারী অফিসারের কাছে গিয়ে হাজিরা দিতে হবে।

জেল হেফাজতে শ্রীনির জামাই ও তাঁর সঙ্গী

আজ শ্রীনিবাসনের জামাই গুরুনাথ মেয়াপ্পান ও দারা সিংয়ের পুত্র বিন্দু দারা সিংয়কে চলতি মাসের ১৪ তারিখ অবধি জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল মুম্বইয়ের একটি আদালত। আইপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে গত মাসে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই মেয়াপ্পন ও বিন্দুকে দফায় দফায় জেরা করেছে মুম্বই পুলিস। এই দুজনের সঙ্গেই জেরা করা হয়েছে চেন্নাইয়ের হোটেল ব্যবসায়ী বিক্রম আগরওয়ালকে।

এবার স্ক্যানারের তলায় ক্যাপ্টেন কুলের ব্যবসায়িক স্বার্থ

আইপিএলের স্পট ফিক্সিং কাণ্ড ভারতীর ক্রিকেটে দূর্নীতির যে প্যান্ডোরার বাক্সটা খুলে দিয়েছে তা থেকে প্রত্যেক দিনই নতুন নতুন চমক তৈরি হচ্ছে। সেই চমকের খাতায় এবার নাম লেখালেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। একটি স্পোর্টস মার্কেটিং সংস্থা দাবি করল

ফিক্সিং কাণ্ড: ২২ গজ ছেড়ে শ্রীসন্থের ঠিকানা আপাতত তিহারের জেল কুঠরি

আইপিএলে স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে গ্রেফতার রাজস্থান রয়্যালসের দুই ক্রিকেটার এস শ্রীসন্থ ও অজিত চান্ডিলার ৪ জুন অবধি জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল দিল্লি হাই কোর্ট। ততদিন অবধি তিহার জেলই ঠিকানা বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য শ্রীসন্থের।

স্পট ফিক্সিং কাণ্ড: এবার চিত্রনাট্যে এক হোটেল ব্যবসায়ী

আইপিএল স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে রোজ রোজ নতুন রহস্যের উন্মোচন হচ্ছে। আবার সেই উন্মোচিত রহস্যের কোটর থেকেই নতুন রহস্যের সূত্রপাত হচ্ছে। শ্রীসন্থ সহ রাজস্থান রয়্যালসের তিন ক্রিকেটার গড়াপেটা কাণ্ডে পুলিসের জালে ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে যে প্যান্ডোরার বাক্সটা খুলে গিয়েছিল এখনও তার থেকে নিত্যনতুন অপরাধের অন্ধগলি সামনে বেরিয়ে আসছে। সেই রকমই আর এক অন্ধ গলির সন্ধান পাওয়া গেল শ্রীনির ধৃত জামাই গুরুনাথ মেয়াপ্পানকে জেরা করে। তিনি এবং তাঁর ফিক্সিং সাথী বিন্দু দারা সিংকে জেরা করে পুলিস গড়াপেটা কাণ্ডে জড়িত হায়দরাবাদবাসী এক হোটেল ব্যবসায়ীর নাম জানতে পেরেছে।

গদি বাঁচাতে জামাইকে বলি দিলেন শ্রীনিবাসন

শেষপর্যন্ত শ্রীনির জামাইকে সাসপেন্ড করল বিসিসিআই। আইপিএল স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে ইতিমধ্যেই পুলিসি হেফাজতে গুরুনাথ মেয়াপ্পান। বিসিসিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখায় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ক্রিকেট সম্পর্কিত কোনও কিছুর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না গুরুনাথ মেয়াপ্পন। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা নিজের কুর্শি বাঁচাতে জামাইকে নির্বাসনে পাঠালেন শ্রীনি। উদ্দেশ্য অবশ্যই নিজের ইমেজ বাঁচানো।

আজ আইপিএল ফাইনাল দেখবেন কি?

গড়াপেটা কেলেঙ্কারির জেরে ভারতীয় ক্রিকেট এখন অদ্ভুত এক সন্ধিক্ষণে। গত সপ্তাহে স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে শ্রীসন্থ সহ আরও দুই ক্রিকেটারের গ্রেফতারের সঙ্গে সঙ্গে খুলে গেছে অদ্ভুত এক প্যান্ডোরার বাক্স। প্রত্যেকদিন সেই বাক্স থেকে বেরিয়ে আসছে নতুন কিছু অপরাধ, কিছু পাপ, যা ক্রিকেট খেলাটাকেই আসতে আসতে বেশি খাদের কিনারে নিয়ে যাচ্ছে। শ্রীসন্থরাতো শুধু সেই বাক্সের দরজার সামনে বসে ছিলেন, কে জানতো তাঁদের সূত্র ধরেই বিনোদনী ক্রিকেটের এই কদর্য রূপ সামনে চলে আসবে? বি কোম্পানি থেকে বলিউডি কানেকশন, বুকি সাম্রাজ্য কিছুই আর বাদ নেই।