উপাচার্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে শুরু মানবাধিকারের তদন্ত

প্রেসিডেন্সিকাণ্ডে আজ থেকে পৃথক তদন্ত শুরু করল রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। ভাঙচুরের ঘটনার তদন্তে আজ প্রেসিডেন্সিতে গেলেন মানবাধিকার কমিশন নিযুক্ত তদন্ত কমিটির প্রধান অমল মুখোপাধ্যায়। উপাচার্য মালবিকা সরকারের সঙ্গে কথা বলেন অমল মুখোপাধ্যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তিনি। এরপর বেকার ল্যাব ঘুরে দেখতে পারেন অমল মুখোপাধ্যায়।

গানে, কথায়, চোখের জলে স্মরণে সুদীপ্ত

নজরল মঞ্চে সুদীপ্ত গুপ্তের স্মরণসভা। গানে, কথায়, চোখের জলে নিহত ছাত্রনেতাকে স্মরণ করলেন সবাই। উপচে পড়া ভিড়ে অনেকেই ভিতরে জায়গা পেলেন না। বাইরে সুদীপ্তর ছবিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন তাঁরা।

মানবধিকার কমিশনে সুদীপ্তর মৃত্যুর রিপোর্ট জমা দিতে ব্যর্থ পুলিস

আজ মানবাধিকার কমিশনে সুদীপ্ত গুপ্তের মৃত্যু রহস্যের তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে পারছে না কলকাতা পুলিস। ফরেনসিক রিপোর্ট না আসাতেই তদন্ত শেষ হয়নি বলে দাবি পুলিসের। সেক্ষেত্রে অসমাপ্ত তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়ে বাড়তি সময় চাইতে পারে পুলিস।

সুদীপ্তর মৃত্যু নিয়ে কাটছে না ধোঁয়াশা, শ্লথ তদন্ত

সুদীপ্ত গুপ্তর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তদন্তকারীদের মধ্যেই বেশ কিছু ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ফলে তদন্তের কাজও খুব বেশি দূর এগোয়নি। অন্যদিকে এই ঘটনাতেই আজ রাজ্য মানবাধিকার কমিশনে গিয়ে বয়ান দিয়েছেন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ডোনা গুপ্ত। সুদীপ্তর মৃত্যুতে মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। বাসচালকের বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালানো এবং গাফিলতির কারেণে খুনের দায়ে মামলা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানের ভিত্তিতে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের হয়েছে। আর এসএফআই কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে সংঘর্ষ এবং খুনের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে।

ল্যাম্পপোস্টে ধাক্কা? হিসেব মিলছে না পুলিসের তত্ত্বের

ল্যাম্পপোস্টে ধাক্কা লেগেই সুদীপ্ত গুপ্তর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন পুলিসকর্তারা। সেই দাবির পক্ষে ময়নাতদন্তের রিপোর্টকেও হাতিয়ার করেছেন তাঁরা। কিন্তু বেশকিছু প্রশ্নের উত্তর মিলছে না। যে কারণে সুদীপ্তর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য রয়েই গেছে।

সুবিচারের আশায় রাজ্যপালের দ্বারস্থ নিহত ছাত্রনেতার পরিবার

সুবিচারের আশায় এবার রাজ্যপালের দ্বারস্থ হল নিহত ছাত্রনেতা সুদীপ্ত গুপ্তের পরিবার। আজ বিকেল পাঁচটায় রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন সুদীপ্তর বাবা প্রণব গুপ্ত, দিদি সুমিতা সেনগুপ্ত এবং তাঁর স্বামী। সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র।

একটি ছোট ঘটনা, তুচ্ছ ঘটনা: মুখ্যমন্ত্রী

সুদীপ্তর মৃত্যুর পর সেই পুরোনো অবস্থানে ফিরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেঙ্গালুরু একটি অনুষ্ঠানে পৌঁছিয়ে পুলিসের হেফাজতে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনাকে তিনি `ছোট ঘটনা`, `তুচ্ছ ঘটনা` বললেন। এদিন তিনি আরও বলেন, `এটি দুর্ঘটনা। কোনও পুলিসি অত্যাচার হয়নি। ময়না তদন্তের রিপোর্টে দুর্ঘটনাই বেরোবে।` তদন্ত চলাকালীনই মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করল।

ছাত্র ধর্মঘটের জেরে উত্তেজনা আশুতোষ কলেজে

এসএফআইয়ের ছাত্রনেতা সুদীপ্ত গুপ্তের পুলিস হেফাজতের মৃত্যুর প্রতিবাদে আজ রাজ্যজুড়ে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে এসএফআই। সেই মর্মে কলকাতার বিভিন্ন কলেজ সহ আশুতোষ কলেজের সামনেও সকাল থেকে বিক্ষোভ দেখান এসএফআই কর্মীরা। তবে দুপুরে উত্তেজনা ছড়ায় আশুতোয় কলেজ চত্বরে।

মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্যের আশ্বাস ফেরালেন সুদীপ্তর বাবা

সকালে মহাকরণ যাওয়ার পথে মর্গে সুদীপ্তর নিথর দেহ দেখতে হাসপাতালে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। এসএসকেএম হাসপাতালের মর্গে গিয়ে এসএফআই সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। ফেরার পথে সাংবাদিকদের সামনে শোক প্রকাশ করে তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি সাহায্যের আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে, খুঁটিতে ধাক্কা লেগে সুদীপ্তর মৃত্যু হয়েছে - পুলিসের এই দাবিতে সিলমোহর দেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্যের প্রস্তাব প্রায় তখনই প্রত্যাখ্যান করেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা প্রণব গুপ্ত। খুঁটিতে ধাক্কা লেগে ছেলের মৃত্যুর কথা মানতে চাননি তিনি।