জলপাইগুড়ি থেকে উদ্ধার ১০০ কোটি টাকার সাপের বিষ

জলপাইগুড়ি থেকে উদ্ধার ১০০ কোটি টাকার সাপের বিষ

একশো কোটি টাকা! হ্যাঁ, একশো কোটি টাকার সাপের বিষই  উদ্ধার হল জলপাইগুড়ির বেলাকোবায়। ফ্রান্স থেকে চোরা পথে আনা ওই  বিষ নেপাল, শিলিগুড়ি হয়ে ভুটানে পাচার করার চেষ্টা হচ্ছিল বলে খবর। ঘটনায় ধৃত  ছজনকে দুদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।গোপনে পাচার করা হচ্ছে বহুমূল্য সাপের বিষ। শুক্রবার বিকেলে গোপন সূত্রে খবর আসে বেলাকোবার রেঞ্জার সঞ্জয় দত্তর কাছে। সঙ্গে সঙ্গে  বনকর্মীদের নিয়ে তিনি হাজির হন বেলাকোবা রেলগেটে। তিনটি সাইকেলে সন্দেহভাজন ছজনকে দেখতে পান তাঁরা। তাদের সঙ্গে ছিল তিনটি ব্যাগ। বনকর্মীদের দেখেই পালানোর চেষ্টা করে ওই যুবকেরা।  এরপর ধাওয়া করে তাদের ধরে ফেলেন বনকর্মীরা। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বিষভর্তি  তিনটি জার। প্রায় ন পাউন্ড বিষের বাজার মূল্য একশো কোটি টাকা।

রায়পুর চা বাগানে মৃত্যু মিছিল, ২৪ ঘণ্টার খবরের জেরে ২২ ঘণ্টা পর মৃত শ্রমিকের সৎকারের ব্যবস্থা নিল প্রশাসন

মৃত্যুমিছিল অব্যাহত জলপাইগুড়ির রায়পুর চা-বাগানে। গতকাল সন্ধ্যায় মৃত্যু হয়েছে জিত্‍ বাহান মুন্ডা নামে এক চা শ্রমিকের। এই নিয়ে এক সপ্তাহে মৃত্যু হল ছ জন শ্রমিকের। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান প্রশাসনিক অধিকারিকরা। বিডিও শ্রদ্ধা সুব্বা, এসডিও সদর সীমা হালদার এবং জেলার মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক জগন্নাথ সরকার চা বাগান পরিদর্শনে যান। শ্রমিকদের অভিযোগ, সরকারি আধিকারিকরা বাগান পরিদর্শনে গেলেও কথা বলেননি কোনও শ্রমিক পরিবারের সঙ্গে। অভিযোগ, বন্ধ চা বাগানে মৃত্যু মিছিলের জন্য দায়ী অনাহার-অপুষ্টি। শুক্রবার এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে এই অভিযোগ খারিজ করে দেন এসডিও সদর সীমা হালাদার। তাঁর পাল্টা দাবি, অপুষ্টি নয় রোগজনিত কারণেই মৃত্যু হয়েছে ছ জনের। যদিও গত উনিশ জুন থেকে শিশুদের খাবারের সরবরাহ বন্ধ বলে জানিয়েছেন স্থানীয় অঙ্গনবাড়ি কর্মী রেখা রজক। দু হাজার তেরোর সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ রায়পুর চা বাগান। সরকারি সাহায্য হিসেবে যে চাল-গম দেওয়া হয়, তা খাওয়ার অযোগ্য বলে অভিযোগ শ্রমিকদের। স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়েও রয়েছে একাধিক অভিযোগ।

মৃত্যুপুরী জলপাইগুড়ি রায়পুর চা-বাগান, অনাহার অপুষ্টিতে মৃত্যু মুখে শ্রমিকরা

মৃত্যুপুরী হয়ে উঠেছে জলপাইগুড়ির রায়পুর চা-বাগান। গত চার দিনে এই বাগানে মৃত্যু হয়েছে চারজন শ্রমিকের। অভিযোগ উঠছে, মৃত্যুর জন্য দায়ী অনাহার-অপুষ্টি। গতবছর সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ এই বাগান। সরকারি সাহায্য হিসেবে যে চাল-গম দেওয়া হয়, তা খাওয়ার অযোগ্য বলে অভিযোগ শ্রমিকদের। স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়েও উঠেছে একাধিক অভিযোগ। জলপাইগুড়ি জেলায় এমুহুর্তে বন্ধ চার-চারটি চা -বাগান। যার মধ্যে রয়েছে রায়পুর চা-বাগানটিও। ছশো পঞ্চাশ জন শ্রমিক কাজ করতেন এখানে। এখন সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে পাঁচশো উনচল্লিশে। পেটের তাগিদে অনেকেই অন্য পেশা বেছে নিয়েছেন। বেশ কয়েকজন মারাও গিয়েছেন এরই মধ্যে। এই মৃত্যু নিয়েই এবার দানা বেঁধেছে বিতর্ক। এমাসে বাইশ থেকে পচিশ তারিখ, এই চার দিনে চার জন শ্রমিক মারা গিয়েছেন রায়পুর চা-বাগানে। উঠছে অনাহার-অর্ধাহার-অপুষ্টিতে মৃত্যুর অভিযোগ। শ্রমিকদের অভিযোগ অবশ্য মানতে নারাজ জেলা প্রশাসন।