ফের দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিষমদে মৃত্যু, কুলতলিতে মৃত ৬

ফের দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিষমদে মৃত্যু, কুলতলিতে মৃত ৬

ফের দক্ষিণ চব্বিশপরগনায় বিষমদে মৃত্যু। কুলতলিতে গত শুক্রবার থেকে এপর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের।

বিষমদ খেয়ে ৬ জনের মৃত্যু জয়নগরে

গতকাল ফের বিষ মদে মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। এবার জয়নগরে। জয়নগরের বেলিয়াচণ্ডী এলাকায় মৃত্যু হয়েছে ছয় জনের। অসুস্থ চারজন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বছর ঘুরেও ক্ষতিপূরণ সেই তিমিরেই

কেটে গেছে গোটা একটা বছর। একবছর আগের এই দিনটাতেই বিষাক্ত মদ কেড়ে নিয়েছিল ১৭৩ জনের প্রাণ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সংগ্রামপুর, মগরাহাট, মন্দিরবাজার এলাকাগুলি গ্রাস করেছিল স্বজনহারানোর বেদনা। গ্রেফতার হয়েছে বিষ মদ তৈরির পাণ্ডা খোঁড়া বাদশা সহ বেশ কয়েকজন।

বিষমদ কাণ্ডে ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশ বাড়ল

সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে হাইকোর্টের নির্দেশে, ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও ৬ সপ্তাহ বাড়ল। গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্য সরকারের ঘোষিত ক্ষতিপূরণের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে আদালত। বিষমদ কাণ্ডে সরকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করার পর হাইকোর্টে দুটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। একটি মামলায় ক্ষতিপূরণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

বিষমদকাণ্ডে পেশ হল চার্জশিট

সংগ্রামপুর বিষমদকাণ্ডে চার্জশিট পেশ করল সিআইডি। মূল অভিযুক্ত খোঁড়া বাদশাসহ মোট ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে চার্জশিটে। শনিবার ডায়মণ্ডহারবার মহকুমা আদালতে চার্জশিট জমা পড়ে।

সাক্ষীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠল সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে

সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত খোঁড়া বাদশাকে আড়াল করতে, সাক্ষীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এই মর্মে ইতিমধ্যেই মগরাহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রাজ্য সরকারের ক্ষতিপূরণ

সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে নিহতদের পরিবার পিছু ক্ষতিপূরণের সরকারি সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি জে এন প্যাটেল ও বিচারপতি সম্বুদ্ধ চক্রবর্তীর বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। বিষমদ কাণ্ড নিয়ে তাদের নীতি স্পষ্ট করতে বলে, রাজ্য সরকারকে ৪ সপ্তাহ সময় দিয়েছে হাইকোর্ট। রিপোর্ট তলব করা হয়েছে আবগারি দফতর এবং সিআইডির কাছ থেকেও।  

চোলাই মদ কাণ্ডে ফের বামফ্রন্টকে দুষলেন মুখ্যমন্ত্রী

আগের সরকারই রাজ্যের প্রায় প্রতিটি ব্লকে চোলাইয়ের ঠেক খোলার ব্যাপারে সরকারিভাবে মদত জুগিয়েছে। এই অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষমদকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনচেতনা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে আজ এক পদযাত্রায় সামিল হন মুখ্যমন্ত্রী।

খোঁড়া বাদশার ২ সহযোগী ধৃত

বিষমদ কাণ্ডে অভিযুক্ত খোঁড়া বাদশার মূল সহযোগী আবু বক্কর সহ চারজনকে গ্রেফতার করল সিআইডি। ধৃতদের মধ্যে খোঁড়া বাদশার স্ত্রী নুরজাহানও রয়েছে। গতকাল ক্যানিংয়ের বিদ্যাধরী কলোনী থেকে সিআইডি তাদের গ্রেফতার করে।

ব্যর্থ সর্বদল

বিষমদকাণ্ডে শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিতর্কিত মন্তব্যের জল গড়াল বিধানসভার সর্বদল বৈঠকেও। সরকারপক্ষ মন্তব্য প্রত্যাহার করতে রাজি না হওয়ায় সর্বদল বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করল বামেরা। বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রের অভিযোগ, কুত্সামূলক এই অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য তাঁরা সরকার পক্ষকে বুঝিয়েছেন।

বিষমদ কাণ্ডে পুলিসি রদবদল

সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে পুলিসে ব্যাপক রদবদল করা হল। এই কাণ্ডের আজই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে উস্তি থানার ওসি দেবব্রত সেনকে। আপাতত মগরাহাটের সার্কেল ইনস্পেক্টর সোমদেব বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওই থানার দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে।

বিষমদকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাল এসইউসিআই

সংগ্রামপুরের বিষমদকাণ্ডের প্রতিবাদে মগরাহাট থানার সামনে বিক্ষোভ দেখাল স্থানীয় এসইউসিআইয়ের বিভিন্ন গণসংগঠন। চোলাই মদের কারবারে প্রশাসনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদতের প্রতিবাদে মিছিল করে এসইউসিআইয়ের সংগঠনগুলি।

সংগ্রামপুরে প্রশাসনিক গাফিলতি?

আমরি কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনের সবরকম সাহায্য পেয়েছিল হতভাগ্য পরিবারগুলি। কিন্তু সংগ্রামপুরের বিষ মদ কাণ্ডে প্রশ্নের মুখে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনের ভূমিকা। বিষমদে মৃতের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ১৪৩। কিন্তু ঘটনার পর প্রায় দেড়দিন পেরিয়ে গেলেও ঘটনাস্থলে যাননি মুখ্যমন্ত্রী।